রথযাত্রা ২০২৬ চলতি বছরে জুলাই মাসের মাঝামাঝি পড়েছে। প্রতিবছরই নির্দিষ্ট তিথি মেনে শ্রীজগন্নাথদেব, সুভদ্রাদেবী, বলভদ্রের রথযাত্রা হয়। প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এই বিশেষ তিথিতে ওড়িশার পুরীতে নিজ মন্দির থেকে মাসির বাড়ি (গুন্ডিচা) মন্দিরে পৌঁছন জগন্নাথদেব। এই তিথি মেনেই প্রতিবছর রথযাত্রা পালিত হয়।
দ্বিতীয়া তিথি ১৬ জুলাই ১ টা ২৪ মিনিট থেকে শুরু হবে। দ্বিতীয়া তিথি ১৭ জুলাই ১১ টা ১৯ মিনিটে শেষ হবে। ২০২৬ সালের ১৬ই জুলাই, শুক্রবার, ওড়িশার পুরীতে পূজনীয় রথযাত্রা উদযাপিত হবে। গভীর ভক্তি ও আধ্যাত্মিক উদ্দীপনায় পূর্ণ এই মহা বার্ষিক উৎসবটি প্রচলিত হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়। আরও একটি মত বলছে, দ্বিতীয়া তিথি ১৫ জুলাই ২০২৬ সালে সকাল ৮ টা ২০ মিনিট থেকে শুরু হবে। পরের দিন ১৬ জুলাই ৫ টা ২২ মিনিটে শেষ হবে।
উল্লেখ্য, শ্রীজগন্নাথদেবের স্নান পূর্ণিমা পড়ছে, ২৮ জুন, ২০২৬ সালে। এরপর অনবসরা ২৯ জুন, ২০২৬ সালে রয়েছে। পুরীতে গুন্ডিচা মার্জনা ১৫ জুলাই রয়েছে। পরের দিন ১৬ জুলাই ২০২৬ রথযাত্রা হবে। হেরা পঞ্চমী ২০ জুলাই, ২০২৬ হবে। বহুদা যাত্রা ২৪ জুলাই, ২০২৬ সালে হবে। সুনা বেশ, ২৫ জুলাই ২০২৬ সালে হবে। অধরা বেশ ২৬ জুলাই, ২০২৬ সালে। নীলাদ্রি বীজে ২৭ জুলাই হবে ২০২৬ সালে।
কথিত আছে যে পুরী জগন্নাথ মন্দির নির্মাণকারী কিংবদন্তি রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন এর স্ত্রী রানী গুন্ডিচা-এর ভক্তিকে সম্মান জানাতে, ভগবান জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রা মূল মন্দিরে তাদের নিয়মিত আবাস ছেড়ে দেন এবং তাদের সম্মানে গুন্ডিচা দ্বারা নির্মিত এই মন্দিরে কিছু দিন কাটান। সেই থেকেই পুরীর রথযাত্রার শুরু। দশকের পর দশক ধরে এই রীতি চলছে। গোটা দেশেও এই রথযাত্রা ঘিরে বিশেষ আয়োজন করা হয়।
{{/usCountry}}কথিত আছে যে পুরী জগন্নাথ মন্দির নির্মাণকারী কিংবদন্তি রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন এর স্ত্রী রানী গুন্ডিচা-এর ভক্তিকে সম্মান জানাতে, ভগবান জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রা মূল মন্দিরে তাদের নিয়মিত আবাস ছেড়ে দেন এবং তাদের সম্মানে গুন্ডিচা দ্বারা নির্মিত এই মন্দিরে কিছু দিন কাটান। সেই থেকেই পুরীর রথযাত্রার শুরু। দশকের পর দশক ধরে এই রীতি চলছে। গোটা দেশেও এই রথযাত্রা ঘিরে বিশেষ আয়োজন করা হয়।
{{/usCountry}}(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )