মধ্যপ্রাচ্যের তুমুল সংঘাতের আবহে গ্যাস থেকে শুরু করে অটো ভাড়াতেও ট্যাকের কড়ি বেশি খরচ করতে হচ্ছে। রেস্তোরাঁ সহ বিভিন্ন ব্যবসায় এই যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। যুদ্ধের জেরে ক্রমেই বাড়ছে মৃত্যুমিছিল, আহতের সংখ্যা। বিভিন্ন জায়গায় কঠিন পরিস্থিতিতে আটকে বহু মানুষ। কেউবা যুদ্ধে কার্যত সর্বহারা! এমন অবস্থায় দিকে দিকে ত্রাহি-ত্রাহি রব! ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল, আমেরিকার যুদ্ধের আবহে শঙ্কা, উদ্বেগের মেঘ সব মহলে! আর যুদ্ধের এই হানাহানি, সংঘাতের পরিস্থিতির মাঝে এবার আসছেন দেবী! আসছে বাসন্তী পুজো। বাংলার বহু বাড়িতেই দেবীর আরাধনা প্রচলিত। দেখে নেওয়া যাক, ২০২৬ সালের বাসন্তী পুজো কবে?

বাসন্তী পুজো ২০২৬ঃ-
চলতি বছরে বাসন্তী পুজো মহাষষ্ঠী পড়েছে ২৪ মার্চ মঙ্গলবার। মহাষষ্ঠীর এই তিথি শুরু হচ্ছে, ২৩ মার্চ রাত ৯ টা ৩৭ মিনিট থেকে। এই তিথি থাকবে ২৪ মার্চ পর্যন্ত। ২৪ মার্চ মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ৭ টা ১৩ মিনিটে তিথি ছেড়ে যাবে। মহাসপ্তমী ২৫ মার্চ ২০২৬ এ পড়ছে। ২৬ মার্চ পড়েছে মহাষ্টমী তিথি। সেদিন হবে সন্ধিপুজো। এর সময়কাল ২৬ মার্চ দুপুর ২ টো ০৬ মিনিট থেকে শুরু। সময়কাল শেষ হবে দুপুর ২ টো ৫৪ মিনিটে। মহানবমী ২৭ মার্চ। দশমী পড়ছে ২৮ মার্চ ২০২৬ সালে।
প্রসঙ্গত, সামনেই শুরু হতে চলেছে চৈত্র নবরাত্রি। চৈত্র নবরাত্রিতে ৯ দিন ধরে চলে দেবীর আরাধনা। ১৯ মার্চ থেকে এই চৈত্র নবরাত্রির তিথি শুরু হবে। সেদিন সকাল ৬ টা ৫২ মিনিট থেকে পড়ছে তিথি। ১৯ মার্চই চৈত্র নবরাত্রির প্রথম দিন।
চৈত্র নবরাত্রিকে দেবী শক্তির আরাধনার একটি বিশেষ উৎসব হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই নয় দিনে মা দুর্গার নয়টি রূপ শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘন্টা, কুষ্মান্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী এবং সিদ্ধিদাত্রীর পুজো করা হয়। এটি বিশ্বাস করা হয় যে নবরাত্রির সময় উপবাস, মন্ত্র জপ করা এবং দেবীর উপাসনা জীবনের নেতিবাচক শক্তি দূর করে এবং বাড়িতে সুখ এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। জ্যোতিষশাস্ত্রের হিসাব অনুযায়ী, এই বছর চৈত্র নবরাত্রি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শুভ যোগের মাধ্যমে শুরু হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে শুক্লা যোগ, ব্রহ্ম যোগ এবং সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ। জ্যোতিষশাস্ত্রে, এই যোগগুলি খুব শুভ বলে মনে করা হয়।
{{/usCountry}}চৈত্র নবরাত্রিকে দেবী শক্তির আরাধনার একটি বিশেষ উৎসব হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই নয় দিনে মা দুর্গার নয়টি রূপ শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘন্টা, কুষ্মান্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী এবং সিদ্ধিদাত্রীর পুজো করা হয়। এটি বিশ্বাস করা হয় যে নবরাত্রির সময় উপবাস, মন্ত্র জপ করা এবং দেবীর উপাসনা জীবনের নেতিবাচক শক্তি দূর করে এবং বাড়িতে সুখ এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। জ্যোতিষশাস্ত্রের হিসাব অনুযায়ী, এই বছর চৈত্র নবরাত্রি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শুভ যোগের মাধ্যমে শুরু হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে শুক্লা যোগ, ব্রহ্ম যোগ এবং সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ। জ্যোতিষশাস্ত্রে, এই যোগগুলি খুব শুভ বলে মনে করা হয়।
{{/usCountry}}(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )