Zorawar Tank Latest Update: সেনায় জোরাওয়ার ট্যাঙ্কের অন্তর্ভুক্তি পিছিয়ে যেতে পারে প্রায় দুই বছর পর্যন্ত

মূলত উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যুদ্ধের জন্য তৈরি করা হয়েছে জোরাওয়ার ট্যাঙ্কটিকে। ২০২০ সালের ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার পর এই প্রকল্পের গুরুত্ব বাড়ে। এটি চিনের টাইপ ১৫ হালকা ট্যাঙ্কের মোকাবিলায় তৈরি করা হয়েছে এবং লাদাখের মতো দুর্গম এলাকায় মোতায়েনের কথা মাথায় রেখেই নকশা করা হয়েছে।

Published on: Jun 11, 2026, 08:55:16 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জোরাওয়ার লাইট ট্যাঙ্ক প্রকল্পটি বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে। ভারতীয় সেনার নতুন চাহিদার কারণে এই হালকা ট্যাঙ্কের অন্তর্ভুক্তি প্রায় দুই বছর পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে সূত্র। রিপোর্ট অনুযায়ী, সেনাবাহিনী ট্যাঙ্কটির জন্য আরও উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা চেয়েছে সেনা। শত্রুপক্ষের গোলাবর্ষণ ও অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক অস্ত্রের বিরুদ্ধে যাতে এই ট্যাঙ্কটি আরও বেশি সুরক্ষিত থাকে, তা নিশ্চিত করতে বলেছে সেনা। কিন্তু অতিরিক্ত বর্ম যোগ করলে এই ট্যাঙ্কের ওজন বাড়বে, ফলে পাহাড়ি এলাকায় দ্রুত চলাচল ও গতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এই ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন নির্মাতাদের বড় চ্যালেঞ্জ।

মূলত উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যুদ্ধের জন্য তৈরি করা হয়েছে জোরাওয়ার ট্যাঙ্কটিকে।
মূলত উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যুদ্ধের জন্য তৈরি করা হয়েছে জোরাওয়ার ট্যাঙ্কটিকে।

কেন জোরাওয়ার ট্যাঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ?

মূলত উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যুদ্ধের জন্য তৈরি করা হয়েছে জোরাওয়ার ট্যাঙ্কটিকে। ২০২০ সালের ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার পর এই প্রকল্পের গুরুত্ব বাড়ে। এটি চিনের টাইপ ১৫ হালকা ট্যাঙ্কের মোকাবিলায় তৈরি করা হয়েছে এবং লাদাখের মতো দুর্গম এলাকায় মোতায়েনের কথা মাথায় রেখেই নকশা করা হয়েছে।

নতুন টাইমলাইন কী?

সম্প্রতি সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী জানিয়েছেন যে উন্নয়ন ও পরীক্ষার সময় চিহ্নিত সমস্যাগুলি সংশোধনের কাজ চলছে। বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী জোরাওয়ারের অন্তর্ভুক্তি ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে হতে পারে, যদিও আগে ২০২৭ সালের আশপাশে তা হওয়ার আশা করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে, সেনাবাহিনী আরও সুরক্ষিত ট্যাঙ্ক চাইলেও তার মূল্য হতে পারে অন্তত দুই বছরের অতিরিক্ত অপেক্ষা। ভারতের পাহাড়ি যুদ্ধক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে জোরাওয়ারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এই ট্যাঙ্কটি তৈরি করে ডিআরডিও। সফলভাবে এই ট্যাঙ্কের ট্র্যাক ট্রায়ালও সম্পন্ন হয় কয়েক মাস আগে। লাদাখ বিজয়ী ডোগরা সেনাপতি জেনারেল জোরাওয়ার সিং-এর নামানুসারে এই ট্যাঙ্কের -এর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। এই ট্যাঙ্কের আপাতত ওজন মাত্র ২৫ টন। এর দৈর্ঘ্য ৭ মিটার, প্রস্থ ৩.২ মিটার এবং উচ্চতা ২.৫ মিটার। এতে রয়েছে একটি ৭৫৬ হর্সপাওয়ারের কামিন্স এটি সর্বোচ্চ ৭০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে চলতে পারে এবং এর অপারেশনাল রেঞ্জ প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার। ট্যাঙ্কটিতে বেলজিয়ামের 'জন ককেরিল' কোম্পানির তৈরি একটি ১০৫ মিলিমিটারের রাইফেলড গান রয়েছে, যা অটো-লোডারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গোলাবর্ষণ করতে পারে। এর মূল কামান এবং সাইড লাঞ্চার থেকে ভারতের নিজস্ব নাগ মার্ক-২ (Nag Mk2) অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল ফায়ার করা যায়। এছাড়াও এতে এআই, সুইচব্লেড ড্রোন এবং অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম (C-UAS) রয়েছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More