Chandra Grahan and Rakhi Purnima Yog: মহাজাগতিক ও ধর্মীয় দিক থেকে আগামী ২৮ অগস্ট দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সেদিন একদিকে যেমন ভাদ্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হবে রাখীবন্ধন, অন্যদিকে আকাশে দেখা যাবে রক্তিম আভায় ঘেরা বিরল এক চন্দ্রগ্রহণ। জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গণনা অনুযায়ী, রাখীবন্ধন এবং চন্দ্রগ্রহণের এমন বিরল ও আশ্চর্যজনক কাকতালীয় সংযোগ প্রায় ৭০ বছর পরে হতে চলেছে। ফলে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ এবং জ্যোতিষপ্রেমীদের মধ্যে এই বিশেষ দিনটি নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও উদ্দীপনা।
রাখীবন্ধন উৎসব কখন পালন করা যাবে?

সাধারণত গ্রহণের সময় সূতক কাল এবং ভদ্রার উপস্থিতির কারণে যে কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা মাঙ্গলিক কাজে নানা বিধিনিষেধ থাকে। কিন্তু ২০২৬ সালের এই চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রে সেরকম কোনও বিষয় প্রয়োজ্য হবে না বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষবিদরা। কারণ রাখীবন্ধন উৎসবে কোনও 'ভদ্রা' দোষ থাকবে না। জ্যোতিষীদের মতে, ভদ্রা না থাকার কারণে দিনভর রাখীবন্ধন উৎসব পালন করা যাবে।
সেইসঙ্গে সেদিন তৈরি হবে 'শতভিষা' নক্ষত্র এবং 'অতিগণ্ড' যোগের এক দুর্লভ জ্যোতিষীয় মিশ্রণ। আবার চন্দ্রদেব শনিদেবের প্রিয় রাশি কুম্ভে অবস্থান করবেন।পূর্ণিমার পরবর্তীতে গ্রহণের সময় মীন রাশিতে থাকবেন চন্দ্রদেব। আর সূর্যদেব অবস্থান করবেন কন্যা রাশিতে। জ্যোতিষশাস্ত্রে এই গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থানকে অত্যন্ত শক্তিশালী ও মহাজাগতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিরল বলে অভিহিত করা হয়েছে।
কোথায় কোথায় দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ?
কলকাতার পজিশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের তরফে জানানো হয়েছে, ২৮ অগস্ট যে চন্দ্রগ্রহণ হবে, তা ভারত থেকে পরিলক্ষিত হবে না। আন্টার্টিকা, আফ্রিকা, ইউরোপ, এশিয়া, ভারতীয় মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা থেকে চন্দ্রগ্রহণ পরিলক্ষিত হবে না। ইউক্রেন, তুরস্ক, সৌদি আরব, ইয়েমেন, মাদাগাস্কার, রাশিয়ার পশ্চিমাংশ, ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাংশ এবং আফ্রিকার পূর্ব দিকে চন্দ্রগ্রহণের শুরুর পর্যায় দেখা যাবে। আর শেষটুকু দেখতে পাবে আলাস্কা, নিউজিল্যান্ড এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল।
সূতক কাল প্রয়োজ্য হবে না ভারতে
বৈদিক সনাতন ধর্মের শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী, গ্রহণ যেখানে দৃশ্যমান হয় না, সেখানে গ্রহণের ‘সূতক কাল’ কার্যকর হয় না। সাধারণত পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের নয় ঘণ্টা আগে থেকে সূতক কাল শুরু হয় এবং এই সময়ে দেবালয়ের দ্বার বন্ধ রাখা, পুজো-বার্তা নিষিদ্ধ থাকা এবং কোনও শুভ কাজ না করার নিয়ম প্রচলিত রয়েছে। যেহেতু ২৮ অগস্টের চন্দ্রগ্রহণ ভারতে দেখা যাবে না, তাই কোনও সূতক কাল প্রযোজ্য হবে না। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, মন্দির দর্শন, রাখি পূর্ণিমার পূজো এবং রাখি পরানোর ক্ষেত্রে কোনো বাধা বা বিধি-নিষেধ মেনে চলার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন জ্যোতিষীরা।
{{/usCountry}}বৈদিক সনাতন ধর্মের শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী, গ্রহণ যেখানে দৃশ্যমান হয় না, সেখানে গ্রহণের ‘সূতক কাল’ কার্যকর হয় না। সাধারণত পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের নয় ঘণ্টা আগে থেকে সূতক কাল শুরু হয় এবং এই সময়ে দেবালয়ের দ্বার বন্ধ রাখা, পুজো-বার্তা নিষিদ্ধ থাকা এবং কোনও শুভ কাজ না করার নিয়ম প্রচলিত রয়েছে। যেহেতু ২৮ অগস্টের চন্দ্রগ্রহণ ভারতে দেখা যাবে না, তাই কোনও সূতক কাল প্রযোজ্য হবে না। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, মন্দির দর্শন, রাখি পূর্ণিমার পূজো এবং রাখি পরানোর ক্ষেত্রে কোনো বাধা বা বিধি-নিষেধ মেনে চলার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন জ্যোতিষীরা।
{{/usCountry}}