...
...
Next Story

নবরাত্রি সময় কোন কোন খাবার খাওয়া যায় ও কোন কোন খাবার খাওয়া যায় না জানেন? দেখে নিন

বৈদিক পঞ্জিকা অনুসারে, এই বছর চৈত্র নবরাত্রি উৎসব ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ শুরু হবে এবং ২৭ মার্চ রাম নবমীর দিনে শেষ হবে। উপবাসের সময়, উপবাসকারী ব্যক্তিদের বিশেষ বিশেষ কিছু খাবার খেতে নেই। জেনে নেওয়া যাক চৈত্র নবরাত্রির উপবাসের সময় কী খাওয়া যাবে এবং কী যাবে না।

Published on: Mar 24, 2026 11:29 AM IST
Advertisement

বৈদিক পঞ্জিকা অনুসারে, এই বছর চৈত্র নবরাত্রি উৎসব ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ শুরু হবে এবং ২৭ মার্চ রাম নবমীর দিনে শেষ হবে। চৈত্র নবরাত্রি হিন্দুধর্মের একটি অত্যন্ত পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ উৎসব, যা দেবী দুর্গার আরাধনার জন্য উৎসর্গীকৃত। এই সময়ে ভক্তরা নয় দিন ধরে উপবাস পালন করেন এবং দেবীর বিভিন্ন রূপের আরাধনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, এই দিনগুলিতে দেবীর আরাধনা করলে জীবন থেকে নেতিবাচকতা, ভয় এবং দুঃখ দূর হয়।

নবরাত্রি সময় কোন কোন খাবার খাওয়া যায় ও কোন কোন খাবার খাওয়া যায় না জানেন? দেখে নিন
নবরাত্রি সময় কোন কোন খাবার খাওয়া যায় ও কোন কোন খাবার খাওয়া যায় না জানেন? দেখে নিন

এছাড়াও, দেবীর কাছ থেকে বিশেষ আশীর্বাদ লাভ করা যায়। তবে, এর পূর্ণ সুফল পেতে উপবাসের সময় কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। উপবাসের সময়, উপবাসকারী ব্যক্তিদের বিশেষ বিশেষ কিছু খাবার খেতে নেই। জেনে নেওয়া যাক চৈত্র নবরাত্রির উপবাসের সময় কী খাওয়া যাবে এবং কী যাবে না।

যাঁরা চৈত্র নবরাত্রির উপবাস পালন করেন, তাঁদের ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে স্নান করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বস্ত্র পরিধান করা উচিত। বাড়ির পুজোর জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং দেবী দুর্গার মূর্তি বা ছবির সামনে প্রদীপ ও ধূপ জ্বালাতে হবে। মিথ্যা বলা, রাগ করা, নেতিবাচক চিন্তা থেকে এই সময় নিজেকে বিরত রাখা উচিত। এই দিনগুলিতে রসুন, পেঁয়াজ, আমিষ খাবার এবং মদ্যপান কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অনেকে পুরো নয় দিন উপবাস করেন, আবার অনেকে ফল খান বা দিনে কেবল একবার আহার করেন।

নবরাত্রির উপবাসের সময় কী কী খাওয়া যেতে পারে?

নবরাত্রির উপবাসকালে সাধারণ নুন, গম, সাদা ভাত, ডাল এবং বেসন খাওয়া যায় না। রসুন ও পেঁয়াজ, মাংস এবং নেশাজাতীয় দ্রব্যও এড়িয়ে চলা উচিত। বাইরের জাঙ্ক ফুড বা অতিরিক্ত মশলাদার খাবারও নিষিদ্ধ বলে মনে করা হয়।

চৈত্র নবরাত্রি উপবাসের তাৎপর্য

এই উৎসবটি দেবী দুর্গার নয়টি রূপের আরাধনার সময়, যেখানে ভক্তরা দেবীর আশীর্বাদ লাভের আশায় ভক্তি ও বিশ্বাসের সঙ্গে উপবাস পালন করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, যে ভক্তরা সম্পূর্ণ শৃঙ্খলা ও ভক্তির সঙ্গে এই উপবাস পালন করেন, তাঁরা দেবী দুর্গার বিশেষ আশীর্বাদ লাভ করেন এবং তাঁদের জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হতে পারে। ধর্মীয়ভাবে, চৈত্র নবরাত্রি নতুন বছরের (হিন্দু নববর্ষ) সূচনাও করে, তাই এই সময়ে করা মন্ত্রোচ্চারণ, তপস্যা এবং পুজো বিশেষ ভাবে ফলপ্রসূ হয়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe