...
...
Next Story

Ambubachi 2026 Tithi: অম্বুবাচী ২০২৬র তিথি কবে পড়ছে? কতদিন থাকবে,বলছে পঞ্জিকা! রয়েছে কোন মান্যতা!

‘অম্বু’ শব্দের অর্থ হল জল, আর ‘বাচী’ শব্দের অর্থ হল বৃদ্ধি, অর্থাৎ অম্বুবাচী শব্দের অর্থ জলবৃদ্ধি। মনে করা হয় এই সময় ধরিত্রী মা ঋতুমতী হন।

Published on: Jun 21, 2026 03:04 PM IST
Advertisement

অম্বুবাচী ২০২৬ তিথি রয়েছে জুন মাসেই। চলতি মাসের ২২ জুন তারিখে পড়ছে এই তিথি। এই বিশেষ তিথি উপলক্ষ্যে অসমের কামাখ্যা মন্দিরে বিশেষ পুজো ও মেলার আয়োজন হয়। প্রসঙ্গত, এই সময় ধরে অসমের কামাখ্যা মন্দির ঘিরে বহু সাধু, সন্ন্যাসীর সমাগম হয়।

অম্বুবাচী ২০২৬র তিথি কবে শুরু? কতদিন থাকবে! সূর্যকে ঘিরে কোন মান্যতা রয়েছে! (ANI Photo) (Hafiz Ahmed)
অম্বুবাচী ২০২৬র তিথি কবে শুরু? কতদিন থাকবে! সূর্যকে ঘিরে কোন মান্যতা রয়েছে! (ANI Photo) (Hafiz Ahmed)

মান্যতা রয়েছে যে, সূর্যদেব রাশিচক্র আর্দ্রা নক্ষত্রে প্রবেশ করলে বর্ষা শুরু হয়। আর বর্ষার মাস আষাঢ় মাসে এই অম্বুবাচী তিথি প্রবৃত্তি বা শুরু হয়। লোকবিশ্বাস মেনে ধরলে ,আষাঢ় মাসের ৭ তারিখে মৃগশিরা নক্ষত্রের তিনটি পদ শেষ হলে ধরিত্রী রজঃস্বলা হন। এই সময়টিতে অম্বুবাচী পালন করা হয়। উল্লেখ্য, ‘অম্বু’ শব্দের অর্থ হল জল, আর ‘বাচী’ শব্দের অর্থ হল বৃদ্ধি, অর্থাৎ অম্বুবাচী শব্দের অর্থ জলবৃদ্ধি। মনে করা হয় এই সময় ধরিত্রী মা ঋতুমতী হন। মান্য়তা রয়েছে যে, এই সময় কোনও শুভ কাজ করা হয়না। এই সময় বিয়ে, উপনয়ন, অন্নপ্রাশন, গৃহপ্রবেশ, গৃহ আরম্ভ ইত্যাদি থেকে বিরত থাকার রীতি রয়েছে। এছাড়াও বিশ্বাস করা হয় যে, এই সময় যেহেতু ধরিত্রী মা ঋতুমতী হন, সেই জন্য এই সময় কৃষিকাজ বা হলকর্ষণও করা হয়না। তিনদিন ধরে চলে এই অম্বুবাচী পর্ব। তিনদিনের পর চতুর্থ দিন থেকে এই বিধি আর মানা হয়না।

গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকামতে, ৭ আষাঢ়, সোমবার ২২ জুন ২০২৬ রাত ৯টা ৮ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডে এই তিথি শুরু। ১১ আষাঢ়, শুক্রবার, ২৬ জুন শেষ। সেদিন, সময়-সকাল ৯টা ৩২ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে এই তিথি শেষ হবে।

অম্বুবাচী চলাকালীন অসমের কামাখ্যা মন্দিরে এক অনন্য প্রথা পালন করা হয়। শুভ মুহূর্ত শুরু হওয়ার সাথে সাথেই মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং নিয়মিত পূজা-অর্চনা স্থগিত রাখা হয়। এই সময়ে ভক্তরা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারেন না। কামাখ্যা মন্দির পুনরায় খুলে দেওয়াকে অত্যন্ত শুভ একটি উপলক্ষ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটি ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তীর্থযাত্রীদের আকৃষ্ট করে।

(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe