কার্তিক পূর্ণিমা তিথিটি দেব দীপাবলি নামেও পরিচিত। মনে করা হয় এই দিনে শিব ত্রিপুরাসুরকে বধ করার পর দেবতারা দীপাবলি উৎসব পালন করেছিলেন। এই দিনে কিছু বাস্তু টিপস মেনে চললে মা লক্ষ্মী তুষ্ট হন। তাঁর আশীর্বাদে পরিবারে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
দেব দীপাবলিতে করুন ৪ কাজ

১. প্রদীপ প্রজ্জ্বলন (দীপদান): দেব দীপাবলির সন্ধ্যায় বাড়ির কয়েকটি বিশেষ স্থানে প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এর প্রভাবে দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ পাওয়া যায় এবং আর্থিক সমস্যা দূর হয়। তুলসী গাছের পাশে, প্রবেশদ্বারে, ঠাকুরঘরে, পিপল গাছের নিচে নদীর ঘাট বা পুকুর পাড়ে এই দিন প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত পুণ্যের কাজ বলে মনে করা হয়। বিজোড় সংখ্যায় (যেমন - ৫, ৭, ১১) প্রদীপ জ্বালানো শুভ বলে মনে করা হয় শাস্ত্রে। অনেকে ৩৬৫টি সলতের একটি প্রদীপ জ্বালান, যা ৩৬৫ দিনের পূর্ণিমার ফল দেয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
২. নেতিবাচক জিনিস দূর করা: বাড়ি থেকে সমস্ত ভাঙা, নষ্ট বা অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলুন। বিশেষত ভাঙা কাঁচ, বন্ধ ঘড়ি, খারাপ আসবাব বা দেব-দেবীর ভাঙা মূর্তি ঘরে রাখা অশুভ বলে মনে করা হয়। কার্তিক পুজো বা দেব দীপাবলির আগে এগুলো বিক্রি করে দিতে পারেন অথবা ফেলে দিতে পারেন।
আরও পড়ুন - Mangal Gochar 2025: ১৮ মাস পর বড় বদল মঙ্গল গ্রহের! প্রেমের সঙ্গে কেরিয়ারেও সুখের বন্যা, লাকি কারা?
{{/usCountry}}আরও পড়ুন - Mangal Gochar 2025: ১৮ মাস পর বড় বদল মঙ্গল গ্রহের! প্রেমের সঙ্গে কেরিয়ারেও সুখের বন্যা, লাকি কারা?
{{/usCountry}}আরও পড়ুন - Guru-Shukra Yog: পুরনো বিনিয়োগ থেকেও দুর্দান্ত রিটার্ন! গুরু-শুক্রের বিশেষ যোগে কপাল খুলছে কাদের?
৩. অর্থ রাখার দিক: বাস্তু অনুসারে, টাকা-পয়সা, গয়না বা মূল্যবান সামগ্রী রাখার স্থান (যেমন আলমারি বা লকার) উত্তর দিকে রাখুন। উত্তর দিক হল ধনদেবতা কুবেরের দিক। যদি এই নির্দিষ্ট দিকে টাকা রাখার বস্তুটি না থাকে, তাহলে দেব দীপাবলির আগে সেদিক করে রাখুন। স্থান সংশোধনের কাজ দেব দীপাবলির তিথি শুরুর আগেই করে নিন।
৪. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: দেব দীপাবলির আগে সম্পূর্ণ বাড়িঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। বাস্তু মতে, যেখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকে, সেখানেই মা লক্ষ্মী বাস করেন। তাই মায়ের আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য ঘরের ঝুল, ময়লা, ধুলোবালি সাফ করে নিন।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।