অম্বুবাচী ২০২৬ তিথি রয়েছে জুন মাসেই। চলতি মাসের ২২ জুন তারিখে পড়ছে এই তিথি। এই বিশেষ তিথি উপলক্ষ্যে অসমের কামাখ্যা মন্দিরে বিশেষ পুজো ও মেলার আয়োজন হয়। প্রসঙ্গত, এই সময় ধরে অসমের কামাখ্যা মন্দির ঘিরে বহু সাধু, সন্ন্যাসীর সমাগম হয়।

মান্যতা রয়েছে যে, সূর্যদেব রাশিচক্র আর্দ্রা নক্ষত্রে প্রবেশ করলে বর্ষা শুরু হয়। আর বর্ষার মাস আষাঢ় মাসে এই অম্বুবাচী তিথি প্রবৃত্তি বা শুরু হয়। লোকবিশ্বাস মেনে ধরলে ,আষাঢ় মাসের ৭ তারিখে মৃগশিরা নক্ষত্রের তিনটি পদ শেষ হলে ধরিত্রী রজঃস্বলা হন। এই সময়টিতে অম্বুবাচী পালন করা হয়। উল্লেখ্য, ‘অম্বু’ শব্দের অর্থ হল জল, আর ‘বাচী’ শব্দের অর্থ হল বৃদ্ধি, অর্থাৎ অম্বুবাচী শব্দের অর্থ জলবৃদ্ধি। মনে করা হয় এই সময় ধরিত্রী মা ঋতুমতী হন। মান্য়তা রয়েছে যে, এই সময় কোনও শুভ কাজ করা হয়না। এই সময় বিয়ে, উপনয়ন, অন্নপ্রাশন, গৃহপ্রবেশ, গৃহ আরম্ভ ইত্যাদি থেকে বিরত থাকার রীতি রয়েছে। এছাড়াও বিশ্বাস করা হয় যে, এই সময় যেহেতু ধরিত্রী মা ঋতুমতী হন, সেই জন্য এই সময় কৃষিকাজ বা হলকর্ষণও করা হয়না। তিনদিন ধরে চলে এই অম্বুবাচী পর্ব। তিনদিনের পর চতুর্থ দিন থেকে এই বিধি আর মানা হয়না।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকামতে, ৭ আষাঢ় সোমবার অর্থাৎ ২২ জুন, দুপুর ১২ টা ১৬ মিনিট থেকে পড়ছে অম্বুবাচী তিথি। ১০ আষাঢ়, অর্থাৎ ২৫ জুন, বৃহস্পতিবার, দুপুর ১২ টা ১৮ মিনিটে ছেড়ে যাবে এই তিথি।
{{/usCountry}}বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকামতে, ৭ আষাঢ় সোমবার অর্থাৎ ২২ জুন, দুপুর ১২ টা ১৬ মিনিট থেকে পড়ছে অম্বুবাচী তিথি। ১০ আষাঢ়, অর্থাৎ ২৫ জুন, বৃহস্পতিবার, দুপুর ১২ টা ১৮ মিনিটে ছেড়ে যাবে এই তিথি।
{{/usCountry}}গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকামতে, ৭ আষাঢ়, সোমবার ২২ জুন ২০২৬ রাত ৯টা ৮ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডে এই তিথি শুরু। ১১ আষাঢ়, শুক্রবার, ২৬ জুন শেষ। সেদিন, সময়-সকাল ৯টা ৩২ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে এই তিথি শেষ হবে।
অম্বুবাচী চলাকালীন অসমের কামাখ্যা মন্দিরে এক অনন্য প্রথা পালন করা হয়। শুভ মুহূর্ত শুরু হওয়ার সাথে সাথেই মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং নিয়মিত পূজা-অর্চনা স্থগিত রাখা হয়। এই সময়ে ভক্তরা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারেন না। কামাখ্যা মন্দির পুনরায় খুলে দেওয়াকে অত্যন্ত শুভ একটি উপলক্ষ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটি ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তীর্থযাত্রীদের আকৃষ্ট করে।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )