Pakistani Army General on LoC, Border: অপারেশন শিল্ডের আবহে ভারত-পাক সীমান্তে কী হাল? বড় দাবি পাকিস্তানি সেনা জেনারেলের

২২ এপ্রিলের পর থেকে ভারত-পাক সীমান্তে ক্রমেই বেড়েছিল উত্তেজনা। এরপর ৬ মে রাত থেকে সংঘাত বাঁধে দুই দেশে। নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং সীমান্তেও এর প্রভাব পড়ে। তবে পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিকের দিকে ফিরছে। এই আবহে দুই দেশই সীমান্ত থেকে জওয়ান কমাচ্ছে বলে দাবি পাক জেনারেলের।

Published on: May 31, 2025 8:31 AM IST
google-icon
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link
1/5
পাক সেনা আধিকারিক বলেন, 'এই সংঘাত খুবই বিপজ্জনক প্রবণতা। এবারে উত্তেজনা প্রশমিত করার জন্য কোনও ব্যাকচ্যানেল আলোচনা বা কোনও অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। এসব সমস্যা কেবল সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমেই সমাধান হতে পারে। যুদ্ধের ময়দানে তাদের সমাধান করা যায় না।'  (AFP)expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on May 31, 2025 8:31 AM

পাক সেনা আধিকারিক বলেন, 'এই সংঘাত খুবই বিপজ্জনক প্রবণতা। এবারে উত্তেজনা প্রশমিত করার জন্য কোনও ব্যাকচ্যানেল আলোচনা বা কোনও অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। এসব সমস্যা কেবল সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমেই সমাধান হতে পারে। যুদ্ধের ময়দানে তাদের সমাধান করা যায় না।' (AFP)

2/5
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চারদিনের সংঘাতের পর কেটে গেছে বেশ কয়েকটা দিন। এই আবহে সীমান্তে ধীরে ধীরে উত্তেজনা কমতে শুরু করেছে। সংঘর্ষবিরতি সমঝোতার সময়ই ভারত ও পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে সেখান থেকে সেনা কমানো হবে দুই তরফেই। এই আবহে পাকিস্তানের এক সেনা আধিকারিক শুক্রবার দাবি করেছেন, এখন দুই দেশই সীমান্তে সেনা সংখ্যা কমানোর পথে হাঁটছে।  (AFP)expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on May 31, 2025 8:31 AM

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চারদিনের সংঘাতের পর কেটে গেছে বেশ কয়েকটা দিন। এই আবহে সীমান্তে ধীরে ধীরে উত্তেজনা কমতে শুরু করেছে। সংঘর্ষবিরতি সমঝোতার সময়ই ভারত ও পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে সেখান থেকে সেনা কমানো হবে দুই তরফেই। এই আবহে পাকিস্তানের এক সেনা আধিকারিক শুক্রবার দাবি করেছেন, এখন দুই দেশই সীমান্তে সেনা সংখ্যা কমানোর পথে হাঁটছে। (AFP)

3/5
আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণ রেখায় ২২ এপ্রিলের আগের পরিস্থিতি ফিরে আসছে ধীরে ধীরে। এর আগে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওতে ২৬ জন সাধারণ মানুষকে খুন করেছিল জঙ্গিরা। এরপর থেকেই লাগাতার প্রতি রাতে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করেছিল পাকিস্তান। এর যোগ্য জবাব দিয়েছিল ভারতও। তরপর ৬ এবং ৭ মে-র মাঝামাঝি রাতে ভারত অপারেশন সিঁদুরের অধীনে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের পঞ্জাবে অবস্থিত ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। যার জবাবে পাকিস্তান পালটা হামলার চেষ্টা করেছিল। এই আবহে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধেছিল।   (AFP)expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on May 31, 2025 8:31 AM

আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণ রেখায় ২২ এপ্রিলের আগের পরিস্থিতি ফিরে আসছে ধীরে ধীরে। এর আগে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওতে ২৬ জন সাধারণ মানুষকে খুন করেছিল জঙ্গিরা। এরপর থেকেই লাগাতার প্রতি রাতে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করেছিল পাকিস্তান। এর যোগ্য জবাব দিয়েছিল ভারতও। তরপর ৬ এবং ৭ মে-র মাঝামাঝি রাতে ভারত অপারেশন সিঁদুরের অধীনে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের পঞ্জাবে অবস্থিত ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। যার জবাবে পাকিস্তান পালটা হামলার চেষ্টা করেছিল। এই আবহে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধেছিল। (AFP)

4/5
তবে এখন সীমান্তে উত্তেজনা কমেছে। এই আবহে পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দুই দেশের সেনাবাহিনীই সেনা সংখ্যা কমানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মির্জা বলেন, 'আমরা প্রায় ২২ এপ্রিলের আগের অবস্থানে ফিরে এসেছি।'  (AFP)expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on May 31, 2025 8:31 AM

তবে এখন সীমান্তে উত্তেজনা কমেছে। এই আবহে পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দুই দেশের সেনাবাহিনীই সেনা সংখ্যা কমানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মির্জা বলেন, 'আমরা প্রায় ২২ এপ্রিলের আগের অবস্থানে ফিরে এসেছি।' (AFP)

5/5
সাংগ্রি-লা ডায়ালগ ফোরামে যোগ দিতে সিঙ্গাপুরে আছেন জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা। মির্জা বলেন, যদিও এই সংঘাতের সময় পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, তবে এই সংঘাতের জেরে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এদিকে বর্তমানে দুই দেশই সেনা পিছিয়ে নিলেও ভবিষ্যতে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   (AFP)expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on May 31, 2025 8:31 AM

সাংগ্রি-লা ডায়ালগ ফোরামে যোগ দিতে সিঙ্গাপুরে আছেন জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা। মির্জা বলেন, যদিও এই সংঘাতের সময় পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, তবে এই সংঘাতের জেরে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এদিকে বর্তমানে দুই দেশই সেনা পিছিয়ে নিলেও ভবিষ্যতে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। (AFP)

Related Photos