...
...
Next Story

Navaratri 2026: নবরাত্রিতে নবদুর্গা আরাধনায় ৯ দিনের কোন দিন দেবীর কোন রূপের পুজো করা হয়?

নবরাত্রির প্রথম দিনে দেবী শৈলপুত্রী পূজিত হন। বাকি দিনগুলোতে কোন রূপে দেবীকে পুজো করা হয়, দেখে নিন।

Published on: Oct 11, 2026, 17:01:05 IST
Advertisement

শুরু হয়েছে নবরাত্রির পবিত্র সময়কাল। নবরাত্রির ৯ দিনে দেবীর আরাধনা করা হয় ৯ দিন ধরে। ৯ দিনের এই সময়কালে নবদুর্গাকে পুজো করা হয়। উল্লেখ্য, বাংলার নানান প্রান্তে যখন ষষ্ঠীর বোধনের মধ্য দিয়ে দেবীকে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় পুজো। মূলত, সপ্তমীর দিনে নয় ধরনের গাছকে ৯ দেবীর রূপ হিসাবে কল্পনা করে নবপত্রিকার পুজো করা হয়। এদিকে, ভারতের বহু জায়গায় দেবীপক্ষের প্রথম ৯ দিনে দেবীর ৯ রূপের পুজো করা হয় নবরাত্রিতে। নবরাত্রির এই ৯ দিনে দোবীর কোন ৯ রূপের পুজো হয়, তা দেখে নিন।

নবরাত্রিতে নবদুর্গা আরাধনায় ৯ দিনের কোন দিন দেবীর কোন রূপের পুজো করা হয়?
নবরাত্রিতে নবদুর্গা আরাধনায় ৯ দিনের কোন দিন দেবীর কোন রূপের পুজো করা হয়?

নবরাত্রির প্রথম দিনে দেবী শৈলপুত্রী পূজিত হন। তিনি হিমালয়ের কন্যা এবং প্রকৃতির প্রতীক। তার পূজা সাহস ও শক্তির প্রতীক। দ্বিতীয় দিনে দেবী ব্রহ্মচারিণীর আরাধনা করা হয়। তিনি জ্ঞান, তপস্যা এবং ত্যাগকে বোঝান। তার পূজা জীবনের সমস্ত বাধা অতিক্রম করার শক্তি যোগায়। তৃতীয় দিনে দেবী চন্দ্রঘন্টার পূজা করা হয়। তিনি শান্তি, সমৃদ্ধি এবং নির্ভীকতার প্রতীক। বিশ্বাস করা হয় যে তার পূজা জীবনের সমস্ত ভয় দূর করে। চতুর্থ দিনে দেবী কুষ্মাণ্ডার পূজা করা হয়। তিনি মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা এবং রোগ-শোক দূর করেন। তার পূজা স্বাস্থ্য এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। পঞ্চম দিনে দেবী স্কন্দমাতার পূজা করা হয়। তিনি মাতৃত্ব এবং ভালোবাসার প্রতীক। তার পূজা সন্তানের মঙ্গল এবং পারিবারিক সুখ নিশ্চিত করে। ষষ্ঠ দিনে দেবী কাত্যায়নীর পূজা করা হয়। তিনি সাহস এবং ন্যায়ের প্রতীক। তার পূজা সমস্ত অশুভ শক্তি থেকে রক্ষা করে। সপ্তম দিনে দেবী কালরাত্রির পূজা করা হয়। তিনি সমস্ত অশুভ শক্তি ও অন্ধকার দূর করেন। তার পূজা ভয় দূর করে এবং সাহস জোগায়। অষ্টম দিনে দেবী মহাগৌরীর আরাধনা করা হয়। তিনি পবিত্রতা, সৌন্দর্য এবং শান্তির প্রতীক। তার পূজা জীবনের সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি দেয়। নবরাত্রির নবম দিনে দেবী সিদ্ধিদাত্রীর পূজা করা হয়। তিনি সিদ্ধি ও মোক্ষ প্রদানকারী। বিশ্বাস করা হয় যে তার পূজা করলে ভক্তরা সমস্ত ধরনের সিদ্ধি লাভ করে।

নবপত্রিকা মূলত নয়টি ভিন্ন উদ্ভিদ ও পাতার সমাহার। সপ্তমীর দিনে এই ৯ ধরনের গাছকে পুজো করা হয় দেবীরূপে।

রম্ভা বা কলাগাছ (প্রতীক: দেবী ব্রাহ্মণী)।

কচু (প্রতীক: দেবী কালিকা)।

হরিদ্রা বা হলুদ (প্রতীক: দেবী দুর্গা)।

জয়ন্তী (প্রতীক: দেবী কার্তিকী)।

বিল্ব বা বেল (প্রতীক: দেবী শিবা)।

দাড়িম্ব বা ডালিম (প্রতীক: দেবী রক্তদান্তিকা)।

অশোক (প্রতীক: দেবী শোকরহিতা)।

মানকচু (প্রতীক: দেবী চামুণ্ডা)।

ধান (প্রতীক: দেবী লক্ষ্মী।

(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks