বাঙালির ঘরে ঘরে রয়েছে বিপত্তারিণী পুজোর রীতি। সাধারণত পরিবারের মঙ্গল কামনায় ও পরিবার থেকে বিপদ দূর করতে এই পুজো করা হয়।মূলত, বাড়ির মহিলারা এই পুজো করে থাকেন বিশেষ ব্রত পালন করে। তবে অত্যন্ত নিষ্ঠাভরে এই ব্রত পালিত হয়। শুধু যে ব্রতপালন তা নয়। সঙ্গে এই শুভ দিনে বেশ কিছু এমন কাজ রয়েছে, যা করাটা এই দিনে একেবারে শুভ বলে মনে করা হয়না। দেখে নিন বিপত্তারিণী ব্রতর দিন কী কী করা অশুভ, কোন জিনিসটি এদিন কাউকে দান করা, শুভ বলে মনে করা হয়না।

এই পুজোর দিনে কী কী করণীয় নয়-
এই বিশেষ পুজোর দিনে কাউকে চিনি দান করা শুভ নয় বলে মনে করা হয়। ভুলেও এই দিনে কাউকে চিনি দান করা থেকে বিরত থাকার কথা বলছেন শাস্ত্রজ্ঞরা।
পরিবারের বাইরে কাউকে বা অচেনা, অজানা কাউকে এই দিনে টাকা ঋণ দেওয়া থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হচ্ছে।
এই ব্রত পালনের দিন চাল বা গমের কোনও জিনিস খাওয়ার থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে।
১৩ সংখ্যা ও ব্রত-
বিপত্তারিণী পুজোর দিন উপবাস রেখে ব্রত পালন করতে হয়। ব্রতর আগের দিন নিরামিষ খাওয়ার রীতি রয়েছে।
পুজোর অঞ্জলি দেওয়ার পর ১৩ খানা লুচি এবং ১৩ রকমের ফল খাওয়ার চল রয়েছে। এরপর কারোর সঙ্গে কথা না বলার রীতি রয়েছে।
মৌন ব্রত রেখে এই ব্রত পালন ও খাওয়ার সময় কারোর সঙ্গে কথা না বলার রীতি রয়েছে প্রচলিত।
প্রসঙ্গত, এই পুজোয় ১৩টি গিট বাঁধা লাল রঙের সুতো, ১৩ রকমের ফুল, ১৩ রকমের ফল, ১৩ টি দূর্বা, ১৩টি সুপুরি এবং পান লাগে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠার জন্য ঘট, আম্রপল্লব ও শীষডাব প্রয়োজন হয়।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, এই পুজোয় ১৩টি গিট বাঁধা লাল রঙের সুতো, ১৩ রকমের ফুল, ১৩ রকমের ফল, ১৩ টি দূর্বা, ১৩টি সুপুরি এবং পান লাগে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠার জন্য ঘট, আম্রপল্লব ও শীষডাব প্রয়োজন হয়।
{{/usCountry}}(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )