দোল উৎসবে ২০২৬ সালে রয়েছে চন্দ্রগ্রহণের ছায়া। আর এই গ্রহণ এবার বারত থেকে দেখা যাবে। শুধু তাই নয়। কলকাতার আকাশ থেকেও এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। ফলত, জ্যোতিষমতে ৩ মার্চ ২০২৬র চন্দ্রগ্রহণের সুতককাল ধার্য থাকছে বলে জানা গিয়েছে। স্বভাবতই কখন থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা। দেখে নেওয়া যাক, চন্দ্রগ্রহণ কখন থেকে শুরু হবে।

৩ মার্চের গ্রহণ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। তা ভারতবর্ষে আংশিক দৃশ্যমান হবে। তথ্য বলছে, ভারতে এই গ্রহণ বিকেল ৩ টে ২০ মিনিটে শুরু হবে। গ্রহণের মধ্যকাল বিকেল ৫ টা নাগাদ। গ্রহণের সমাপ্তকাল বিকেল ৬ টা ৪৫ মিনিট।
গ্রহণের সময় উজ্জ্বল সাদা চাঁদ খানিকটা লাল বর্ণ ধারণ করে। অনেকেই একে ‘ব্লাড মুন’ বলে থাকেন। তাও দেখা যাবে আকাশে।
৩ মার্চ সন্ধ্যায় কলকাতার আকাশ থেকেও দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। কলকাতায় সন্ধ্যা৫ ট ৩৯ মিনিটে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। নয়া দিল্লিতে সন্ধ্যা ৬.২৬ মিনিটে, লখনউতে সন্ধ্যা ৬.১৮ মিনিটে,ভুবনেশ্বরে সন্ধ্যা ৬ টা ০৫ মিনিটে, পাটনায় সন্ধ্যা ৬. ১২ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ। জয়পুরে দেখা যাবে সন্ধ্যা ৬ টা ২৮ মিনিটে, ভোপালে সন্ধ্যা ৬ টা ২৪ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ। মুম্বইতে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে, আমেদাবাদে ৬.৩৫ মিনিটে, পুনেতে ৬.৩২ মিনিটে এই গ্রহণ দেখা যাবে।
বলা হচ্ছে, উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলি থেকে খুব ভালোভাবে দেখা যাবে এই গ্রহণ। গুয়াহাটিতে বিকেল ৫ টা ৪৫ মিনিট, ডিব্রুগড়ে বিকেল ৫ টা ৪০ মিনিট, ইটানগরে বিকেল ৫ টা ৩৫ মিনিট, শিলংয়ে ৫ টা ৪০ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ।
{{/usCountry}}বলা হচ্ছে, উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলি থেকে খুব ভালোভাবে দেখা যাবে এই গ্রহণ। গুয়াহাটিতে বিকেল ৫ টা ৪৫ মিনিট, ডিব্রুগড়ে বিকেল ৫ টা ৪০ মিনিট, ইটানগরে বিকেল ৫ টা ৩৫ মিনিট, শিলংয়ে ৫ টা ৪০ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ।
{{/usCountry}}এই গ্রহণ যেহেতু ভারতে দেখা যাবে, তাই এর সুতক কাল ধার্য রয়েছে। শাস্ত্র অনুসারে, সুতকগুলিতে কোনও শুভ কাজ করা যাবে না। এই গ্রহণের পর দান, গঙ্গাস্নান অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হবে। ফলত, গ্রহণ মিটলে দান ও গঙ্গাস্নান করার রীতি পালিত হয়ে থাকে। গ্রহণের সময় সমস্ত মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকার নিয়ম রয়েছে। অন্যদিকে, এই গ্রহণের সময় মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রপাঠও করার রীতি রয়েছে।