আষাঢ় অমাবস্যা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে হলহরিণী অমাবস্যা নামে পরিচিত। এই দিনে পূর্বপুরুষদের তর্পণ দেওয়া, স্নান করা এবং দান করার পরম্পরা হিন্দুধর্মে যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে। এবার আষাঢ় অমাবস্যার তারিখ নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

আষাঢ় অমাবস্যা ২০২৬ এর সঠিক তারিখ বৈদিক পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, আষাঢ় মাসের কৃষ্ণ অমাবস্যা তারিখটি ১৩ জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯ মিনিটে শুরু হবে এবং ১৪ জুলাই, ২০২৬ বিকেল ৩:১২ মিনিটে শেষ হবে। উদয় তিথির উপর ভিত্তি করে, আষাঢ় অমাবস্যা ১৪ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার উদযাপিত হবে।
কেন এটাকে হলহরিণী অমাবস্যা বলা হয়?
আষাঢ় অমাবস্যা হলহরিণী অমাবস্যা নামেও পরিচিত। এই দিনে কৃষকরা তাদের লাঙ্গল, ষাঁড় এবং কৃষিকাজের সমস্ত সরঞ্জামের পুজো করেন। তাঁরা ধরিত্রী মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভালো বৃষ্টি ও সমৃদ্ধ ফসলের জন্য প্রার্থনা করেন। বিশ্বাস করা হয় যে এই দিন থেকে বর্ষা পুরোপুরি সক্রিয় থাকে এবং ক্ষেতে লাঙ্গল এবং বীজ বপন শুরু হয়। সেজন্য এই তারিখটি কৃষকদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
অনেকেই এই দিনে পূর্বপুরুষদের খুশি করতে ভোরে স্নান করে তর্পণ করেন। বিশ্বাস করা হয়, গঙ্গা, যমুনা বা নিকটবর্তী পবিত্র নদীতে স্নান করলে বিশেষ ফল পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস। যাঁরা পিতৃ দোষে ভুগছেন তাদের জন্য এই দিনটি বিশেষভাবে উপকারী। কৃষকদের জন্য, এই তারিখটি চাষের সূচনা চিহ্নিত করে। সঠিক উপায়ে গৃহীত পদক্ষেপগুলি জীবনে শান্তি এবং সাফল্য নিয়ে আসে।
( এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। ডিসক্লেইমার: আমরা এই নিবন্ধে প্রদত্ত তথ্যের সম্পূর্ণ সত্য এবং সঠিক বলে দাবি করি না। আরও বিশদ এবং আরও তথ্যের জন্য, প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না।)
{{/usCountry}}( এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। ডিসক্লেইমার: আমরা এই নিবন্ধে প্রদত্ত তথ্যের সম্পূর্ণ সত্য এবং সঠিক বলে দাবি করি না। আরও বিশদ এবং আরও তথ্যের জন্য, প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না।)
{{/usCountry}}