ইরানের সঙ্গে মার্কিন সংঘাত কার্যত মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে রেখেছে। তার জেরে জ্বালানির দাম ক্রমেই রকেট গতিতে বাড়ছে। যার হাত ধরে, দেশের বহু এয়ারলাইন্স এই সময় আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, যে তাদের কার্যক্রম এর জেরে বন্ধ হতে পারে। টাটার মালিকানাধীন এয়ার ইন্ডিয়াসহ অন্তত তিনটি বিমান সংস্থা সরকারকে এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (এটিএফ) মূল্য পুনর্বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেছে, যা একটি বিমান সংস্থার পরিচালন ব্যয়ের সাথে প্রায় ৪০ শতাংশ যোগ করে।
কেন্দ্রকে পাঠানো ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের তরফে একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘... যেকোনও যথেচ্ছ মূল্য নির্ধারণ (অভ্যন্তরীণ বনাম আন্তর্জাতিক) এবং/অথবা এটিএফ-এর মূল্যের অযৌক্তিক বৃদ্ধি বিমান সংস্থাগুলোর জন্য অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হবে এবং এর ফলে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে, যার পরিণতিতে ফ্লাইট বাতিল হতে পারে।’ এরই সঙ্গে বলা হয়েছে,'টিকে থাকতে, কার্যক্রম বজায় রাখতে এবং অব্যাহত রাখতে, বর্তমান পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য আমরা আপনার জরুরি হস্তক্ষেপ এবং অবিলম্বে অর্থবহ আর্থিক সহায়তা কামনা করছি।'
ফেডারেশন জানিয়েছে, দূরপাল্লার রুটে চলাচলকারী ফ্লাইটগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রতিকার হিসেবে, তারা মন্ত্রককে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় ফ্লাইটের জন্য অভিন্ন একটি জ্বালানি মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ব্যবহারের অনুরোধ করেছে, যেমনটি অতীতে ‘ক্র্যাক ব্যান্ড’ নামে পরিচিত একটি পদ্ধতির মাধ্যমে করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এভিয়েশন ফুয়েল বা সাম্প্রতিক বিমান-জ্বালানি মূল্য লাগামহীনভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে এমন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরকার অভ্যন্তরীণ লেনদেনের ক্ষেত্রে এটিএফ-এর মূল্যবৃদ্ধি লিটারপ্রতি ১৫ টাকায় সীমিত রাখলেও, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অপারেশনের জন্য ক্ষেত্রে তা লিটারপ্রতি ৭৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সংকট-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় এটিএফ-এর মূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির সাথে রুপির অবমূল্যায়ন যুক্ত হওয়ায়, ১১ শতাংশ আবগারি শুল্কও বিমান সংস্থাগুলোর জন্য খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় এবং এটিএফ-এর মূল্যের উপর একটি বড় প্রভাব ফেলে।’
ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের আওতায় রয়েছে, ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স, ইন্ডিগো, স্পাইসজেট। অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থাগুলোর উত্থাপিত উদ্বেগগুলো মার্কিন-ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীর নৌপথ অবরোধের প্রত্যক্ষ ফল, যেখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন করা হয়। উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী রুদ্ধ হয়ে যেতেই বিশ্বের নানান প্রান্তে জ্বালানির দাম হু হু করে বাড়তে থাকে। যার আঁচ গিয়ে পড়ছে ভারতের বিমান পরিবহন সংস্থাগুলির ওপর।
{{/usCountry}}ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের আওতায় রয়েছে, ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স, ইন্ডিগো, স্পাইসজেট। অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থাগুলোর উত্থাপিত উদ্বেগগুলো মার্কিন-ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীর নৌপথ অবরোধের প্রত্যক্ষ ফল, যেখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন করা হয়। উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী রুদ্ধ হয়ে যেতেই বিশ্বের নানান প্রান্তে জ্বালানির দাম হু হু করে বাড়তে থাকে। যার আঁচ গিয়ে পড়ছে ভারতের বিমান পরিবহন সংস্থাগুলির ওপর।
{{/usCountry}}