গণাধিপ সংকষ্টী চতুর্থী হলো ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করা একটি শুভ তিথি। প্রতি মাসের কৃষ্ণপক্ষের (পূর্ণিমার পর) চতুর্থী তিথিতে এই ব্রত পালিত হয়। এই ব্রত পালনে ভক্তরা জীবনে আসা সমস্ত বাধা-বিপত্তি থেকে মুক্তি পান বলে বিশ্বাস করা হয়।
তিথির সময়

যেহেতু এই তিথিটি প্রতি মাসে আসে, তাই এর শুরুর সময় প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়। ২০২৫ সালের গণাধিপ সংকষ্টী চতুর্থী তিথিটি পালিত হবে ৮ নভেম্বর (শনিবার)।
চতুর্থী তিথি শুরু: ৮ নভেম্বর, ২০২৫, সকাল ০৭:৩২ মিনিট থেকে।
চতুর্থী তিথি শেষ: ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ভোর ০৪:২৫ মিনিট পর্যন্ত।
সংকষ্টীর দিনে চন্দ্রোদয় (উপবাস ভঙ্গের সময়): ৮ নভেম্বর, ২০২৫, সন্ধ্যা ০৭:৫৯ মিনিটে।
ব্রত পালনের নিয়ম
গণাধিপ সংকষ্টী চতুর্থীর ব্রত নিষ্ঠা ও ভক্তির সাথে পালন করা হয়।
১. স্নান ও প্রস্তুতি: ব্রতের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে স্নান করে পরিষ্কার বস্ত্র পরিধান করতে হয়। পূজার স্থান ভালোভাবে পরিষ্কার করে একটি আসনে গণেশ মূর্তিকে স্থাপন করতে হয়।
২. পূজা: দেশি ঘি-এর প্রদীপ জ্বালিয়ে গণেশকে ধুতি (বা হলুদ বস্ত্র), হলুদ ফুল ও দূর্বা ঘাস দিয়ে সজ্জিত করা হয়। গণেশের সামনে মোদক বা লাড্ডু (কমপক্ষে ৫টি) নিবেদন করা আবশ্যক। পূজার সময় গণেশ মন্ত্র জপ করা শুভ।
৩. উপবাস: ভক্তরা সূর্যোদয় থেকে শুরু করে উপবাস পালন করেন। অনেকে এই দিন নিরম্বু উপবাস (জল গ্রহণ না করে) করেন, আবার অনেকে ফল ও জল গ্রহণ করে থাকেন।
{{/usCountry}}৩. উপবাস: ভক্তরা সূর্যোদয় থেকে শুরু করে উপবাস পালন করেন। অনেকে এই দিন নিরম্বু উপবাস (জল গ্রহণ না করে) করেন, আবার অনেকে ফল ও জল গ্রহণ করে থাকেন।
{{/usCountry}}৪. চন্দ্র দর্শন ও ব্রত ভঙ্গ: এই ব্রতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো রাতে চন্দ্র দর্শন (চাঁদ দেখা) এবং তারপর চন্দ্রদেবতাকে অর্ঘ্য নিবেদন করা। চন্দ্রদেবতার পূজা ও অর্ঘ্য নিবেদনের পরই উপবাস ভঙ্গ করা হয়। উপবাস ভঙ্গের সময় গণেশকে নিবেদিত প্রসাদ গ্রহণ করা হয় এবং তা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।