রাত পোহালেই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো ২০২৬। শারদ পূর্ণিমার তিথিতে হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। এই পূর্ণিমার তিথি কখন থেকে পড়ছে, তা নিয়ে রয়েছে বহু কৌতূহল। এই তিথি মূলত, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সালে রবিবার পড়ছে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর তিথির সঙ্গেই দেখে নেওয়া যাক, পুজোর ফর্দ সহ নানান জরুরি বিষয়।

গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা বলছে, বাংলা, ৭ কার্তিক, রবিবার সেই দিন কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর তিথি শুরু হবে। দিনচি ইংরেজি, ২৫ অক্টোবর। তিথি শুরুর সময়কাল, সকাল ১০টা ৫৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ড থেকে। পূর্ণিমা তিথি শেষ হবে, বাংলা, ৮ কার্তিক, সোমবার। এই তিথি ইংরেজি মতে পড়ছে ২৬ অক্টোবর, সোমবার। তিথি শেষের সকাল ৯টা ৪৮ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড।
অন্যদিকে, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে, ২০২৬ সালের কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে ৮ কার্তিক, রবিবার পড়ছে। ওই দিনটি, ইংরেজি– ২৫ অক্টোবর পড়ছে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে কোজাগরী পূর্ণিমার তিথি রবিবার, ২৫ অক্টোবর, সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে শুরু হয়ে যাবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পূর্ণিমা তিথি শেষ হবে, বাংলা ক্যালেন্ডারের ৯ কার্তিক, সোমবার। ইংরেজি মতে দিনটি, ৬ অক্টোবর, সোমবার পড়ছে। সোমবার তিথি শেষ হবে,সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে।
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর ফর্দ-
১. ঘট ও বরণের সামগ্রী-
• মাটির বা তামার ঘট: ১টি
{{/usCountry}}• মাটির বা তামার ঘট: ১টি
{{/usCountry}}• কুন্ড হাড়ি বা একসরা: ১টি
• ধান ও মাটি: ঘট স্থাপনের জন্য
• পল্লব: ৫টি পাতাযুক্ত আম্রপল্লব (আম পাতা)
• ডাব বা নারকেল: ঘটের ওপরে বসানোর জন্য ১টি (সিঁদুর মাখানো)
• নতুন গামছা: ঘটের ওপর দেওয়ার জন্য ১টি
• সিঁদুর: ১ কৌটো
• তিল ও হরিতকী: পূজা ও সংকল্পের জন্য
২. পূজার মূল উপকরণ-
• মা লক্ষ্মীর প্রতিমা বা চিত্রপট: ১টি (ধানের শিস ও চাঁদমালা যুক্ত)
• চাঁদমালা: ১টি
• ধানের শিস: দেবীর চরণে দেওয়ার জন্য
• কড়ি ও মুদ্রা (কয়েন): মা লক্ষ্মীর অত্যন্ত প্রিয়
• আসনাঙ্গুরীয়ক: ৩টি (পূজার আসনের প্রতীক)
• মধুপর্কের বাটি: ৩টি (দই, মধু, চিনি ও ঘি মিশ্রিত পাত্র)
• পঞ্চগব্য: দই, মধু, গব্যঘৃত (ঘি), চিনি ও গোময়
• আতপ চাল: ঘট ও নৈবেদ্যের জন্য
৩. ফুল ও সুগন্ধি-
• পদ্ম ফুল: মা লক্ষ্মীর চরণে দেওয়ার জন্য অন্তত ১টি (গোলাপি বা সাদা পদ্ম শ্রেষ্ঠ)
• অন্যান্য ফুল ও মালা: গাঁদা, গোলাপ বা রজনীগন্ধার ফুল ও মালা
• বিল্বপত্র (বেল পাতা) ও তুলসী পাতা: পূজার জন্য
• দুর্বা ঘাস: পূজার অপরিহার্য অঙ্গ
• ধূপকাঠি ও কর্পূর: সুগন্ধির জন্য
• প্রদীপ ও সলতে: আরতি ও আলোর জন্য (ঘি বা সরষের তেল)
৪. নৈবেদ্য ও প্রসাদ-
• ফলমূল: কলা (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ), আপেল, নাশপাতি, শসা, আখ ইত্যাদি ৫ রকমের ফল
• মিষ্টান্ন: নাড়ু (তিল ও নারকেলের), মোয়া (খই বা চিড়ের), বাতাসা ও লড্ডু
• খই ও চিড়ে: মা লক্ষ্মীর বিশেষ উপাচার
• পান ও সুপারি: জোড়া পান ও আস্ত সুপারি
৫. অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র
• আলপনা দেওয়ার গুঁড়ো বা খড়িমাটি: লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ আঁকার জন্য
• লক্ষ্মীর পাঁচালী বই: পূজার শেষে ব্রতকথা পাঠ করার জন্য
• আসন: বসার জন্য কুশাসন বা কম্বল।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )