হাতের কোন আঙুলে আংটি পরা শুভ? কোন আঙুলেই বা পড়বেন না সোনার আংটি? রইল জ্যোতিষ টিপস
সোনা বা রুপোর আংটি পড়তে কে না ভালোবাসে! কিন্তু দিনের পর দিন যেভাবে সোনার দাম আকাশ ছোঁয়া হচ্ছে তাতে আগামী দিনে সোনার আংটি পড়াও বিলাসবহুলতার মধ্যে পড়বে।
সোনা বা রুপোর আংটি পড়তে কে না ভালোবাসে! কিন্তু দিনের পর দিন যেভাবে সোনার দাম আকাশ ছোঁয়া হচ্ছে তাতে আগামী দিনে সোনার আংটি পড়াও বিলাসবহুলতার মধ্যে পড়বে।

কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও শখ তো কারোর কথা শোনে না। তাই সোনার আংটি তা সে যতই ছোটই হোক না কেন, প্রত্যেক বাবা-মাই চান নিজের ছেলে মেয়েকে দিতে। এই বিয়ের মরশুমে আপনিও যদি সোনার আংটি আপনার সন্তানকে বানিয়ে দেন তাহলে জেনে নিন আপনার সন্তানের কোন আঙুলে সেটি পরাবেন আপনি।
আরও পড়ুন: আপনার ভালবাসার মানুষটি কতটা বিশ্বস্ত? বলে দিতে পারে জন্ম সংখ্যা, দেখে নিন
বাজারে অনেক রকম সোনার আংটি পাওয়া যায়, অনেক ডিজাইন এবং অনেক ভারী বা হালকা সোনার আংটি পাওয়া যায়। কিন্তু সব আমলের সমস্ত সোনার আংটি পরতে নেই। এই ভুল যদি আপনি করেন তাহলে আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে দুর্দশা। তাই দেখে নিন কোন আঙুলে সোনার আংটি পরা শুভ।
তর্জনী: শাস্ত্র মতে তর্জনীর সঙ্গে যেহেতু বৃহস্পতির যোগ রয়েছে তাই তর্জনীতে সোনার আংটি পরা সব থেকে ভালো বলে মনে করা হয়। এই আঙুলে সোনার আংটি পরলে যেমন বৃহস্পতি সন্তুষ্ট হন তেমন মা লক্ষ্মীও প্রসন্ন হন।
কনিষ্ঠা: কনিষ্ঠার সঙ্গে যেহেতু বুধের যোগ রয়েছে তাই এই আঙুলটিও সোনার আংটি পরার জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এই আমলে আংটি পরলে সমৃদ্ধি এবং সম্পদ বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়।
আরও পড়ুন: সকাল সন্ধ্যা বাড়িতে জ্বালান একটি বিশেষ প্রদীপ, সৌভাগ্য ধরা দেবে নিমেষে
মধ্যমা: মধ্যমা যেহেতু শনিদেবের আঙুল বলে মনে করা হয় তাই এই আমলে সোনার আংটি পরা একেবারেই শুভ নয়। এতে আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে অশুভ সময়। তাই মধ্যমাকে অবশ্যই বাদ দিয়ে রাখবেন আংটি পড়ার ক্ষেত্রে।
বৃদ্ধাঙ্গুল: বৃদ্ধাঙ্গুল যেহেতু রূপো পরার আঙুল তাই এই আঙুলে সোনা না পরিধান করাই ভালো।
অনামিকা: অনামিকা সোনা পরা যেতে পারে, কারণ এই আঙুলটি সূর্যের সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়। এই আমলে হলুদ ধাতু পরিধান করলে জীবনে ভালো সময় আসে বলে মনে করা হয়।
E-Paper

