...
...
Next Story

Chandra Grahan and Rakhi Purnima Yog: চন্দ্রগ্রহণ ও রাখীপূর্ণিমায় বিশেষ যোগ প্রায় ৭০ বছর পরে! কখন রাখি পরানো যাবে না?

Chandra Grahan and Rakhi Purnima Yog: ২০২৬ সালের ২৮ অগস্ট রাখি পূর্ণিমায় ঘটতে চলেছে ৭০ বছর পর বিরল ঘটনা। একই দিনে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ ও 'ব্লাড মুন'। ভারতে কি পড়বে এর প্রভাব? জানুন গ্রহণের সময়সূচি ও জ্যোতিষীয় গুরুত্ব।

Published on: Aug 21, 2026, 17:19:58 IST
Advertisement

Chandra Grahan and Rakhi Purnima Yog: মহাজাগতিক ও ধর্মীয় দিক থেকে আগামী ২৮ অগস্ট দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সেদিন একদিকে যেমন ভাদ্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হবে রাখীবন্ধন, অন্যদিকে আকাশে দেখা যাবে রক্তিম আভায় ঘেরা বিরল এক চন্দ্রগ্রহণ। জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গণনা অনুযায়ী, রাখীবন্ধন এবং চন্দ্রগ্রহণের এমন বিরল ও আশ্চর্যজনক কাকতালীয় সংযোগ প্রায় ৭০ বছর পরে হতে চলেছে। ফলে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ এবং জ্যোতিষপ্রেমীদের মধ্যে এই বিশেষ দিনটি নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও উদ্দীপনা।

রাখীবন্ধন উৎসব কখন পালন করা যাবে?

২০২৬ সালের ২৮ অগস্ট রাখি পূর্ণিমায় ঘটতে চলেছে ৭০ বছর পর বিরল ঘটনা। (ছবিটি প্রতীকী, ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)
২০২৬ সালের ২৮ অগস্ট রাখি পূর্ণিমায় ঘটতে চলেছে ৭০ বছর পর বিরল ঘটনা। (ছবিটি প্রতীকী, ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)

সাধারণত গ্রহণের সময় সূতক কাল এবং ভদ্রার উপস্থিতির কারণে যে কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা মাঙ্গলিক কাজে নানা বিধিনিষেধ থাকে। কিন্তু ২০২৬ সালের এই চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রে সেরকম কোনও বিষয় প্রয়োজ্য হবে না বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষবিদরা। কারণ রাখীবন্ধন উৎসবে কোনও 'ভদ্রা' দোষ থাকবে না। জ্যোতিষীদের মতে, ভদ্রা না থাকার কারণে দিনভর রাখীবন্ধন উৎসব পালন করা যাবে।

সেইসঙ্গে সেদিন তৈরি হবে 'শতভিষা' নক্ষত্র এবং 'অতিগণ্ড' যোগের এক দুর্লভ জ্যোতিষীয় মিশ্রণ। আবার চন্দ্রদেব শনিদেবের প্রিয় রাশি কুম্ভে অবস্থান করবেন।পূর্ণিমার পরবর্তীতে গ্রহণের সময় মীন রাশিতে থাকবেন চন্দ্রদেব। আর সূর্যদেব অবস্থান করবেন কন্যা রাশিতে। জ্যোতিষশাস্ত্রে এই গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থানকে অত্যন্ত শক্তিশালী ও মহাজাগতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিরল বলে অভিহিত করা হয়েছে।

কোথায় কোথায় দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ?

কলকাতার পজিশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের তরফে জানানো হয়েছে, ২৮ অগস্ট যে চন্দ্রগ্রহণ হবে, তা ভারত থেকে পরিলক্ষিত হবে না। আন্টার্টিকা, আফ্রিকা, ইউরোপ, এশিয়া, ভারতীয় মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা থেকে চন্দ্রগ্রহণ পরিলক্ষিত হবে না। ইউক্রেন, তুরস্ক, সৌদি আরব, ইয়েমেন, মাদাগাস্কার, রাশিয়ার পশ্চিমাংশ, ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাংশ এবং আফ্রিকার পূর্ব দিকে চন্দ্রগ্রহণের শুরুর পর্যায় দেখা যাবে। আর শেষটুকু দেখতে পাবে আলাস্কা, নিউজিল্যান্ড এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল।

সূতক কাল প্রয়োজ্য হবে না ভারতে

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe