...
...
Next Story

Ashadha Amavasya 2026 remedies: আষাঢ়ী অমাবস্যায় রাশি মেনে করুন এই বিশেষ দান! দূর হবে জীবনের সব বাধা

Donate according to zodiac sign amavasya: বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই পবিত্র দিনে যদি কোনো ব্যক্তি নিজের রাশি মেনে নির্দিষ্ট কিছু বস্তু দান করেন, তবে তাঁর জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও মানসিক শান্তি বৃদ্ধি পায় এবং পিতৃপুরুষদের আশীর্বাদ লাভ হয়।

Published on: Jul 13, 2026, 20:09:10 IST
Advertisement

Pitru dosha niwarani amavasya 2026: হিন্দু সনাতন ধর্মে অমাবস্যা তিথির এক বিশেষ আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। এর মধ্যে আষাঢ় মাসের অমাবস্যা বা ‘আষাঢ়ী অমাবস্যা’ (Ashadha Amavasya) অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। এই তিথিতে স্নান, ধ্যান এবং বিশেষ করে দান-ধ্যান করার মাধ্যমে মানুষের জীবনের অনেক বড় বড় দোষ ও বাধা কেটে যায় বলে মনে করা হয়।

আষাঢ়ী অমাবস্যায় রাশি মেনে করুন এই বিশেষ দান! দূর হবে জীবনের সব বাধা
আষাঢ়ী অমাবস্যায় রাশি মেনে করুন এই বিশেষ দান! দূর হবে জীবনের সব বাধা

এবারের আষাঢ়ী অমাবস্যার দিনটি মানুষের জন্য এক দারুণ আধ্যাত্মিক সুযোগ নিয়ে এসেছে। বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই পবিত্র দিনে যদি কোনো ব্যক্তি নিজের রাশি মেনে নির্দিষ্ট কিছু বস্তু দান করেন, তবে তাঁর জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও মানসিক শান্তি বৃদ্ধি পায় এবং পিতৃপুরুষদের আশীর্বাদ লাভ হয়। আষাঢ় অমাবস্যা কবে, এর মাহাত্ম্য কী এবং নিজের রাশি অনুযায়ী কী দান করলে ভাগ্য ফিরবে—তা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো।

সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে, অমাবস্যার দিনে করা দান সরাসরি আমাদের পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে পৌঁছায়। আষাঢ় মাসের অমাবস্যায় আবহাওয়া ও ঋতু পরিবর্তনের এক বিশেষ সন্ধিক্ষণ থাকে, তাই এই সময়ে দানের গুরুত্ব দ্বিগুণ হয়ে যায়।

আষাঢ় অমাবস্যার ধর্মীয় ও জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় মাহাত্ম্য

জ্যোতিষীদের মতে, কুণ্ডলীতে যদি পিতৃদোষ বা কালসর্প দোষের মতো কোনো অশুভ যোগ থাকে, তবে আষাঢ় অমাবস্যার দিনটি তা নিরাময়ের জন্য সেরা সময়। এই দিনে পবিত্র নদীতে স্নান করে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য নিবেদন করা এবং অভাবী মানুষকে অন্ন ও বস্ত্র দান করা অত্যন্ত শুভ। এর ফলে সংসারে থাকা দীর্ঘদিনের কলহ ও আর্থিক অনটন দূর হয়।

১২ রাশির জাতকদের জন্য বিশেষ দান নির্দেশিকা

রাশি অনুযায়ী দানের পাশাপাশি এই দিনে গরিব মানুষকে পেট পুরে খাওয়ানো এবং পশুপাখিদের (বিশেষ করে কালো কুকুর ও কাক) অন্ন দেওয়া উচিত। অমাবস্যার রাতে বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে এবং তুলসী তলায় ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালানো নেতিবাচক শক্তিকে ঘর থেকে দূরে রাখে।

আষাঢ়ী অমাবস্যার এই পবিত্র তিথি আমাদের জীবনে আধ্যাত্মিক শুদ্ধি এবং অন্যের পাশে দাঁড়ানোর এক দারুণ সুযোগ করে দেয়। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এবং রাশি মেনে এই ছোট ছোট দান বা পুণ্য কাজ আপনার জীবনে পজিটিভ এনার্জি বা ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসতে পারে। মনের ভক্তি ও শ্রদ্ধাই হলো যেকোনো পূজার মূল ভিত্তি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe