...
...
Next Story

Ganga Dussehra 2026 remedies: দূর হবে সমস্ত আর্থিক অনটন, জীবন বদলে দিতে গঙ্গা দশহরায় করুন এই অলৌকিক প্রতিকার

Ganga Dussehra 2026 remedies: ২০২৬ সালের গঙ্গা দশহরায় জীবন থেকে আর্থিক অনটন দূর করতে এবং সুখ-সমৃদ্ধি লাভ করার জন্য কিছু বিশেষ জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় উপায়ের কথা বলা হয়েছে। নিচে বিস্তারিত প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হলো।

Published on: May 25, 2026 11:10 AM IST
Advertisement

Ganga Dussehra 2026 remedies: সনাতন ধর্মে গঙ্গা দশহরা (Ganga Dussehra) উৎসবের একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে এই পুণ্য তিথিটি উদযাপিত হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনেই স্বর্গ থেকে মর্ত্যে দেবী গঙ্গার অবতারণা হয়েছিল। ২০২৬ সালের গঙ্গা দশহরায় জীবন থেকে আর্থিক অনটন দূর করতে এবং সুখ-সমৃদ্ধি লাভ করার জন্য কিছু বিশেষ জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় উপায়ের কথা বলা হয়েছে। নিচে বিস্তারিত প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হলো।

দূর হবে সমস্ত আর্থিক অনটন, জীবন বদলে দিতে গঙ্গা দশহরায় করুন এই অলৌকিক প্রতিকার
দূর হবে সমস্ত আর্থিক অনটন, জীবন বদলে দিতে গঙ্গা দশহরায় করুন এই অলৌকিক প্রতিকার

সনাতন ধর্মে মা গঙ্গাকে মোক্ষদায়ী এবং পাপনাশিনী বলা হয়ে থাকে। প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে ‘গঙ্গা দশহরা’ অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও উৎসবের সাথে পালিত হয়। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুসারে, এই বিশেষ দিনটিতেই রাজা ভগীরথের কঠোর তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে দেবী গঙ্গা মর্ত্যধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। জ্যোতিষশাস্ত্রবিদদের মতে, ২০২৬ সালের গঙ্গা দশহরার দিনটি আধ্যাত্মিক এবং জাগতিক—উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত ফলদায়ক। এই পুণ্য তিথিতে ভক্তিভরে মা গঙ্গার আরাধনা করার পাশাপাশি কিছু সহজ প্রতিকার বা উপায় করলে কোষ্ঠীর দোষ কেটে যায় এবং দেবী লক্ষ্মীর কৃপায় জীবনে ধন-সম্পদের আগমন ঘটে।

১. গঙ্গা স্নান এবং ১০টি দান (Dan Upay)

গঙ্গা দশহরার দিন পবিত্র গঙ্গানদীতে স্নান করার প্রথা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। যদি কোনো কারণে গঙ্গাতীরে যাওয়া সম্ভব না হয়, তবে বাড়িতেই স্নানের জলে সামান্য গঙ্গা জল মিশিয়ে স্নান করা যেতে পারে। শাস্ত্র অনুযায়ী, এই দিন ‘দশ’ সংখ্যাটির একটি বিশেষ মহত্ত্ব রয়েছে। স্নানের পর যেকোনো ১০টি জিনিস (যেমন—অন্ন, বস্ত্র, ফল, জল, ছাতা, পাখা, সুপুরি, তিল, সোনা বা ঘি) অভাবী মানুষকে দান করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এর ফলে সমস্ত ধরণের পাপ থেকে মুক্তি মেলে এবং পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকে।

যদি আপনি দীর্ঘদিন ধরে ঋণের জালে জড়িয়ে থাকেন অথবা উপার্জনের পরেও অর্থ সঞ্চয় না হয়, তবে নবভারত টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী একটি বিশেষ উপায় করা যেতে পারে। গঙ্গা দশহরার দিন একটি ছোট রূপোর পাত্র বা বাটিতে খাঁটি গঙ্গা জল ভরে নিন। এবার সেই পাত্রটি আপনার বাড়ির লকার, আলমারি বা টাকা রাখার জায়গায় রেখে দিন। বিশ্বাস করা হয়, এই প্রতিকারটি করলে বাস্তুদোষ দূর হয় এবং বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বৃদ্ধি পায়, যা পরোক্ষভাবে আর্থিক স্থিতিশীলতা এনে দেয়।

৩. মনস্কামনা পূরণে মহাদেবের অভিষেক

দেবী গঙ্গা যখন স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আসছিলেন, তখন তাঁর তীব্র গতিবেগ সামলানোর জন্য ভগবান শিব তাঁকে নিজের জটায় ধারণ করেছিলেন। তাই গঙ্গা দশহরায় মহাদেবের পূজাও সমান ফলদায়ক। এই দিন শিবলিঙ্গে গঙ্গা জল এবং কাঁচা দুধ অর্পণ করে অভিষেক করুন। শিবলিঙ্গে বেলপাতা ও চন্দন নিবেদন করলে গ্রহের কুপ্রভাব কেটে যায় এবং আটকে থাকা কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়।

৪. দরজায় গঙ্গাজল ছেটানো এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

গঙ্গা দশহরার দিন সন্ধ্যায় আপনার বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে হলুদ মিশ্রিত গঙ্গা জল ছেটানো উচিত। এর পর সদর দরজার দুই পাশে দুটি ঘিয়ের প্রদীপ (দীপদানের অংশ হিসেবে) জ্বালিয়ে রাখুন। এতে নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং মা লক্ষ্মী সানন্দে গৃহে প্রবেশ করেন।

গঙ্গা দশহরা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি জীবনকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার এবং আধ্যাত্মিক শক্তি সঞ্চয়ের এক মহাশুভ সুযোগ। পূর্ণ ভক্তি এবং শুদ্ধ চিত্তে মা গঙ্গার ধ্যান করে এই ছোট ছোট প্রতিকারগুলো আপনার জীবনে সমৃদ্ধি ও পজিটিভ পরিবর্তন এনে দিতে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe