Sheikh Hasina son on Bangladesh: জিতেছে কট্টর বিরোধী BNP, বাংলাদেশে আওয়ামির ফিরে আসা সম্ভব? হাসিনা-পুত্র জানালেন প্ল্যান
খালেদা পুত্র তারেক যখন মসনদে বসতে চলেছেন, তখন হাসিনাপুত্র জয় কী বলছেন?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক আঙিনায় সদ্য সম্পন্ন হয়েছে ত্রয়োদশ নির্বাচন। শেখ হাসিনা -হীন বাংলাদেশে এবারের ভোটে নিষেধাজ্ঞায় ছিল তাঁর পার্টি আওয়ামি লিগ। তেমনই এক রাজনৈতিক আঙিনায় সেখানে দাপুটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বিএনপি। এককালে আওয়ামি লিগের কট্টর বিরোধী শিবির হিসাবে পরিচিত ছিল বিএনপি। সেই বিএনপির নেত্রী তথা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক বসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে। এমনতাবস্থায় শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগের কী হতে চলেছে? পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন শেখ হাসিনার পুত্র জয়।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ ১৮’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনার পুত্র জয় বলেন,' বিএনপি বাংলাদেশের প্রধান দল। আমরা শীঘ্রই তাদের সাথে যোগাযোগ করব।' উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বিগত বহু বছর ধরে ছিল শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগের শাসন। সেই শাসনকে ছাক্র জনতা অভ্যুত্থানে পতনের মুখ দেখতে হয়। রাতারাতি ভারতে আসেন শেখ হাসিনা। ওদিকে বাংলাদেশের তখতে বসে মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। এমন এক পরিস্থিতিতে ভোট হয় বাংলাদেশে। ভোটে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামি লিগ। ভোটের পর জনতার রায় বলছে, দাপুটে জয় ঘরে তুলেছে বিএনপি। এমন অবস্থায় খালেদা পুত্র তারেক যখন মসনদে বসতে চলেছেন, তখন হাসিনাপুত্র জয় বলছেন,'নির্বাচনে বিএনপির জন্য এটি একটি উন্মুক্ত ক্ষেত্র ছিল, কারণ প্রকৃত কোন বিরোধী দল নেই এবং আমাদের নির্বাচনে লড়তে বাধা দেওয়া হয়েছে।'
ভোটে আওয়ামির অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও, জয় ওয়াজেদ জোর দিয়ে বলেন যে আওয়ামি লিগ রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক এবং আবারও ক্ষমতায় আসবে। এককালে মুদিবর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ এবার প্রধানমন্ত্রীর তখতে পাবে তারেক রহমানকে! সেই মুজিবরের নাতি তথা হাসিনার পুত্র জয় ওয়াজেদ আত্মবিশ্বাসী যে, বাংলাদেশের মাটিতে ফিরবে আওয়ামি। তিনি বলছেন, ‘আওয়ামি লীগ কোথাও যাচ্ছে না কারণ বাংলাদেশের মানুষ এখনও আমাদের দলকে ভালোবাসে। আমরা বাংলাদেশে ফিরে আসব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামি লিগের অধীনেই দেশটি সবচেয়ে বেশি উন্নত হয়েছে।’ বাংলাদেশে জামাত সম্পর্কে জয়ের বক্তব্য,'বাংলাদেশে জামায়াতের সমর্থন খুবই কম। যদি বাংলাদেশের সংসদে জামায়াতের বক্তব্য থাকে, তাহলে দেশে সন্ত্রাসবাদ চলতেই থাকবে।'
E-Paper











