Pak Terrorist: সংকটজনক হামজা! পাক সন্ত্রাসের আঁতুরঘরে আর কোন কোন জঙ্গি ‘অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজদের’ টার্গেটে ছিল?
Pakistani Terrorist Amir Hamza: লোহোরে আজই এক টিভি চ্যানেলের অফিসের বাইরে গুলিবিদ্ধ হয়েছে আমির হামজা। যার পরিচিতি ভারত বিরোধী জঙ্গি হিসাবে। কে সে? একাধিক চাঞ্চল্যর তথ্য উঠছে।
Pakistani Terrorist: মার্কিন থিঙ্কট্যাঙ্ক জেমসটাউন বলছে, পাকিস্তানে কুখ্যাত জঙ্গি শিবিরের প্রতিষ্ঠাতা জঙ্গি নেতা হাফিজ সইদের সঙ্গে ওই সংগঠনের সহ প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজাকে সাক্ষাৎ করিয়ে দিয়েছিল আরও এক কুখ্যাত সন্ত্রাসী নাম, লকভি! আমির হামজা এদিন লাহোরে এক টিভি চ্যানেলের অফিসের বাইরে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। হামজা হাসপাতালে। জানা গিয়েছে হামজা সংকটজনক। শুধু হামজা নয়, এর আগে, গত ৩ থেকে ৪ বছরে পাকিস্তানের মাটিতে একাধিক জঙ্গিকে গুলিবিদ্ধ হতে হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের দ্বারা! সেই জঙ্গিদের তালিকা দেখার আগে, দেখে নেওয়া যাক, হামজা সম্পর্কে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।

কে আমির হামজা?
একদিকে জঙ্গি, অন্যদিকে, লেখক হিসাবে পরিচিতি রয়েছে হামজার। ভারতে একের পর এক হামলার নেপথ্যে লস্করের এই দ্বিতীয় নেতার (হাফিজ সইদের পর) নাম উঠে আসে। ২০০৫ সালে বেঙ্গালুরুর বুকে আইআইএসসির অন্দরে হামলার ঘটনার নেপথ্যেও হামজার হাত ছিল। যে হামলা চালিয়েছিল লস্কর ই তৈবা। পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রভিন্সের বাসিন্দা হামজা সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ থেকে হাত পাকানো শুরু করে। এরপর ১৯৮৪ সালে জাকির উর রহমান লাকভির হাত ধরে সন্ত্রাসে এন্ট্রি হামজার। হামজা, লস্কর ই তৈবার সহ প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে চিহ্নিত হয়। যার নেতৃত্বে রয়েছে হাফিজ সইদ। ২০১৮এ হামজা তৈরি করে জইশ এ মনকাফা। মূলত এরা লস্করের জন্য ফান্ড জোগাড়ের কাজ করে। লস্করের প্রচারের ক্ষেত্রেও হামজার বড় ভূমিকা রয়েছে। তবে ২০০০ সাল থেকে হামজা, লস্করের জঙ্গি সেল কোথায় হবে না হবে, তার দিকটি সামলায়। ফলত, হামজার গুলিবিদ্ধ হওয়া লস্করের জন্য বেশ বড় হুমকি!
‘অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজ’ ও টার্গেটে থাকা জঙ্গি -
২০২৪ সালের মার্চ মাসে, ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে ওয়ান্টেড লস্করের শীর্ষ কমান্ডার জিয়া-উর-রহমান ওরফে নাদিম অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হয়। তাকে ২০২৪ সালের ৯ই জুনের রিয়াসি বাস হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে মনে করা হত, যে হামলায় সন্ত্রাসীরা নয়জন তীর্থযাত্রীকে হত্যা এবং ৪১ জন আহত হন। হাফিজ সাইদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মুফতি কায়সার ফারুকও করাচিতে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হয় পাকিস্তানের মাটিতে। ২০১০ সালে ভারতের হেফাজতে ছিল শাহিদ লাতিফ। পরে তার ঠাঁই হয় পাকিস্তানে। ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর, ২০১৬ সালের পাঠানকোট বিমানঘাঁটি হামলার অন্যতম প্রধান ষড়যন্ত্রকারী, জইশ-ই-মহম্মদ (জেএম) জঙ্গি শাহিদ লতিফ শিয়ালকোটের দাসকা এলাকার একটি মসজিদের ভেতরে নিহত হয়।
তালিকা লম্বা! ৭ই নভেম্বর, ২০১৮ সালের সুঞ্জুয়ান সেনা শিবির হামলার সাথে জড়িত লস্কর-ই-তৈয়বার আরেক সদস্য খাজা শাহিদকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার শিরশ্ছেদ করা দেহে নির্যাতনের চিহ্ন ছিল। ১০ নভেম্বর, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় নিয়োগ কার্যক্রমে জড়িত লস্কর-ই-তৈয়বার কমান্ডার আক্রম খান গাজীকে বাইকে আসা হামলাকারীরা গুলি করে হত্যা করে।২০২২ সালের মার্চ মাসে, ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট আইসি ৮১৪-এর অন্যতম ছিনতাইকারী জহুর মিস্ত্রি করাচির আখতার কলোনিতে দুই অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীর গুলিতে নিহত হয়। যে জাহুরকে পাকিস্তানি মিডিয়া, 'ব্যবসায়ী' হিসাবে দাবি করে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


