Shubhanshu Shukla research in space: মেথি চাষ থেকে স্ক্রিনটাইম পরীক্ষা- মহাকাশে কী কী পরীক্ষা চালালেন শুভাংশু শুক্লা?

মেথি চাষ থেকে স্ক্রিনটাইম পরীক্ষা- মহাকাশে বিভিন্নরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালালেন ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা। অ্যাক্সিয়ম-৪ মিশনের অন্যতম সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। সেখানেই বিভিন্ন গবেষণা চালিয়েছেন।

Published on: Jul 15, 2025 7:26 PM IST
google-icon
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link
1/5
মহাকাশে থাকার সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন। ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, মহাকাশে থাকলে মানুষের পেশির কোষের উপরে কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। যা ভবিষ্যতে মহাকাশ তো বটেই, পৃথিবীতেও পেশি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের পথ দেখাতে পারে। সার্বিকভাবে মহাকাশে মানবদেহে কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়েও গবেষণা চালিয়েছেন। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই) expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 15, 2025 7:26 PM

মহাকাশে থাকার সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন। ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, মহাকাশে থাকলে মানুষের পেশির কোষের উপরে কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। যা ভবিষ্যতে মহাকাশ তো বটেই, পৃথিবীতেও পেশি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের পথ দেখাতে পারে। সার্বিকভাবে মহাকাশে মানবদেহে কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়েও গবেষণা চালিয়েছেন। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

2/5
মহাকাশে কীভাবে পেট্রি ডিশে (স্বচ্ছ, ঢাকনাযুক্তি থালার মতো) মুগ এবং মেথির বীজের অঙ্কুরোদগম হয়, তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন শুভাংশু। তারপর সেগুলি আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের ফ্রিজেও রেখে দেওয়া হয়েছিল। সেইসঙ্গে সায়ানোব্যাকটেরিয়া এবং অ্যাকোয়াটিক-ফোটোসিন্থেথিক অর্গ্যানিজম নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। যা অক্সিজেন উৎপদান, মহাকাশযানের পুনর্ব্যবহারের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই) expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 15, 2025 7:26 PM

মহাকাশে কীভাবে পেট্রি ডিশে (স্বচ্ছ, ঢাকনাযুক্তি থালার মতো) মুগ এবং মেথির বীজের অঙ্কুরোদগম হয়, তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন শুভাংশু। তারপর সেগুলি আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের ফ্রিজেও রেখে দেওয়া হয়েছিল। সেইসঙ্গে সায়ানোব্যাকটেরিয়া এবং অ্যাকোয়াটিক-ফোটোসিন্থেথিক অর্গ্যানিজম নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। যা অক্সিজেন উৎপদান, মহাকাশযানের পুনর্ব্যবহারের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

3/5
নিত্যদিনের জীবনে পদার্থবিদ্যা যেরকমভাবে কার্যকর হয়, তা মহাকাশে কতটা পরিবর্তিত হয়, তা নিয়েও গবেষণা চালিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশচারী। শূন্যে ভাসমান জলের বুদবুদও তৈরি করে তিনি। শুধু তাই নয়, মানসিক স্বাস্থ্য, ক্যানসার, উদ্ভিদের জীবনবিদ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও শুভাংশুরা গবেষণা চালিয়েছেন। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই) expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 15, 2025 7:26 PM

নিত্যদিনের জীবনে পদার্থবিদ্যা যেরকমভাবে কার্যকর হয়, তা মহাকাশে কতটা পরিবর্তিত হয়, তা নিয়েও গবেষণা চালিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশচারী। শূন্যে ভাসমান জলের বুদবুদও তৈরি করে তিনি। শুধু তাই নয়, মানসিক স্বাস্থ্য, ক্যানসার, উদ্ভিদের জীবনবিদ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও শুভাংশুরা গবেষণা চালিয়েছেন। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

4/5
বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাক্সিয়ম-৪ মিশনে গিয়ে শুভাংশু যে অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন, তা ভারতের গগনযান মিশনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। যিনি দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে গেলেন। ১৯৮৪ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মিশনের সঙ্গে মহাকাশে গিয়েছিলেন রাকেশ শর্মা। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই) expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 15, 2025 7:26 PM

বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাক্সিয়ম-৪ মিশনে গিয়ে শুভাংশু যে অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন, তা ভারতের গগনযান মিশনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। যিনি দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে গেলেন। ১৯৮৪ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মিশনের সঙ্গে মহাকাশে গিয়েছিলেন রাকেশ শর্মা। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

5/5
যেখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নেই, সেখানে কম্পিউটার স্ক্রিনের প্রভাব কী পড়ে, তা নিয়েও গবেষণা চালিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশচারী। যা ইসরোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়। আর সেই গবেষণা ভবিষ্যতের দিশা নির্ধারণ করতে পারে। আবার মানুষের মস্তিষ্ক এবং ভাবনাচিন্তার সঙ্গে কম্পিউটারের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করা যায় কিনা, তা নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন শুভাংশুরা। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই) expand-iconView Photos in a new improved layout
Published on Jul 15, 2025 7:26 PM

যেখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নেই, সেখানে কম্পিউটার স্ক্রিনের প্রভাব কী পড়ে, তা নিয়েও গবেষণা চালিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশচারী। যা ইসরোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়। আর সেই গবেষণা ভবিষ্যতের দিশা নির্ধারণ করতে পারে। আবার মানুষের মস্তিষ্ক এবং ভাবনাচিন্তার সঙ্গে কম্পিউটারের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করা যায় কিনা, তা নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন শুভাংশুরা। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

Related Photos