...
...
Next Story

জীবন থেকে সমস্যা কমছেই না? মনে হচ্ছে শনিঠাকুর রুষ্ট আপনার উপরে? তাহলে এই কাজগুলি শনিবারে করুন

জ্যোতিষশাস্ত্রে শনি দেবকে ন্যায়ের দেবতা বলা হয়। তিনি মানুষের ভালো ও মন্দ কর্ম অনুযায়ী ফল প্রদান করেন। যখনই শনি গ্রহ অশুভ অবস্থানে থাকে, তখন জাতকের কাজে বাধা, অকারণ কলহ, শরীর খারাপ এবং অর্থকষ্ট দেখা দেয়।

Published on: Feb 21, 2026 12:59 PM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

হিন্দু ধর্মে শনি দেবকে বলা হয় 'কর্মফল দাতা'। তিনি যেমন কঠোর দণ্ডদাতা, তেমনই সন্তুষ্ট হলে রাজকীয় সুখ প্রদানকারী। বর্তমানে ২০২৬ সালের জ্যোতিষ গণনা অনুযায়ী, শনি দেবের সাড়েসাতি এবং ধাইয়ার প্রভাবে অনেক রাশির জাতকই মানসিক ও আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

জীবন থেকে সমস্যা কমছেই না? মনে হচ্ছে শনিঠাকুর রুষ্ট আপনার উপরে? তাহলে এই কাজগুলি শনিবারে করুন
জীবন থেকে সমস্যা কমছেই না? মনে হচ্ছে শনিঠাকুর রুষ্ট আপনার উপরে? তাহলে এই কাজগুলি শনিবারে করুন

বিশেষ করে আজ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবারের এই বিশেষ তিথিতে শনি দেবের কুপ্রভাব থেকে মুক্তি পেতে এবং জীবনে সৌভাগ্য ফিরিয়ে আনতে কিছু অব্যর্থ টোটকা বা উপায়ের কথা বলা হয়েছে। জানুন শনি দেবকে তুষ্ট করার ৫টি সহজ উপায়!

জ্যোতিষশাস্ত্রে শনি দেবকে ন্যায়ের দেবতা বলা হয়। তিনি মানুষের ভালো ও মন্দ কর্ম অনুযায়ী ফল প্রদান করেন। যখনই শনি গ্রহ অশুভ অবস্থানে থাকে, তখন জাতকের কাজে বাধা, অকারণ কলহ, শরীর খারাপ এবং অর্থকষ্ট দেখা দেয়। অমর উজালা-র বিশেষ প্রতিবেদনে শনি দেবের আশীর্বাদ পাওয়ার এবং 'শনি দোষ' কাটানোর কিছু বিশেষ জ্যোতিষ টিপস শেয়ার করা হয়েছে যা আজকের দিনের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

১. সর্ষের তেলের প্রদীপ ও অশ্বত্থ গাছ

শনিবার সন্ধ্যায় কোনো অশ্বত্থ গাছের নিচে সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। কথিত আছে, অশ্বত্থ গাছে সব দেব-দেবীর বাস, তাই এই প্রদীপ শনি দেবের কোপ শান্ত করতে সাহায্য করে। প্রদীপ জ্বালানোর সময় মনে মনে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন এবং শনি মন্ত্র জপ করুন।

শনির প্রিয় বস্তু হলো কালো রং। তাই আজকের দিনে অভাবী বা কুষ্ঠ রোগীদের কালো তিল, কালো কম্বল, ছাতা বা সর্ষের তেল দান করুন। দান করার সময় অহংকার বর্জন করা জরুরি। আপনার দান করা বস্তু যদি কোনো আর্ত মানুষের উপকারে লাগে, তবে শনি দেব দ্রুত আপনার ওপর প্রসন্ন হবেন।

৩. বজরংবলীর আরাধনা

শাস্ত্রে বলা হয়েছে, যারা নিয়মিত হনুমান চালিশা পাঠ করেন এবং বজরংবলীর উপাসনা করেন, তাঁদের ওপর শনির অশুভ দৃষ্টি পড়ে না। আজকের এই শনিবারে হনুমান মন্দিরে গিয়ে সিঁদুর অর্পণ করুন এবং হনুমান চালিশা পাঠ করুন। এটি সাড়েসাতির প্রকোপ অনেকটা কমিয়ে দেয়।

৪. প্রাণীদের সেবা করা

শনি দেব পশু-পাখিদের সেবা করলে অত্যন্ত খুশি হন। শনিবার কালো কুকুরকে তেল মাখানো রুটি খাওয়ান। এছাড়াও পিঁপড়েকে ময়দা বা মিষ্টি দেওয়া এবং কালো গরুকে সেবা করা শনি দোষ মুক্তির অমোঘ উপায়। এই ছোট ছোট কাজগুলো আপনার জন্মকুণ্ডলীতে শনির অবস্থান মজবুত করে।

৫. শনি মন্ত্রের শক্তি

আজকের দিনে অন্তত ১০৮ বার 'ওঁ শং শনৈশ্চরায় নমঃ' (Om Sham Shanaishcharaya Namah) মন্ত্রটি জপ করুন। মন্ত্র জপের ফলে মনে এক ধরণের ইতিবাচক কম্পন সৃষ্টি হয় যা আপনার মানসিক অস্থিরতা কমিয়ে কাজে মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।

কর্মই আসল ধর্ম

শনি দেব কেবল আচারে সন্তুষ্ট হন না, তিনি মানুষকে সৎ পথে চলতে শেখান। যারা কঠোর পরিশ্রমী, সত্যবাদী এবং অসহায় মানুষের সাহায্যকারী, শনি দেব সবসময় তাঁদের সহায় হন। তাই আচারের পাশাপাশি নিজের কর্মের শুদ্ধতা বজায় রাখাও একান্ত প্রয়োজন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe