প্রত্যেকেই চায় যে তাঁর করা উপাসনায় কোনও ত্রুটি না থাকে। এমতাবস্থায় মানুষ আচার-অনুষ্ঠান অনুযায়ী পুজোর সময় নিজের মতো করে সবকিছু করতে চায়। প্রত্যেকেই চান যে কোনও কিছুতে কোনও ত্রুটি না থাকে যাতে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন, তবে আপনার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন এসেছে যে ঈশ্বর আমাদের উপর সন্তুষ্ট কিনা তা আমরা কীভাবে জানব? বৃন্দাবনের প্রখ্যাত সন্ন্যাসী প্রেমানন্দ মহারাজ তাঁর একটি বচনে এই বিষয়ে কথা বলেছেন।
কীভাবে জানব যে ঈশ্বর সন্তুষ্ট বা রুষ্ট?

প্রেমানন্দ মহারাজ বলেন, আমাদের মন ভাল কাজে নিয়োজিত হতে শুরু করে যখন আমরা সাধুদের ভালবাসতে শুরু করি। যখন শাস্ত্রের কথাগুলো আমাদের কাছে বিশ্বস্ত সত্যে পরিনত হয়, তখন আমরা ঈশ্বরকে অনুভব করি। যখন আমরা পশু ও পাখিদের মধ্যে ঈশ্বরের অনুভূতি অনুভব করতে শুরু করি, তখন ঈশ্বর আমাদের উপর সন্তুষ্ট হন। তাঁর কথায়, যখন এর বিপরীত আচরণ ঘটতে শুরু করে, তখন আমাদের বুদ্ধি এখন দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েছে। মনে হচ্ছিল যে এখন যা ঘটবে তা খুব অশুভ হবে কারণ বিপরীত বুদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যখন তাঁর আদেশ পালন করি তখনই ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন। তাদের সুখ এই সত্যে নিহিত যে আমরা শাস্ত্র সম্পর্কে জানি। আমরা যদি নিজেরা করতে না পারি, তাহলে সাধু-সন্ন্যাসীদের কাছ থেকে আমরা এই বিষয়গুলি জানতে পারি। আল্লাহ তখনই সন্তুষ্ট হবেন যখন আমরা তাঁর আদেশ পালন করব। আমরা যদি তাঁর আদেশ অনুসরণ না করি এবং বিপরীত কাজ করি, তবে তিনি আমাদের উপর সন্তুষ্ট হন না। ঈশ্বরের সন্তুষ্টি আমাদেরকে ঈশ্বরের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, শাস্ত্রে শিক্ষা দেয় এবং অনৈতিক আচরণ থেকে আমাদের রক্ষা করে।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
{{/usCountry}}পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
{{/usCountry}}