Farmers Protest in India:ফের আসছে কৃষক বিক্ষোভের ঝড়? কী নিয়ে প্রতিবাদ!এদিকে, কোর্টের নির্দেশে ওয়াংচুক পেলেন বড় স্বস্তি
কৃষকদের এই আন্দোলন, ‘দেশ বাঁচাও মোর্চা’র তরফে হচ্ছে। এই সমাবেশকে সামনে রেখে হরিয়ানা পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে, তারা খানৌরি ও বাস্তারায় কৃষকদের গাড়ির কনভয় আটকে দেয় এবং শম্ভু সীমান্তে কঠোর ব্যারিকেড রাখা হয়েছে।
সিজেপির বিক্ষোভের জেরে ইতিমধ্যেই উত্তাল রাজধানী দিল্লি। সেখানে ইতিমধ্যেই ককরোচ জনতা পার্টি একাধিক দাবি দাওয়া নিয়ে সরব, অনশনে রয়েছেন সমাজকর্মী সোনাম ওয়াংচুক। তারই মাঝে পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশের কৃষকরা একজোট হচ্ছেন কিষাণ ঘাটে। সেখান থেকে এই কৃষকরা শুরু করবেন তাঁদের বিক্ষোভ আন্দোলন। কৃষকদের এই বিক্ষোভ আন্দোলন মূলত, ভারত-আমেরি কার প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে, যে চুক্তি এখনও স্বাক্ষরিত হয়নি, তাতে শিলমোহর পড়েনি দুই দেশের। কী নিয়ে এই বিক্ষোভ কৃষকদের?

কৃষকদের এই আন্দোলন, ‘দেশ বাঁচাও মোর্চা’র তরফে হচ্ছে। এই সমাবেশকে সামনে রেখে হরিয়ানা পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে, তারা খানৌরি ও বাস্তারায় কৃষকদের গাড়ির কনভয় আটকে দেয় এবং শম্ভু সীমান্তে কঠোর ব্যারিকেড রাখা হয়েছে। এছাড়া হরিয়ানার বিভিন্ন এলাকায় ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ -এর ১৬৩ ধারার অধীনে জারি করা নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার অনড় অবস্থানে রয়েছে যে, ভারতের কৃষি-স্বার্থের বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না এবং সংবেদনশীল কৃষিপণ্যগুলোকে আলোচনার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। কিসান মজদুর মোর্চা সমেত, একাধিক কৃষক সংগঠনের যুক্তি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কম দামি কৃষি পণ্য ভারতে আমদানির অনুমতি দেওয়া হলে তা ভারতের কৃষক, কৃষি শ্রমিক, গবাদি পশু পালনকারী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁদের আশঙ্কা, বিপুল ভর্তুকিপ্রাপ্ত মার্কিন কৃষি পণ্য ভারতীয় বাজারে ছেয়ে যেতে পারে, যার ফলে দেশের অভ্যন্তরে ফসলের দাম কমে যাবে এবং গ্রামীণ আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাঁদের উদ্বেগের মূল কারণ হল, বিক্ষোভরত কৃষকদের দাবি, মার্কিন কৃষকদের তুলনায় অনেক কম সরকারি সহায়তা পাওয়া ভারতীয় কৃষকদের পক্ষে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। এদিকে, বহু মাস ধরে কতাবার্তা চললেও, এখনও পর্যন্ত ভারত-আমেরিকা চুক্তি সম্পন্ন হয়নি।
কোর্টের নির্দেশে বড় স্বস্তি ওয়াংচুকের-
এদিকে, কোর্টের নির্দেশে সোনাম ওয়াংচুক পেলেন বড় স্বস্তি। কিছুদিন আগেই, তাঁদের বিক্ষোভের স্থল থেকে সোনাম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। ওয়াংচুককে ভর্তি করা হয় সরকারি হাসপাতালে। তবে ওয়াংচুকের পরিবার চাইছিল, সোনমকে সেখান থেকে সরিয়ে পরিবারের পছন্দের অন্যত্র হাসপাতালে ভর্তি করা হোক। পরিবারের সেই আর্জিতেই এদিন শিলমোহর দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। কোর্ট বলেছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য অবিলম্বে গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হোক সোনমকে, যেখানে বেসরকারি এই হাসপাতালের একদল চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা হবে। দীর্ঘদিন ধরে অনশন করার ফলে স্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতির কথা উল্লেখ করে ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে. আংমো একটি আবেদন করেছিলেন কোর্টে, সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


