...
...
Next Story

Kojagori Lokkhi Puja 2026: কোজাগরী ২০২৬ লক্ষ্মীপুজোর শুভ সময় কখন, কবে, ক’টা থেকে পূর্ণিমা পড়ছে? রইল পুজোর ফর্দ

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষ্যে কী কী কিনতে হবে, তার ফর্দ রইল।

Published on: Oct 24, 2026, 16:01:02 IST
Advertisement

রাত পোহালেই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো ২০২৬। শারদ পূর্ণিমার তিথিতে হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। এই পূর্ণিমার তিথি কখন থেকে পড়ছে, তা নিয়ে রয়েছে বহু কৌতূহল। এই তিথি মূলত, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সালে রবিবার পড়ছে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর তিথির সঙ্গেই দেখে নেওয়া যাক, পুজোর ফর্দ সহ নানান জরুরি বিষয়।

কোজাগরী ২০২৬ লক্ষ্মীপুজোর শুভ সময় কখন, কবে, ক’টা থেকে পূর্ণিমা পড়ছে?। (ছবিটি প্রতীকী)
কোজাগরী ২০২৬ লক্ষ্মীপুজোর শুভ সময় কখন, কবে, ক’টা থেকে পূর্ণিমা পড়ছে?। (ছবিটি প্রতীকী)

গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা বলছে, বাংলা, ৭ কার্তিক, রবিবার সেই দিন কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর তিথি শুরু হবে। দিনচি ইংরেজি, ২৫ অক্টোবর। তিথি শুরুর সময়কাল, সকাল ১০টা ৫৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ড থেকে। পূর্ণিমা তিথি শেষ হবে, বাংলা, ৮ কার্তিক, সোমবার। এই তিথি ইংরেজি মতে পড়ছে ২৬ অক্টোবর, সোমবার। তিথি শেষের সকাল ৯টা ৪৮ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড।

অন্যদিকে, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে, ২০২৬ সালের কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে ৮ কার্তিক, রবিবার পড়ছে। ওই দিনটি, ইংরেজি– ২৫ অক্টোবর পড়ছে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে কোজাগরী পূর্ণিমার তিথি রবিবার, ২৫ অক্টোবর, সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে শুরু হয়ে যাবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পূর্ণিমা তিথি শেষ হবে, বাংলা ক্যালেন্ডারের ৯ কার্তিক, সোমবার। ইংরেজি মতে দিনটি, ৬ অক্টোবর, সোমবার পড়ছে। সোমবার তিথি শেষ হবে,সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে।

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর ফর্দ-

১. ঘট ও বরণের সামগ্রী-

• কুন্ড হাড়ি বা একসরা: ১টি

• ধান ও মাটি: ঘট স্থাপনের জন্য

• পল্লব: ৫টি পাতাযুক্ত আম্রপল্লব (আম পাতা)

• ডাব বা নারকেল: ঘটের ওপরে বসানোর জন্য ১টি (সিঁদুর মাখানো)

• নতুন গামছা: ঘটের ওপর দেওয়ার জন্য ১টি

• সিঁদুর: ১ কৌটো

• তিল ও হরিতকী: পূজা ও সংকল্পের জন্য

২. পূজার মূল উপকরণ-

• মা লক্ষ্মীর প্রতিমা বা চিত্রপট: ১টি (ধানের শিস ও চাঁদমালা যুক্ত)

• চাঁদমালা: ১টি

• ধানের শিস: দেবীর চরণে দেওয়ার জন্য

• কড়ি ও মুদ্রা (কয়েন): মা লক্ষ্মীর অত্যন্ত প্রিয়

• আসনাঙ্গুরীয়ক: ৩টি (পূজার আসনের প্রতীক)

• মধুপর্কের বাটি: ৩টি (দই, মধু, চিনি ও ঘি মিশ্রিত পাত্র)

• পঞ্চগব্য: দই, মধু, গব্যঘৃত (ঘি), চিনি ও গোময়

• আতপ চাল: ঘট ও নৈবেদ্যের জন্য

৩. ফুল ও সুগন্ধি-

• পদ্ম ফুল: মা লক্ষ্মীর চরণে দেওয়ার জন্য অন্তত ১টি (গোলাপি বা সাদা পদ্ম শ্রেষ্ঠ)

• অন্যান্য ফুল ও মালা: গাঁদা, গোলাপ বা রজনীগন্ধার ফুল ও মালা

• বিল্বপত্র (বেল পাতা) ও তুলসী পাতা: পূজার জন্য

• দুর্বা ঘাস: পূজার অপরিহার্য অঙ্গ

• ধূপকাঠি ও কর্পূর: সুগন্ধির জন্য

• প্রদীপ ও সলতে: আরতি ও আলোর জন্য (ঘি বা সরষের তেল)

৪. নৈবেদ্য ও প্রসাদ-

• ফলমূল: কলা (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ), আপেল, নাশপাতি, শসা, আখ ইত্যাদি ৫ রকমের ফল

• মিষ্টান্ন: নাড়ু (তিল ও নারকেলের), মোয়া (খই বা চিড়ের), বাতাসা ও লড্ডু

• খই ও চিড়ে: মা লক্ষ্মীর বিশেষ উপাচার

• পান ও সুপারি: জোড়া পান ও আস্ত সুপারি

৫. অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র

• আলপনা দেওয়ার গুঁড়ো বা খড়িমাটি: লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ আঁকার জন্য

• লক্ষ্মীর পাঁচালী বই: পূজার শেষে ব্রতকথা পাঠ করার জন্য

• আসন: বসার জন্য কুশাসন বা কম্বল।

(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks