আর কিছুদিন পরই শুরু হতে চলেছে নতুন বছর। পুরনো বছরের সমস্ত গ্লানি কাটিয়ে নতুন বছরের আনন্দে ভাসতে দেখা যাবে সকলকে। নতুন বছরে যদি জীবনকে সঠিকভাবে চালনা করতে চান তাহলে কিছু বাস্তু নিয়ম মেনে চলতে হবে আপনাকে। অনেক সময় বাস্তু দোষেও জীবন ছারখার হয়ে যেতে পারে।
এক নজরে দেখে নিন কোন কোন বাস্তু নিয়ম মানতে হবে

বাড়ির পুজোর জায়গা: বাড়িতে যে স্থানটি পুজোর জন্য ধার্য করা হয় সেটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং সুন্দর করে রাখা উচিত। শান্ত পরিবেশ না থাকলে পুজো করা যায় না। আপনার বাড়ির পুজোর ঘর কখনও যেন রান্না ঘরের পাশে না থাকে। এতে বাস্তু দোষ তৈরি হতে পারে।
রান্নাঘর এবং বাথরুম: বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী রান্নাঘর এবং বাথরুম দুটোই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। এই জায়গা গুলি যদি নোংরা থাকে তাহলে শনি এবং রাহুর নেতিবাচক প্রভাব আপনার জীবনে পড়বে। এটি শুধুমাত্র মানসিক চাপ বাড়াবে তা নয়, আপনার সাফল্যে বাধার সৃষ্টি করবে। এছাড়া রান্নাঘরে বেসিন এবং গ্যাস সামনাসামনি রাখবেন না তাতে নেতিবাচক শক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ঝাড়ু দেওয়ার সঠিক সময়: ঘর পরিষ্কার সবসময় করতে হয় সকালে। অনেকেই সন্ধ্যের পর বাড়ি পরিষ্কার করেন কিন্তু এটা করা একেবারেই উচিত নয়। এতে দেবী লক্ষী ক্রুদ্ধ হতে পারেন এবং ঘরে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে।
প্রধান দরজা: বাড়িতে মূল দরজার কাছে কখনওই জুতোর র্যাক রাখবেন না। প্রধান দরজায় পারলে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি বা মূর্তি রাখবেন এটি শুভ বলে বিবেচনা করা হয়। এই কাজ করলে বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি প্রবেশ করতে পারেনা এবং ইতিবাচক শক্তির বিস্তার ঘটে।
{{/usCountry}}প্রধান দরজা: বাড়িতে মূল দরজার কাছে কখনওই জুতোর র্যাক রাখবেন না। প্রধান দরজায় পারলে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি বা মূর্তি রাখবেন এটি শুভ বলে বিবেচনা করা হয়। এই কাজ করলে বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি প্রবেশ করতে পারেনা এবং ইতিবাচক শক্তির বিস্তার ঘটে।
{{/usCountry}}নতুন বছর শুরু হওয়ার আগে এই সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চলুন তাহলেই দেখবেন আপনার জীবন হয়ে উঠবে আনন্দময়।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )