...
...
Next Story

আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতুর প্রবেশ মানেই ম্যাজিক! ৪ রাশির ভাগ্যের আকাশে বিরাট বদল, টাকাকড়ির অভাব এবার কাটবে

বুধের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও তীক্ষ্ণ হিসাব-নিকাশের নক্ষত্র আশ্লেষায় কেতুর এই পদার্পণ জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিচারে অত্যন্ত অলৌকিক ও প্রভাব বিস্তারকারী। জ্যোতিষবিদদের মতে, আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতুর এই মহা গোচরের ফলে নির্দিষ্ট ৪টি রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে থমকে থাকা কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

Published on: Sep 25, 2026, 10:51:09 IST
Advertisement

বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে ছায়াগ্রহ কেতুকে অধ্যাত্ম, মোক্ষ, গোপন বিদ্যা, আকস্মিক পরিবর্তন এবং গভীর গবেষণার কারক গ্রহ হিসেবে মান্য করা হয়। কেতু সর্বদা বক্রী অর্থাৎ উল্টো চালে চলে এবং এক একটি নক্ষত্রে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে মানবজীবনের ভাগ্যচক্রে গভীর প্রভাব ফেলে। বৈদিক পঞ্চাঙ্গ ও জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় গণনা অনুযায়ী, ছায়াগ্রহ কেতু বুধদেবের অধিপত্য যুক্ত আশ্লেষা নক্ষত্রে প্রবেশ করতে চলেছেন।

আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতুর প্রবেশ মানেই ম্যাজিক! ৪ রাশির ভাগ্যের আকাশে বিরাট বদল
আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতুর প্রবেশ মানেই ম্যাজিক! ৪ রাশির ভাগ্যের আকাশে বিরাট বদল

বুধের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও তীক্ষ্ণ হিসাব-নিকাশের নক্ষত্র আশ্লেষায় কেতুর এই পদার্পণ জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিচারে অত্যন্ত অলৌকিক ও প্রভাব বিস্তারকারী। জ্যোতিষবিদদের মতে, আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতুর এই মহা গোচরের ফলে নির্দিষ্ট ৪টি রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে থমকে থাকা কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। কর্মক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত প্রমোশন, প্রপার্টি কেনাবেচায় বাম্পার অর্থলাভ এবং হঠাৎ করে আয়ের নতুন একাধিক পথ খুলে যাওয়ার দারুণ সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে কর্কট, সিংহ, তুলা ও বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকারা কেতুর এই নক্ষত্র গোচরে সবচেয়ে বেশি সুফল পাবেন। আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতু গোচরে কোন ৪ রাশির জীবনে গোল্ডেন টাইম শুরু হতে চলেছে— জেনে নিন।

১. বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতু গোচরের বিশেষ গুরুত্ব

জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় মানদণ্ডে বুধের নক্ষত্রে কেতুর অবস্থান জাতকের প্রজ্ঞা, ব্যবসায়িক কৌশল ও দূরদর্শিতাকে শীর্ষে পৌঁছে দেয়:

  • কৌশলী বুদ্ধি ও প্রশাসনিক সাফল্য: আইটি, ব্যাংকিং, মিডিয়া, রাজনীতি, শেয়ার বাজার, আইন, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা কেতুর শুভ প্রভাবে চতুর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিপুল ধনলাভ করবেন।
  • আকস্মিক ধনযোগ ও সম্পত্তি লাভ: দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা পৈতৃক সম্পত্তি বিবাদ সমাধান হবে এবং পুরোনো বিনিয়োগ থেকে রেকর্ড রিটার্ন মিলবে।

২. আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতু গোচরে ভাগ্যের বন্ধ দুয়ার খুলবে যে ৪ রাশির

খ) সিংহ রাশি (Leo): সিংহ রাশির জাতকদের জন্য কেতুর সঞ্চার আর্থিক সচ্ছলতা ও কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতির এক বিশেষ সময়। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বড় অঙ্কের বকেয়া টাকা হঠাৎ ফেরত পেতে পারেন। বিদেশের সাথে যুক্ত ব্যবসা বা আন্তর্জাতিক প্রজেক্টে কর্মরত ব্যক্তিরা বিপুল অর্থলাভ করবেন। নতুন ফ্ল্যাট বা গাড়ি কেনার শুভ সুযোগ তৈরি হবে।

গ) তুলা রাশি (Libra): তুলা রাশির শুভ ভাবগুলিতে কেতুর এই সঞ্চার জাতকদের জন্য নজিরবিহীন সফলতা আনবে। কর্মক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের সমস্ত চাল ব্যর্থ করে নিজ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করবেন। ক্রিয়েটিভ মিডিয়া, ডিজাইন বা প্রপার্টি ব্যবসার সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা বাম্পার আর্থিক লাভ পাবেন। সামাজিক স্তরে মান-সম্মান ও প্রভাব বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

ঘ) বৃশ্চিক রাশি (Scorpio): বৃশ্চিক রাশির ভাগ্য স্থানে কেতুর শুভ প্রভাব দেখা যাবে। আয়ের একাধিক নতুন রাস্তা সুগম হবে। শেয়ার বাজার বা পুরোনো কোনো শুভ বিনিয়োগ থেকে আকস্মিক বিপুল রিটার্ন মিলতে পারে। চাকুরিজীবীদের পছন্দসই জায়গায় বদলি বা প্রমোশনের সম্ভাবনা প্রবল। পরিবারে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করবে।

৩. কেতুর পূর্ণ কৃপা ও শুভ ফল বৃদ্ধির সহজ জ্যোতিষীয় প্রতিকার

আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতু গোচরের শতভাগ শুভ সুফল পেতে এবং কেতুদেবের শুভ প্রভাব বাড়াতে কিছু সহজ বৈদিক নিয়ম মেনে চলা যেতে পারে:

  • শ্রী গণেশ সাধনা: প্রতিদিন সকালে স্নানের পর সিদ্ধিদাতা শ্রী গণেশের পুজো করুন, ২১টি দুর্বা অর্পণ করুন এবং 'ওঁ গং গণপতয়ে নমঃ' মন্ত্র জপ করুন। কেতুর দোষ কাটাতে গণেশ পুজো সেরা প্রতিকার।
  • কালো ও সাদা তিল দান: বুধ বা শনিবার অসচ্ছল ব্যক্তিদের কালো ও সাদা তিল, কম্বল বা অন্ন দান করা অত্যন্ত শুভ।
  • কেতু বীজ মন্ত্র জপ: প্রতিদিন সন্ধ্যার পর অন্তত ১০৮ বার 'ওঁ কেতবে নমঃ' মন্ত্র জপ করলে ব্যবসায়িক ও মানসিক বাধা দ্রুত কেটে যায়।

আশ্লেষা নক্ষত্রে কেতুর এই মহা সঞ্চার কর্কট, সিংহ, তুলা ও বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য অর্থ, গাড়ি-বাড়ি লাভ ও কেরিয়ারে বিপুল প্রগতির এক ঐতিহাসিক সুযোগ নিয়ে এসেছে। সঠিক কর্মপরিকল্পনা ও ইতিবাচক চিন্তার সাথে এগিয়ে চললে এই সময়টিতে জীবনে চিরস্থায়ী সুখ ও সমৃদ্ধি সুনিশ্চিত।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks