এপ্রিল পড়তেই অপেক্ষা শুরু হয় বাংলা নববর্ষের। আর নববর্ষের আগেই চৈত্রে থাকে নীলষষ্ঠী পুজোর তিথি। এমন দিনে, সন্তানের মঙ্গলের কামনায়, নীল ষষ্ঠী পুজোর ব্রত রাখেন বাংলার মায়েরা। ঘরে ঘরে চৈত্রের প্রবল দাবদাহের মধ্যে নির্জলা উপবাস রাখেন মায়েরা। সন্তান সারা জীবন যাতে দুধে ভাতে থাকে, তার প্রার্থনাতেই এই পুজো পালিত হয়।

বিভিন্ন আচার, রীতি পালন করে এই নীল ষষ্ঠীর পুজো করা হয়। নীল ষষ্ঠী পুজো ২০২৬ সালে ১২ এপ্রিল তারিখে। উর্বরা শক্তির দেবী হিসাবে মা ষষ্ঠী দেবীকে পুজো করা হয়। এভাবেই অশোক ষষ্ঠী ও নীল ষষ্ঠীকে পালন করা হয়। তবে নীল ষষ্ঠীতে অবশ্য পূজিত হন দেবাদিদেব মহাদেব। নীল ষষ্ঠীর দিনে পুজো করা হয় মহাদেবের।
চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় নীল ষষ্ঠী। তারপর দিনই বাংলা বৈশাখকে স্বাগত জানায়। পালিত হয় পয়লা বৈশাখ। পুরাণ অনুসারে নীল ষষ্ঠীর দিনেই মহাদেবের সঙ্গে নীল চণ্ডিকা বা নীলাবতীর বিয়ে হয়েছিল। মহাদেব নিজে নীলকণ্ঠ, আর তাঁর সঙ্গে এ দিন নীল চণ্ডিকা বা নীলাবতীর বিবাহ হয়। দেবী পার্বতীই আসলে এই নীলাবতি। এই নীল ষষ্ঠীর পুজোকে গ্রাম বাংলার বহু এলাকায় নীল পুজো বলা হয়। বহু জায়গায় চড়কের পুজো হয়। চড়ক উপলক্ষ্যে বসে বহু মেলা। বহু জায়গায় গাজন দেখা যায়। আবার চড়কের মেলায় নানান রকমের কসরত করা হয়। নীল ষষ্ঠী, চৈত্র সংক্রান্তি ও গাজন শিব-দুর্গার বিয়ের উত্সব হিসেবে পালিত হয় আমাদের রাজ্যের অনেক জায়গায়। তাক লাগানো ঝুঁকিপূর্ণ সেই সব কসরত দেখতে মানুষের ভিড় হয়। এই ভাবে বৈশাখ আসার আগে, চৈত্রের শেষ লগ্নে এই বিশেষ নীল ষষ্ঠীর পুজো করা হয়।
( এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।)
{{/usCountry}}( এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।)
{{/usCountry}}