...
...
Next Story

২০২৬র জন্মাষ্টমী থেকে দুর্গাপুজো পর্যন্ত লাভের ফোয়ারা থাকবে একঝাঁক রাশিতে! লাকি কারা?

জ্যোতিষী পণ্ডিত নরেন্দ্র উপাধ্যায়ের মতে, জন্মাষ্টমী, পিতৃপক্ষ এবং শারদীয় নবরাত্রির সময়টি কর্কট, মকর এবং মীন রাশির লোকদের জন্য শুভ হতে পারে। এই সময়ে, ক্যারিয়ার, ব্যবসা, অর্থ এবং পারিবারিক জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

Published on: Aug 9, 2026, 16:00:20 IST
Advertisement

২০২৬ সালের জন্মাষ্টমী, পিতৃপক্ষ এবং শারদীয় নবরাত্রিতে দুর্গাপুজোর সময় পর্যন্ত একঝাঁক রাশির ভাগ্য ফিরতে পারে। লাকির লিস্টে কারা রয়েছেন, বলছেন জ্যোতিষবিদ নরেন্দ্র উপাধ্যায়।

২০২৬র জন্মাষ্টমী থেকে দুর্গাপুজো পর্যন্ত লাভের ফোয়ারা থাকবে একঝাঁক রাশিতে!
২০২৬র জন্মাষ্টমী থেকে দুর্গাপুজো পর্যন্ত লাভের ফোয়ারা থাকবে একঝাঁক রাশিতে!

কর্কট

সময়টি স্থগিত কাজ শেষ করার বিষয়ে হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে যে কাজের জন্য প্রচেষ্টা চলছে তা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। চাকরিতে কাজের দায়িত্ব বাড়তে পারে। এটি পরবর্তীতে ক্যারিয়ারে উপকারী হতে পারে। ব্যবসায়ীদের জন্যও সময় ভালো থাকবে। আপনি কোনও পুরানো ক্লায়েন্ট বা পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে একটি নতুন চাকরি পেতে পারেন। আপনি যদি ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করেন তবে তাড়াহুড়ো এড়িয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভাল। অর্থের দিক থেকেও পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। আশা করছি আটকে থাকা টাকা পাবেন। পরিবার সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় আসতে পারে তবে এটি পরিচালনা করতে কোনও সমস্যা হবে না। পিতৃপক্ষে পূর্বপুরুষদের জন্য তর্পণ এবং দান করা কর্কট রাশির লোকদের জন্য শুভ হবে। জন্মাষ্টমীতে ভগবান কৃষ্ণের আরাধনা এবং নবরাত্রির সময় মা দুর্গার আরাধনা করাও উপকারী হবে।

মকর

জন্মাষ্টমী থেকে নবরাত্রি পর্যন্ত সময়টি মকর রাশির জাতকদের জন্য ক্যারিয়ারের দিক থেকে ভাল হতে পারে। যারা চাকরি পরিবর্তনের কথা ভাবছেন তারা নতুন সুযোগ পেতে পারেন। যারা ইতোমধ্যে কাজ করছেন তারা কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃতি পেতে পারেন। ব্যবসায়ীরাও লাভের সুযোগ পাবেন। একটি পুরানো পরিচিতি আবার কাজে আসতে পারে। ব্যবসায় আটকে থাকা অর্থ প্রত্যাহারের সম্ভাবনা রয়েছে। কাজের চাপ থাকবে, তবে কঠোর পরিশ্রমও ফল দিতে পারে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা বললে আয় বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। ব্যয় বাড়লেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কোনও বড় বিনিয়োগ করার আগে, কাগজপত্র এবং সম্পূর্ণ তথ্য যাচাই করতে ভুলবেন না। পিতৃপক্ষে, অভাবীদের খাওয়ানো বা আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দান করা শুভ হবে। শারদীয় নবরাত্রির সময় মা দুর্গার পূজা করলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং নেতিবাচক চিন্তাভাবনা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

মীন

এই সময়টি ভাগ্যের সময় হতে পারে। বেশ কয়েকদিন ধরে আটকে থাকা কাজ হঠাৎ করে এগিয়ে যেতে পারে। আপনি যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিবারের সদস্যের সমর্থন পাবেন। চাকরিতে নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন। যারা চাকরি খুঁজছেন তারা ভাল সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যারা ব্যবসা করছেন তারা নতুন মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপনের সুবিধা পেতে পারেন। অর্থ সম্পর্কিত বিষয়গুলিতেও স্বস্তির লক্ষণ রয়েছে। আপনি পুরানো পেমেন্ট পেতে পারেন। আয়ের একটি অতিরিক্ত উৎসও থাকতে পারে। তবে খরচ সম্পর্কে অসাবধানতা অবলম্বন করা ঠিক হবে না। মীন রাশির লোকদের জন্য, পিতৃপক্ষে পূর্বপুরুষদের স্মরণ করা বিশেষভাবে শুভ হবে। পূর্বপুরুষদের নামে খাদ্য বা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দান করতে পারেন। জন্মাষ্টমীতে ভগবান কৃষ্ণের পূজা করা এবং নবরাত্রির সময় দেবী দুর্গার পূজা করাও শুভ বলে মনে করা হয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe