Neha Singh of Robot Dog fiasco: 'রোবো ডগ' কাণ্ডের এই প্রফেসর নেহা সিং আসলে কে? তাঁর চিনা রোবটের ভিডিয়োয় ঝড় ওঠে
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কখন কে ভাইরাল হয়ে যান, তা বলা মুশকিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নেটদুনিয়ায় সবথেকে বেশি চর্চিত নামগুলির মধ্যে অধ্যাপক নেহা সিংয়ের নাম আছে। উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডার ‘গালগোটিয়াস ইউনিভার্সিটির এই শিক্ষিকাকে নিয়ে এখন তোলপাড় চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কখন কে ভাইরাল হয়ে যান, তা বলা মুশকিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নেটদুনিয়ায় সবথেকে বেশি চর্চিত নামগুলির মধ্যে অধ্যাপক নেহা সিংয়ের নাম আছে। উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডার ‘গালগোটিয়াস ইউনিভার্সিটির এই শিক্ষিকাকে নিয়ে এখন তোলপাড় চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।একটি ভাইরাল ভিডিয়োকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্ক নিয়ে এখন হইচই চলছে। কিন্তু কেন তিনি হঠাৎ এতটা ভাইরাল হলেন? কী ছিল সেই ভিডিয়োয়?

রোবো ডগ ও নেহার ভাইরাল ভিডিয়ো
ঘটনার সূত্রপাত হয় একটি ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকারের ক্লিপ থেকে। ভিডিয়োয়ত দেখা যায়, গালগোটিয়াস ইউনিভার্সিটির চত্বরে একটি রোবটিক কুকুর বা ‘রোবট ডগ’ প্রদর্শন করা হচ্ছে। সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নেহা সিং। যিনি প্রথমে ‘রোবো ডগ’-কে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি বলে দাবি করেছিলেন, যার পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই হয়েছিল। পরে জানা যায় যে আসলে সেটি চিন থেকে কেনা হয়েছিল। এছাড়াও নেহা অন্য একটি ভিডিয়োয় বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি ফুটবল ড্রোনের কথাও বর্ণনা করেছেন, যা পরে দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্য বলে প্রমাণিত হয়েছিল।
নেহাকেই দায়ি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
আর সেই রেশ ধরে যখন বিতর্ক শুরু হয়, তখন নেহা উদ্ভট সাফাই দেন। দোষ চাপিয়ে দেন সংবাদমাধ্যমের উপরে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে নেহার ঘাড়ে দোষ চাপানো হয়। দাবি করা হয় যে ক্যামেরার সামনে কথা বলার উত্তেজনায় এরকম বেফাঁস মন্তব্য করেন।
কে এই প্রফেসর নেহা সিং?
১) লিঙ্কডইন প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নেহা গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের কমিউনিকেশনস বিভাগের একজন সদস্য ছিলেন। ২০২৩ সালে গ্যালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের আগে তিনি গ্রেটার নয়ডার সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেছিলেন।
২) এর আগে নেহা 'গীতম'-এ একটি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
৩) লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে তিনি দেবী অহল্যা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছিলেন।
৪) তাঁর লিঙ্কডইন প্রোফাইলও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে লেখা রয়েছে 'ওপেন টু ওয়ার্ক'। লিঙ্কডইনে এই ট্যাগটি কোনও ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয় যখন তিনি নতুন চাকরি খুঁজছেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


