Kasba Gangrape Case Update in HC: কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে নয়া মোড়, CBI চেয়ে মামলায় যুক্ত হতে চায় নির্যাতিতার পরিবার
পুলিশে আস্থা আছে কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে নির্যাতিতার পরিবারের। তবে হাইকোর্টে সিবিআই তদন্তের দাবিতে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলায় এবার যুক্ত হতে চায় নির্যাতিতার পরিবার। মামলাটি আজ কলকাতা হাইকোর্টে ওঠার কথা।
Published on: Jul 3, 2025 6:53 AM IST
1/7

Published on Jul 3, 2025 6:53 AM
আজ বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি স্মিতা দাসের ডিভিশন বেঞ্চে এই জনস্বার্থ মামলাগুলির শুনানি হবে। এর মধ্যে একটি মামলায় আবেদন করা হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নজরদারিতে সিবিআই তদন্ত হোক। অপর এক মামলায় আবেদন করা হয়েছে, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা বসানো হোক। (PTI)
2/7

Published on Jul 3, 2025 6:53 AM
কসবার আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ইতিমধ্যেই হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। এই ঘটনায় মোট তিনটি জনস্বার্থ মামলা হয়েছে উচ্চ আদালতে। এই মামলাগুলিতে এবার যুক্ত হতে চেয়ে আবেদন করেছেন নির্যাতিতার পরিবার। নিজেদের আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, নির্যাতিতার পরিবার এই ঘটনায় পুলিশের ওপরই ভরসা রাখছেন। (PTI)
3/7

Published on Jul 3, 2025 6:53 AM
প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুনের এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশ ৯ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে তদন্ত চালাচ্ছে। অভিযোগ দায়েরের কয়েক ঘণ্টা পরই মনোজিৎ মিশ্র সহ তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। পরে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল কলেজের নিরাপত্তারক্ষীকেও। জানা যায়, এই নিরাপত্তারক্ষীর ঘরেই গণধর্ষণ করা হয়েছিল সেই ছাত্রীকে। (PTI)
4/7

Published on Jul 3, 2025 6:53 AM
তদন্তে নেমে সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের কসবা ক্যাম্পাস থেকে পুলিশ ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করেছে একধিক প্রমাণ। যে কমন রুমে সেই নির্যাতিতা মারধরের অভিযোগ করেছিলেন, সেখানে রক্তের দাগ পেয়েছে পুলিশ। সেখান থেকে নমুনাও সংগ্রহ করেছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। এদিকে কলেজ থেকে হকিস্টিকও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগ ছিল, সেই হকিস্টিক দিয়ে নির্যাতিতাকে মারধর করা হয়েছিল। (PTI)
5/7

Published on Jul 3, 2025 6:53 AM
এদিকে পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে কলেজের সিসিটিভির হার্ডডিস্ক। পুলিশ জানিয়েছে, সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ থেকে পাওয়া সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ২৪ বছরের এক ছাত্রীর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ জুন বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে রাত ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সাত ঘণ্টার সিসিটিভি ফুটেজে কলেজ চত্বরের চারপাশের গতিবিধি ধরা পড়েছে। (PTI)
6/7

Published on Jul 3, 2025 6:53 AM
ফুটেজে দেখা যায়, নির্যাতিতাকে জোর করে গার্ডের ঘরে ঢোকানো হয়, যেখানে তিন অভিযুক্ত তাকে যৌন নির্যাতন করে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মেয়েটির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাতে তিন অভিযুক্ত, নিরাপত্তারক্ষী ও নির্যাতিতার গতিবিধি দেখা যাচ্ছে। মূল অভিযুক্তের মোবাইল ফোন থেকে দেড় মিনিটের একটি ভিডিয়ো ক্লিপও উদ্ধার করা হয়েছে। ভিডিয়োটির ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য পাঠিয়েছিল পুলিশ। এছাড়া আরও এক অভিযুক্তও নাকি ঘটনাক ভিডিয়ো করেছিল নিজের ফোনে। জেরায় সে কথা উঠে এসেছে।
7/7

Published on Jul 3, 2025 6:53 AM
E-Paper

