...
...
Next Story

কেন পালন করা হয় জানকী জয়ন্তী? সনাতন ধর্মে মা সীতার এই দিনটিকে কী বলা হয়

এই দিনটি বিবাহিত মহিলাদের জন্য যেমন সৌভাগ্যের, তেমনই অবিবাহিতদের জন্য যোগ্য জীবনসঙ্গী পাওয়ার বিশেষ তিথি।

Published on: Feb 9, 2026, 07:48:16 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

সনাতন ধর্মে মা সীতা হলেন ত্যাগ, ধৈর্য এবং পবিত্রতার প্রতিমূর্তি। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে দেবী সীতা ধরণী তলে আবির্ভূত হয়েছিলেন, তাই এই দিনটি 'জানকী জয়ন্তী' বা 'সীতা অষ্টমী' হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালিত হয়। ২০২৬ সালে এই দিনটি বিবাহিত মহিলাদের জন্য যেমন সৌভাগ্যের, তেমনই অবিবাহিতদের জন্য যোগ্য জীবনসঙ্গী পাওয়ার বিশেষ তিথি।

২০২৬ সালে জানকী জয়ন্তীর তারিখ ও শুভ মুহূর্ত

  • পঞ্জিকা অনুসারে, ২০২৬ সালের জানকী জয়ন্তী পালিত হবে ১০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার।
  • অষ্টমী তিথি শুরু: ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ - সন্ধ্যা ০৬:১৪ মিনিটে।
  • অষ্টমী তিথি সমাপ্ত: ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ - রাত ০৮:০৮ মিনিটে। (উদয় তিথি অনুসারে ১০ ফেব্রুয়ারি সারা দেশজুড়ে এই উৎসব পালিত হবে।)

জানকী জয়ন্তীর আধ্যাত্মিক গুরুত্ব

কেন পালন করা হয় জানকী জয়ন্তী? সনাতন ধর্মে মা সীতার এই দিনটিকে কী বলা হয়
কেন পালন করা হয় জানকী জয়ন্তী? সনাতন ধর্মে মা সীতার এই দিনটিকে কী বলা হয়

পৌরাণিক কথা অনুযায়ী, রাজা জনক যখন মিথিলার যজ্ঞের জমি লাঙল দিয়ে কর্ষণ করছিলেন, তখন মাটির নিচ থেকে একটি স্বর্ণপাত্রে দেবী সীতাকে খুঁজে পান। এই তিথিতে মা সীতার আরাধনা করলে সংসারে সুখ-শান্তি বজায় থাকে এবং নারীদের অখণ্ড সৌভাগ্য লাভ হয়। বিশেষ করে দাম্পত্য কলহ দূর করতে এই ব্রতর কোনো বিকল্প নেই।

পুজোর সঠিক নিয়ম ও বিধি

জানকী জয়ন্তীর দিন মা সীতার সাথে ভগবান রামের পুজো করা আবশ্যিক। ১. সঙ্কল্প: সকালে স্নান সেরে লাল বা হলুদ বস্ত্র পরিধান করে ব্রতর সঙ্কল্প করুন। ২. স্থাপনা: একটি কাষ্ঠাসনে লাল কাপড় বিছিয়ে রাম-সীতার মূর্তি বা ছবি স্থাপন করুন। ৩. শোভন সামগ্রী: মা সীতাকে শৃঙ্গার সামগ্রী (সিঁদুর, চুড়ি, আলতা, বি টি ইত্যাদি) অর্পণ করুন। ৪. ভোগ: দেবীকে হলুদ রঙের ফল বা মিষ্টান্ন নিবেদন করুন। ৫. দান: পুজোর পর বিবাহিত মহিলাদের সিঁদুর ও মিষ্টান্ন দান করা অত্যন্ত শুভ বলে মানা হয়।

ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্রের দৃষ্টিভঙ্গি

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe