দেবোত্থানী একাদশী ভগবান বিষ্ণুর জাগরণের দিন। এই শুভ তিথিতে কিছু বিশেষ কাজ বা টোটকা অবলম্বন করলে দাম্পত্য জীবনের সমস্ত বাধা, ভুল বোঝাবুঝি দূর হয় এবং সম্পর্ক আরও নিষ্কণ্টক ও প্রেমময় হয়ে ওঠে।
বিবাহিত জীবনকে মধুময় করতে দেবোত্থানী একাদশীতে করুন ৩ কাজ

১. তুলসী বিবাহ ও পুজো: দেবোত্থানী একাদশীর প্রধান অংশ হল তুলসী বিবাহ। এই দিনে তুলসী গাছের সঙ্গে শালগ্রাম শিলার (বিষ্ণুর প্রতীক) বিবাহ অনুষ্ঠান আয়োজন করুন। যদি অনুষ্ঠান করা সম্ভব না হয়, তবে প্রতীকীভাবে তুলসী গাছের পাশে শালগ্রাম শিলা বা ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি রেখে পুজো করুন। এটি দাম্পত্য জীবনে মাধুর্য এনে দেয়। এই দিনে তুলসী গাছের গোড়ায় হলুদ বস্ত্র, হলুদ ফুল ও সিঁদুর অর্পণ করুন। সন্ধ্যায় তুলসী মঞ্চের সামনে কমপক্ষে পাঁচটি ঘি-এর প্রদীপ জ্বালান। তুলসীকে মা লক্ষ্মীর প্রতীক মনে করা হয় এবং তাঁর ও বিষ্ণুর পুজো দাম্পত্য কলহ দূর করে।
২. ভগবান বিষ্ণুর আরাধনা: স্নানের পর পরিষ্কার পোশাকে স্বামী-স্ত্রী দু'জনে একত্রে ভগবান বিষ্ণু ও মা লক্ষ্মীর পুজো করুন। বিষ্ণুকে জাফরান মিশ্রিত দুধ দিয়ে অভিষেক করাতে পারেন। এরপর বিষ্ণুর চরণে হলুদ চন্দন বা হলুদ রঙের ফুল অর্পণ করুন। হলুদ রং বৃহস্পতি গ্রহকে নির্দেশ করে, যা দাম্পত্য সুখ ও সমৃদ্ধির কারক। এই দিনে অন্তত ১০৮ বার 'ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়' মন্ত্রটি জপ করুন। সম্ভব হলে বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ করুন।
আরও পড়ুন - সম্বন্ধ ভেস্তে যাচ্ছে? বিয়েতেও বাধা? দেবোত্থানী একাদশীতে করুন এই কাজ, জানুন তিথি
{{/usCountry}}আরও পড়ুন - সম্বন্ধ ভেস্তে যাচ্ছে? বিয়েতেও বাধা? দেবোত্থানী একাদশীতে করুন এই কাজ, জানুন তিথি
{{/usCountry}}আরও পড়ুন - Vastu Tips For Business: ব্যবসায় কুনজর শত্রুর? বাধা দূর করবে এই সহজ প্রতিকার, মেনে চলুন কাল থেকেই
৩. প্রেম বৃদ্ধির টোটকা: যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ক্রমাগত মতবিরোধ বা অশান্তি চলতে থাকে, তবে দেবোত্থানী একাদশীতে কাঁচা দুধের সঙ্গে আখের রস মিশিয়ে তুলসী গাছের মূলে নিবেদন করুন। বিশ্বাস করা হয়, এই প্রতিকার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেকার দূরত্ব কমিয়ে সম্পর্ককে দৃঢ় করে। যদি সম্ভব হয়, স্বামী-স্ত্রী উভয়েই একাদশী ব্রত পালন করুন। পরের দিন দ্বাদশীতে একসঙ্গে পারণ (উপবাস ভঙ্গ) করুন। একসঙ্গে উপবাস ও পুজো করলে সম্পর্কের বন্ধন মজবুত হয়।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।