...
...
Next Story

শনির মহাদশায় বুধ ও শুক্রের অন্তর্দশা! ২০২৬ সালে কি আপনার ভাগ্যে রাজযোগ রয়েছে? জানুন কেরিয়ার ও অর্থ লাভের সংকেত

শনির সাথে বুধ এবং শুক্রের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। তাই শনির মহাদশা চলাকালীন যখন এই দুই গ্রহের অন্তর্দশা আসে, তখন ব্যক্তি তাঁর কঠোর পরিশ্রমের পূর্ণ ফল পেতে শুরু করেন। এই সময়ে এসে কারা শুভ ফল পাবেন, জেনে নিন।

Published on: Apr 8, 2026, 14:10:27 IST
Advertisement

জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিকে কর্মফল দাতা এবং ন্যায়ের দেবতা হিসেবে গণ্য করা হয়। যখন কারো কুণ্ডলীতে শনির মহাদশা চলে, তখন তার জীবন আমূল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। তবে শনির এই দীর্ঘ ১৯ বছরের মহাদশায় যদি বুধ বা শুক্রের অন্তর্দশা শুরু হয়, তবে তা ব্যক্তির ক্যারিয়ার এবং অর্থভাগ্যে অভাবনীয় মোড় নিয়ে আসতে পারে। শনির মহাদশায় বুধ ও শুক্রের অন্তর্দশার প্রভাবে ২০২৬ সালে অনেক রাশির জাতক রাজকীয় সুখের অধিকারী হতে পারেন।

শনির মহাদশায় বুধ ও শুক্রের অন্তর্দশা! ২০২৬ সালে কি আপনার ভাগ্যে রাজযোগ রয়েছে?
শনির মহাদশায় বুধ ও শুক্রের অন্তর্দশা! ২০২৬ সালে কি আপনার ভাগ্যে রাজযোগ রয়েছে?

জ্যোতিষ গণনা অনুযায়ী, শনি গ্রহ যেমন মানুষকে পরিশ্রমী করে তোলে, তেমনই বুধ বুদ্ধি এবং শুক্র বিলাসিতার কারক। শনির সাথে বুধ এবং শুক্রের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। তাই শনির মহাদশা চলাকালীন যখন এই দুই গ্রহের অন্তর্দশা আসে, তখন ব্যক্তি তাঁর কঠোর পরিশ্রমের পূর্ণ ফল পেতে শুরু করেন। বিশেষ করে ২০২৬ সালে গ্রহের অবস্থানগত কারণে এই যোগ অনেকের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে।

শনির মহাদশা ও বুধের অন্তর্দশা: বুদ্ধির প্রয়োগে সাফল্য

শনির মহাদশায় যখন বুধের অন্তর্দশা চলে (যা প্রায় ২ বছর ৮ মাস স্থায়ী হয়), তখন জাতকের বুদ্ধিবৃত্তি অত্যন্ত প্রখর হয়ে ওঠে।

  • ব্যবসায়িক উন্নতি: যারা ব্যবসা করছেন, তাদের জন্য এই সময়টি নতুন বিনিয়োগ এবং প্রসারের জন্য শ্রেষ্ঠ। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আপনাকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখবে।
  • যোগাযোগ ও শিক্ষা: লেখক, সাংবাদিক, আইনজীবী এবং শিক্ষকদের জন্য এই সময়টি স্বর্ণালি। আপনার বাচনভঙ্গি এবং লেখনী অন্যদের প্রভাবিত করবে।
  • আর্থিক লাভ: এই সময়ে আটকে থাকা টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং আয়ের নতুন উৎস তৈরি হয়।

শনির মহাদশা ও শুক্রের অন্তর্দশা: রাজকীয় জীবন ও প্রতিপত্তি

জ্যোতিষীয় বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যাদের জন্মছকে শনি তুঙ্গস্থ বা শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং লগ্ন অনুযায়ী বুধ বা শুক্র শুভ কারক গ্রহ, তারা এই সময় সবথেকে বেশি সুফল পাবেন। বিশেষ করে বৃষ, তুলা, মকর এবং কুম্ভ রাশির জাতকদের জন্য এই অন্তর্দশাগুলো ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে।

অশুভ প্রভাব কাটাতে কী করবেন?

যদি শনি বা অন্তর্দশার গ্রহগুলো কুণ্ডলীতে দুর্বল থাকে, তবে কিছু প্রতিকার করা জরুরি:

  • শনি ও বুধের উপাসনা: প্রতি শনিবার শনি মন্দিরে প্রদীপ জ্বালান এবং বুধবার গরুকে সবুজ ঘাস খাওয়ান।
  • শুক্রের প্রতিকার: প্রতি শুক্রবার মা লক্ষ্মীর পূজা করুন এবং সাদা রঙের মিষ্টি দান করুন।
  • নিষ্ঠা ও সততা: শনি দেবকে খুশি রাখার সবথেকে বড় উপায় হলো কর্মক্ষেত্রে সৎ থাকা এবং পরিশ্রম থেকে পিছপা না হওয়া।

শনির মহাদশা মানেই কেবল কষ্ট নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি এবং প্রাপ্তিরও সময়। বুধ ও শুক্রের অন্তর্দশা সেই প্রাপ্তিকে আরও মধুর করে তোলে। ২০২৬ সালে এই গ্রহ সংযোগ আপনার জীবনের অন্ধকার কাটিয়ে সাফল্যের নতুন আলো নিয়ে আসতে পারে। সঠিক পরিকল্পনা এবং ধৈর্য নিয়ে এগিয়ে চললে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন আগামীর সফল ব্যক্তিত্ব।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe