...
...
Next Story

গণপতির প্রিয় রাশি কোনগুলি? কোন কোন জাতক সিদ্ধিদাতার কৃপায় সহজেই সংকট থেকে মুক্তি পান

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ১২টি রাশির ওপর গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব থাকলেও, বিশেষ কয়েকটি রাশির ওপর গণেশজির আশীর্বাদ সর্বদা বর্ষিত হয়। এই রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত বুদ্ধিদীপ্ত, মেধাবী এবং যেকোনো বাধা অতিক্রম করতে সক্ষম হন।

Published on: Feb 17, 2026, 15:37:28 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

হিন্দু ধর্মে গণপতি বা গণেশ হলেন বিঘ্নহর্তা এবং সিদ্ধিদাতা। যেকোনো শুভ কাজের শুরুতে তাঁর আরাধনা করা বাধ্যতামূলক। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ১২টি রাশির ওপর গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব থাকলেও, বিশেষ কয়েকটি রাশির ওপর গণেশজির আশীর্বাদ সর্বদা বর্ষিত হয়। এই রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত বুদ্ধিদীপ্ত, মেধাবী এবং যেকোনো বাধা অতিক্রম করতে সক্ষম হন।

গণপতির প্রিয় রাশি কোনগুলি? কোন জাতকরা গণেশের কৃপায় সহজেই সংকট থেকে মুক্তি পান
গণপতির প্রিয় রাশি কোনগুলি? কোন জাতকরা গণেশের কৃপায় সহজেই সংকট থেকে মুক্তি পান

গণপতির প্রিয় রাশি এবং জ্যোতিষতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ জেনে নিন

গণপতির প্রিয় ৪ রাশি

জ্যোতিষশাস্ত্রে বুধ এবং বৃহস্পতি গ্রহকে বুদ্ধিমত্তা ও জ্ঞানের কারক মনে করা হয়। যেহেতু শ্রী গণেশ বুদ্ধির দেবতা, তাই তাঁর প্রিয় রাশিগুলোর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে এই গ্রহগুলোর প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। জ্যোতিষীদের মতে, বিশেষ কয়েকটি রাশির জাতকদের জীবনে যত বড় বাধাই আসুক না কেন, গণপতির কৃপায় তা সহজেই দূর হয়ে যায়।

১. মেষ রাশি (Aries): অসীম সাহস ও নেতৃত্বের আশীর্বাদ

মেষ রাশির অধিপতি মঙ্গল হলেও, গণেশজির বিশেষ কৃপা এই রাশির ওপর থাকে। মেষ রাশির জাতকরা স্বভাবগতভাবে সাহসী এবং জেদী হন। গণপতির আশীর্বাদে তাঁদের মধ্যে অদম্য ইচ্ছাশক্তি তৈরি হয়। কোনো কাজে বাধা এলে তাঁরা পিছুপা হন না। প্রতিদিন গণেশ বন্দনা করলে মেষ রাশির জাতকদের কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি এবং মান-সম্মান বৃদ্ধি পায়।

২. মিথুন রাশি (Gemini): বুদ্ধির প্রখরতায় সেরা

৩. তুলা রাশি (Libra): ভারসাম্য ও সাফল্যের মেলবন্ধন

তুলা রাশির ওপরও বিঘ্নহর্তার বিশেষ নজর থাকে। এই রাশির জাতকরা জীবনে শান্তি এবং ভারসাম্য বজায় রাখতে পছন্দ করেন। গণপতির আশীর্বাদে তুলা রাশির জাতকরা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি করেন। এঁদের জীবনে অর্থনৈতিক সংকট খুব একটা স্থায়ী হয় না। গণেশজির আরাধনা করলে তুলা রাশির জাতকদের পারিবারিক কলহ দূর হয় এবং সৌভাগ্যের দ্বার খুলে যায়।

৪. কুম্ভ রাশি (Aquarius): স্থির সংকল্প ও সিদ্ধি লাভ

কুম্ভ রাশির জাতকরা গম্ভীর এবং চিন্তাশীল প্রকৃতির হন। শনি এই রাশির অধিপতি হলেও, আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য এঁদের ওপর গণপতির আশীর্বাদ জরুরি। গণেশজির কৃপায় কুম্ভ রাশির জাতকরা সমাজসেবামূলক কাজে সাফল্য পান এবং তাঁদের নেওয়া প্রতিটি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়। এঁদের জীবনে প্রতিকূল পরিস্থিতি এলেও গণপতির কৃপায় তা অনুকূলে চলে আসে।

কেন এই রাশিগুলোই প্রিয়? (জ্যোতিষতাত্ত্বিক কারণ)

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, গণেশ হলেন 'কেতু' গ্রহের অধিপতি এবং বুধ গ্রহের শক্তি। যে রাশির জাতকদের কুণ্ডলীতে বুধ শক্তিশালী অবস্থানে থাকে, তাদের ওপর গণপতির প্রভাব বেশি অনুভূত হয়। উপরন্তু, যারা সত্যের পথে চলে এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধিকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করে, গণপতি তাদের সব সময় রক্ষা করেন।

গণপতির আশীর্বাদ লাভের সহজ উপায়

আপনার রাশি যাই হোক না কেন, গণেশজির কৃপা পেতে নিচের কাজগুলো করতে পারেন:

  • দূর্বা ঘাস: প্রতি বুধবার গণেশজিকে ২১টি দূর্বা ঘাস অর্পণ করুন। এটি তাঁর অত্যন্ত প্রিয়।
  • মোতিচুর লাড্ডু বা মোদক: ভোগের প্রসাদ হিসেবে লাড্ডু বা মোদক নিবেদন করুন।
  • গণেশ অথর্বশীর্ষ পাঠ: নিয়মিত এই পাঠ করলে বাড়িতে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe