...
...
Next Story

Rudraksha Benefits : জেনে নিন কোন রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে রুদ্রলোক প্রাপ্তি হয়, কি এর মাহাত্ম্য

Rudraksha Benefits : কোন রুদ্রাক্ষ কে সর্বশ্রেষ্ঠ রুদ্রাক্ষ বলা হয়ে থাকে? এই রুদ্রাক্ষ ধারণে কি ফল লাভ হয়? জেনে নেওয়া যাক এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ মনোজিৎ দে সরকারের মতামত।

Published on: Feb 05, 2026 12:32 PM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

প্রত্যেক রুদ্রাক্ষ নিজের নিজের ঘাড়ী দ্বারা চিহ্নিত হয়ে থাকে এবং তারা ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব সৃষ্টি করে। বিধি পূর্বক শুদ্ধ করে ধারণ করার রুদ্রাক্ষ দৈহিক, দৈবিক, ভৌতিক সমস্ত প্রকার ক্লেশ নিবারণ করে থাকে। এর ক্ষমতা রত্নের থেকেও অধিক হয়ে থাকে বলে মনে করা হয়। রুদ্রাক্ষ বিকিরণ প্রভাব এবং স্পর্শ শক্তি দ্বারা অদ্ভুৎ চমৎকার ফল লাভ হয়।

জেনে নিন কোন রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে রুদ্রলোক প্রাপ্তি হয়, কি এর মাহাত্ম্য
জেনে নিন কোন রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে রুদ্রলোক প্রাপ্তি হয়, কি এর মাহাত্ম্য

যে রুদ্রাক্ষের প্রাকৃতিকভাবে ছয়টি ঘাড়ি থাকে তাকে ছয় মুখী রুদ্রাক্ষ বলা হয়। এই রুদ্রাক্ষের মধ্যেই নিহিত থাকে দেবাদিদেব মহাদেবের আশীর্বাদ। এমনটাই উল্লেখ আছে মার্কণ্ডেয় পুরাণে। ছয় মুখী রুদ্রাক্ষের মধ্যে রয়েছে বিশেষ কিছু গুণ, যা সকল রুদ্রাক্ষে থাকে না। কথিত আছে ভগবান শিবের তৃতীয় চক্ষু থেকে যে উপাদান জন্ম নিয়েছে, তা হল এই রুদ্রাক্ষ। হিন্দুশাস্ত্র মতে রুদ্রাক্ষের অর্থই হল দেবাদিদেব মহাদেব। এই কারনেই রুদ্রাক্ষের মধ্যে নিহিত থাকে বহু প্রকার শক্তি। এবার আলোচনা করা যাক ছয়মুখী রুদ্রাক্ষের গুণাগুন। ।

এই রুদ্রাক্ষ বিদ্যাবুদ্ধি জ্ঞান বৃদ্ধির সহায়ক, এবং এই রুদ্রাক্ষের কারণে মেধা শক্তির অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বিদ্যার্থীরা এই রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে তাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং চাকরির জন্য এই রুদ্রাক্ষ খুবই ফলদায়ক। গুপ্ত শত্রুতা থেকে সৃষ্ট দাম্পত্য বিবাদের সমাধান হতে পারে। এই রুদ্রাক্ষের মাধ্যমে চিকিৎসা জনিত ব্যবসায় ফল ভাল হতে পারে, তাছাড়া ঈশ্বরচিন্তায় মনোনিবেশ করতে ইচ্ছা ও, আধ্যাত্মিক শক্তির বিকাশ ঘটবে। এমনকী এই রুদ্রাক্ষধারণকারী ব্যক্তিকে যিনি কিছু দান করেন তার রুদ্রলোক প্রাপ্তি হয়। এই রুদ্রাক্ষ সব সময় গলায় বা ডানহাতে ধারণ করা উচিৎ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe