আজ মহাসপ্তমী। ২০২৬ দুর্গাপুজোর উৎসবের ঢাকে কার্যত পড়ে গেল কাঠি! মহাসপ্তমীর সকালে বাংলার বিভিন্ন নদী, জলাশয়ের ঘাটে দেখা গিয়েছে কলাবউ স্নান বা নবপত্রিকা স্নানের রীতি। দুর্গাপুজো ঘিরে এই রীতিই বাংলা জুড়ে প্রচলিত। দুর্গাপুজোয় এই নবপত্রিকা স্নান ঘিরে রয়েছে কোন ধর্মীয় মাহাত্ম্য?

মূলত, দুর্গাপুজোর সপ্তমীর দিনে ৯ টি ভিন্ন গাছকে দেবীর ৯ রূপ হিসাবে পুজো করা হয়। আর এই রীতিই হল নবপত্রিকা পুজোর রীতির একটি দিক। নয় গাছকে নবদুর্গা হিসাবে করা হয় আরাধনা। এই রীতির সঙ্গে রয়েছে প্রকৃতি-পুজোরও একটি দিক। এই পুজোর জন্য যে ৯ টি গাছকে পুজো করা হয়, তারা হল,
• কলা (কদলি বা রম্ভা)
• কচু (কচুরাজা)
• হলুদ (হরিদ্রা)
• জয়ন্তী
• বেল (বিল্ব)
• ডালিম (দাড়িম্ব)
• অশোক
• মান (মানকচু)
• ধান
এই ৯ গাছের মধ্যে প্রত্যেকটিকে দেবীর আলাদা আলাদা রূপ হিসাবে পুজো করা হয়। ধারণা করা হয়, কলা গাছ- এর অধিষ্টাত্রী দেবী ব্রহ্মাণী,কচু গাছ- অধিষ্টাত্রী দেবী কালিকা,হলুদ গাছ- অধিষ্টাত্রী দেবী উমা, জয়ন্তী গাছ- অধিষ্টাত্রী দেবী কার্তিকী,বেল গাছ- অধিষ্টাত্রী দেবী শিবা,বেদানা বা ডালিম গাছ- অধিষ্টাত্রী দেবী রক্তদন্তিকা,অশোক গাছ- অধিষ্টাত্রী দেবী শোকরহিতা,মান কচু গাছ- অধিষ্টাত্রী দেবী চামুণ্ডা,ধান গাছ- অধিষ্টাত্রী দেবী লক্ষ্মী।
মূলত, সপ্তমীর সকালে, একটি সপত্র কলাগাছের সঙ্গে অপর আটটি সমূল সপত্র উদ্ভিদ একত্র করে শ্বেত অপরাজিতা লতা দিয়ে বেঁধে, তাকে শাড়ি পরিয়ে বধূর বেশ ধারণ করানো হয়। তারপর তাঁকে কাঁধে নিয়ে পুজোর আয়োজনের কাছের কোনও জলাশয়ে নিয়ে গিয়ে আচার মেনে করানো হয় স্নান। এরপর ঢাকের বাদ্যির সঙ্গে তাঁকে নিয়ে আসা হয় মণ্ডপে। শুরু হয় পুজো।
{{/usCountry}}মূলত, সপ্তমীর সকালে, একটি সপত্র কলাগাছের সঙ্গে অপর আটটি সমূল সপত্র উদ্ভিদ একত্র করে শ্বেত অপরাজিতা লতা দিয়ে বেঁধে, তাকে শাড়ি পরিয়ে বধূর বেশ ধারণ করানো হয়। তারপর তাঁকে কাঁধে নিয়ে পুজোর আয়োজনের কাছের কোনও জলাশয়ে নিয়ে গিয়ে আচার মেনে করানো হয় স্নান। এরপর ঢাকের বাদ্যির সঙ্গে তাঁকে নিয়ে আসা হয় মণ্ডপে। শুরু হয় পুজো।
{{/usCountry}}