Haryana murder case: হরিয়ানায় হাড়হিম! স্বামীকে খুন করে নাড়িভুড়ি ব্যাগে ভরছিলেন স্ত্রী, পালানোর চেষ্টা করতেই...

Haryana murder case: পুলিশের দাবি, উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলার ধামপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজেশ প্রায় এক বছর ধরে তার স্ত্রীকে নিয়ে কুরুক্ষেত্রে থাকতেন। স্থানীয় একটি জল সরবরাহকারী সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তিনি। কিন্তু কী কারণে এই খুন , তা জানা যায়নি এখনও।

Published on: Aug 24, 2026, 12:08:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Haryana murder case: হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড। অশান্তির জেরে স্বামীকে খুন করে তাঁর পেট কেটে নাড়িভুঁড়ি বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্ত্রীর বিরুদ্ধে (Haryana gruesome crime news)। শুধু তা-ই নয়, সেই দেহাংশ ব্যাগে ভরার পর বাড়িওয়ালা দেখে ফেলতেই আতঙ্কে তিনতলার ছাদ থেকে ঝাঁপ দেন অভিযুক্ত মহিলা (Haryana woman kills husband)।

হরিয়ানায় হাড়হিম হত্যাকাণ্ড! (সৌজন্যে টুইটার)
হরিয়ানায় হাড়হিম হত্যাকাণ্ড! (সৌজন্যে টুইটার)

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ব্যক্তির নাম রাজেশ। তাঁর স্ত্রী বিমলা দেবী । কুরুক্ষেত্রের পেহোয়া রোডে রাজ প্যালেসের কাছে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন ওই দম্পতি। তাদের বিয়ে অনেক বছরের। তবে কোনও সন্তান ছিল না। যে দিন ঘটনাটি ঘটে, সেদিন বিকেল ৫টা থেকে তাঁদের মধ্যে তীব্র বচসা বাঁধে। বাড়িওয়ালা রিঙ্কুর বয়ান অনুসারে, বিকেল থেকেই প্রবল চিৎকার -চ্যাঁচামেচি শুরু হয়। এরপর শোরগোল বাড়তে থাকলে, তিনি ছাদে ছুটে যান। এরপর তিনি যে দৃশ্য দেখেন, তা শিরদাঁড়ায় শীতল স্রোত বইয়ে দেওয়ার মতোই। তাঁর অভিযোগ, সেই সময় পেটে গুরুতর আঘাত নিয়ে মাটিতে পড়ে ছিলেন রাজেশ । রক্তে ভাসছে চারিদিক। আর ঠান্ডা মাথায় স্বামী রাজেশের পেট থেকে বেরিয়ে আসা নাড়িভুঁড়ি একটি ব্যাগে ভরছে স্ত্রী বিমলা। তখন হঠাৎ তার চোখ যায় বাড়ির মালিকের দিকে। সঙ্গে সঙ্গে ভয় পেয়ে বিমলা ছাদ থেকে লাফ দেয়।

তবে ছাদ থেকে লাফিয়েও পালাতে পারেনি ওই মহিলা। পড়ে গিয়ে অভিযুক্ত আহত হয়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা চলছে তার। পুলিশ তার জবানবন্দি রেকর্ড করার চেষ্টা করছে। পুলিশের দাবি, উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলার ধামপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজেশ প্রায় এক বছর ধরে তার স্ত্রীকে নিয়ে কুরুক্ষেত্রে থাকতেন। স্থানীয় একটি জল সরবরাহকারী সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তিনি। কিন্তু কী কারণে এই খুন , তা জানা যায়নি এখনও। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাজেশের পেট প্রায় ৩৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কেটে ফেলেছে তার স্ত্রী। তার শরীর থেকে বেরিয়ে এসেছিল ক্ষুদ্রান্ত্র। যকৃতের একটি বড় অংশ এবং ডান কিডনিটিও ছিল না শরীরে। পুলিশ এই বিষয়টি বিশেষভাবে খতিয়ে দেখছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আকারের তিনটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। স্টেশন হাউস অফিসার সুরিন্দর সিংয়ের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল পুরো এলাকাটি ঘিরে তল্লাশি চালিয়েছে। বাড়ির মালিকের দাবি, বিমলা দেবী ঝাড়ফুঁক ও তন্ত্রসাধনার মতো ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং দম্পতির মধ্যে প্রায়শই অশান্তি লেগে থাকত। তন্ত্রসাধনার কোনও কোপ নাকি পারিবারিক বিবাদ- ঠিক কী কারণে এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড, তা এখনও স্পষ্ট নয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিযুক্ত স্ত্রীর বয়ান এবং ফরেনসিক রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।