...
...
Next Story

দোকানের ব্যবসা বাড়ছে না? এই শক্তিশালী রক্ষাকবচ ব্যবসার চাকা ঘোরাতে পারে, বলছে তন্ত্রমত

অনেক ব্যবসায়ীই কঠোর পরিশ্রম করেও ভাগ্যের সহায়তা পান না, তাদের জন্য আদুরে যন্ত্রম এক শক্তিশালী রক্ষাকবচ ও সমৃদ্ধির উৎস হতে পারে।

Published on: Feb 10, 2026 11:18 AM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ভারতীয় তন্ত্রশাস্ত্র ও জ্যোতিষশাস্ত্রের এক অতি প্রাচীন ও গোপনীয় প্রতিকার হলো 'আদুরে যন্ত্রম'। বিশেষ করে ব্যবসায়িক উন্নতি এবং দোকানে গ্রাহকের সমাগম বৃদ্ধিতে এই যন্ত্রের প্রভাব অলৌকিক বলে মনে করা হয়। অনেক ব্যবসায়ীই কঠোর পরিশ্রম করেও ভাগ্যের সহায়তা পান না, তাদের জন্য আদুরে যন্ত্রম এক শক্তিশালী রক্ষাকবচ ও সমৃদ্ধির উৎস হতে পারে।

দোকানের ব্যবসা বাড়ছে না? এই শক্তিশালী রক্ষাকবচ ব্যবসার চাকা ঘোরাতে পারে
দোকানের ব্যবসা বাড়ছে না? এই শক্তিশালী রক্ষাকবচ ব্যবসার চাকা ঘোরাতে পারে

আদুরে যন্ত্রম কী এবং এটি কীভাবে আপনার ব্যবসার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে, তা জেনে নিন।

আদুরে যন্ত্রম আসলে কী?

'আদুরে যন্ত্রম' হলো একটি বিশেষ তান্ত্রিক রেখাচিত্র বা সংখ্যাতত্ত্বের বিন্যাস, যা সাধারণত ভোজপত্র, তামা বা রূপোর পাতের ওপর অঙ্কন করা হয়। 'আদুরে' শব্দটি মূলত আকর্ষণ বা আকর্ষণী শক্তির সাথে যুক্ত। এই যন্ত্রটি নির্দিষ্ট কিছু বৈদিক মন্ত্র এবং তান্ত্রিক বিধি দ্বারা 'প্রাণ প্রতিষ্ঠা' করা হয়। এটি মূলত মা লক্ষ্মী এবং গণেশজির আশীর্বাদপুষ্ট একটি আধ্যাত্মিক চুম্বক, যা ইতিবাচক শক্তিকে আকর্ষণ করতে সক্ষম।

দোকানের বিক্রি ও ব্যবসা বাড়াতে এটি কেন কাজে লাগে?

ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে আদুরে যন্ত্রমের ব্যবহার বহুমুখী:

১. গ্রাহক আকর্ষণ: এই যন্ত্রের প্রধান কাজ হলো সম্মোহনী শক্তি তৈরি করা। এটি দোকানের প্রবেশদ্বারে বা ক্যাশ বাক্সে থাকলে গ্রাহকরা আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং বারবার ফিরে আসেন।

৩. আর্থিক প্রবাহ বৃদ্ধি: এই যন্ত্রটি বাস্তু দোষ দূর করে দোকানে অর্থের আগমন ত্বরান্বিত করে। যারা ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছেন, তাদের জন্য এটি নতুন আয়ের উৎস তৈরি করতে সাহায্য করে।

ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্র ও তন্ত্রশাস্ত্রের দৃষ্টিভঙ্গি

তন্ত্রশাস্ত্রে আদুরে যন্ত্রমকে 'আকর্ষণ যন্ত্রম'-এর একটি বিশেষ শাখা হিসেবে দেখা হয়। তন্ত্র মতে, জগতের প্রতিটি বস্তুই শক্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই যন্ত্রটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পন তৈরি করে যা ধনের দেবী মহালক্ষ্মীকে সন্তুষ্ট করে।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী:

  • বুধ ও শুক্রের প্রভাব: ব্যবসা ও বাণিজ্যের কারক গ্রহ হলো বুধ এবং শুক্র। আদুরে যন্ত্রম এই দুই গ্রহের অশুভ প্রভাব কাটিয়ে তাদের অনুকূলে নিয়ে আসে।
  • শুভ মুহূর্তের গুরুত্ব: জ্যোতিষীরা পরামর্শ দেন যে, রবি-পুষ্য যোগ, অক্ষয় তৃতীয়া বা দীপাবলির মতো শুভ মুহূর্তে এই যন্ত্র স্থাপন করলে এর কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
  • প্রতিষ্ঠা বিধি: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, যথাযথ পূজা ও হোম ছাড়া এই যন্ত্র কেবল একটি ধাতব পাত মাত্র। সঠিক গুরু বা পণ্ডিতের দ্বারা এটি শোধন ও জাগ্রত করা অপরিহার্য।

আদুরে যন্ত্রম স্থাপনের নিয়ম

  • স্থান: দোকানের উত্তর বা পূর্ব দিকের দেওয়ালে অথবা ক্যাশ বাক্সের ভেতরে যেখানে প্রতিদিন ধূপ দেখানো হয়, সেখানে এটি স্থাপন করতে হবে।
  • শুদ্ধি: প্রতিদিন সকালে দোকান খোলার পর যন্ত্রটিকে প্রণাম করে ধূপ-দীপ দেখাতে হবে।
  • গোপনীয়তা: তন্ত্রমতে, এই ধরণের যন্ত্র যত গোপন রাখা যায়, তার শক্তি তত বৃদ্ধি পায়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe