...
...
Next Story

Guru Purnima: গুরু পূর্ণিমায় এই জিনিসগুলো দান করলেই কাটবে আর্থিক অনটন! জানুন সমৃদ্ধি ফেরানোর সেরা শাস্ত্রীয় প্রতিকার

Guru Purnima daan upay for money problem: সনাতন ঐতিহ্যে গুরুকে ভগবানের চেয়েও উচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে। দেবগুরু বৃহস্পতি হলেন ভাগ্য, জ্ঞান, শিক্ষা ও ধনের প্রতীক। গুরু পূর্ণিমার পবিত্র দিনে মন থেকে কৃত দান ও পূজা মানুষের জীবনে অলৌকিক শুভ পরিবর্তন এনে দেয়।

Published on: Jul 29, 2026, 10:00:49 IST
Advertisement

Remedies for prosperity on Guru Purnima: গুরু পূর্ণিমা (Guru Purnima) বা ব্যাস পূর্ণিমা সনাতন ধর্মে পরম পবিত্র ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক তিথি। এই পূর্ণিমার দিনে গুরুর আরাধনার পাশাপাশি দান-ধ্যান এবং শাস্ত্রীয় প্রতিকার বা উপায়ের বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। জ্যোতিষ ও পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে শুভ সামগ্রী দান করলে কুণ্ডলীতে বৃহস্পতি গ্রহ শক্তিশালী হয় এবং জীবনের সমস্ত আর্থিক অনটন ও বাধা দূর হয়ে সুখ-সমৃদ্ধি লাভ ঘটে।

গুরু পূর্ণিমায় এই জিনিসগুলো দান করলে কাটবে অনটন! জানুন সমৃদ্ধি ফেরানোর রাস্তা
গুরু পূর্ণিমায় এই জিনিসগুলো দান করলে কাটবে অনটন! জানুন সমৃদ্ধি ফেরানোর রাস্তা

গুরু পূর্ণিমার দিনে নির্দিষ্ট কিছু বস্তু দান এবং বিশেষ জ্যোতিষীয় প্রতিকার পালন করলে ভাগ্যোদয় ঘটে এবং ঘরে দেবী লক্ষ্মী ও গুরুদেবের স্থায়ী কৃপা বজায় থাকে। আর্থিক সংকট দূর করে সমৃদ্ধি ফেরাতে এই তিথিতে কী কী দান করবেন এবং কী কী শাস্ত্রীয় উপায় মেনে চলবেন—তা জেনে নিন।

সনাতন ঐতিহ্যে গুরুকে ভগবানের চেয়েও উচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে। দেবগুরু বৃহস্পতি হলেন ভাগ্য, জ্ঞান, শিক্ষা ও ধনের প্রতীক। গুরু পূর্ণিমার পবিত্র দিনে মন থেকে কৃত দান ও পূজা মানুষের জীবনে অলৌকিক শুভ পরিবর্তন এনে দেয়।

আর্থিক উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য গুরু পূর্ণিমার সেরা দান

এই বিশেষ তিথিতে হলুদ রঙের সামগ্রী এবং খাদ্যশস্য দান করা সবচেয়ে বেশি ফলদায়ক বলে মনে করা হয়:

  • হলুদ বস্ত্র ও ছোলার ডাল দান: গুরু পূর্ণিমার দিন কোনো ব্রাহ্মণ, প্রবীণ ব্যক্তি বা আপনার গুরুদেবকে হলুদ রঙের পোশাক, ছোলার ডাল এবং হলুদ দান করুন। এটি কুণ্ডলীতে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থানকে অত্যন্ত মজবুত করে এবং অমীমাংসিত আর্থিক জটিলতা দূর করে।
  • অন্ন ও ফল দান: অভাবী বা ক্ষুধার্ত মানুষকে অন্ন, পাকা আম বা কলা এবং হলুদ মিষ্টি দান করলে পিতৃপুরুষ ও গুরুদের আশীর্বাদ লাভ হয়, যা বংশানুক্রমিক দারিদ্র্য কাটাতে সাহায্য করে।
  • ধর্মীয় বই ও শিক্ষা সামগ্রী দান: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের খাতা, কলম, বই বা ধর্মীয় পাঠ্যগ্রন্থ দান করলে মা সরস্বতী ও দেবগুরু প্রসন্ন হন, যার ফলে বিদ্যা ও কর্মক্ষেত্রে চরম উন্নতি ঘটে।

অর্থ সংকট দূর করতে গুরু পূর্ণিমার অলৌকিক উপায়

১. তুলসী ও বিষ্ণু পূজা: গুরু পূর্ণিমার সকালে স্নান সেরে ভগবান শ্রী হরি বিষ্ণু ও মাতা লক্ষ্মীর চরণে হলুদ ফুল এবং তুলসী পাতা নিবেদন করুন। শ্রী হরিকে কেশর বা হলুদের তিলক লাগান এবং নিজে কপালে ও নাভিতে সেই তিলক ধারণ করুন।

২. অশ্বত্থ গাছের পূজা: গুরু পূর্ণিমার দিন অশ্বত্থ (পিপল) গাছে জল অর্পণ করুন এবং সেখানে মিষ্টি বা পায়েস নিবেদন করে সর্ষের তেলের বা ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান। সনাতন বিশ্বাস মতে, অশ্বত্থ গাছে ত্রিদেব ও মাতা লক্ষ্মীর বাস থাকে, তাই এই উপায় করলে হঠাৎ ধনলাভের পথ খোলে।

৩. গুরু মন্ত্র জপ: শুভ তিথিতে গুরুদেবের দেওয়া মন্ত্র বা ‘ওঁ বৃং বৃহস্পতয়ে নমঃ’ (Om Brim Brihaspataye Namah) মন্ত্র জপ করলে মানসিক দ্বিধা দূর হয় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে।

গুরু কৃপায় জীবনের সাফল্য

আর্থিক টানাপোড়েনের পাশাপাশি বৈবাহিক জীবনে বাধা বা ক্যারিয়ারের গতি থমকে গেলে গুরু পূর্ণিমার দিনে পিতামাতা ও গুরুর চরণ স্পর্শ করে আশীর্বাদ নেওয়া উচিত। গুরুজনদের মন থেকে দেওয়া আশীর্বাদ জীবনের বড় বড় প্রতিকূলতাকেও নিমেষে দূর করে দেয়।

গুরু পূর্ণিমার শুভ মুহূর্তটি হলো আত্মশুদ্ধি এবং জীবনে ইতিবাচক শক্তি ফিরিয়ে আনার এক মহা সুযোগ। ভক্তিভরে ঈশ্বর ও গুরুর নাম স্মরণ করে শুভ দ্রব্যাদি দান করলে সংসারের সমস্ত অভাব-অনটন কেটে যায় এবং গৃহে স্থায়ী সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বিরাজ করে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe