...
...
Next Story

মীনে শনির মার্গী গমন! এই বছরের শেষে ৪ রাশির বিরাট সুযোগ, হতে পারে বাম্পার অর্থলাভ

বৈদিক পঞ্জিকা ও জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় গণনা অনুযায়ী, শনিদেব তাঁর বক্রি দশা ত্যাগ করে স্বক্ষেত্র মীন রাশিতে (Pisces) মার্গী বা সোজা গতিতে চলতে শুরু করবেন। জ্যোতিষ মতে, শনি মার্গী হওয়ার সাথে সাথেই বিভিন্ন রাশির ওপর থেকে শুভ-অশুভ বাধা কেটে গিয়ে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ শুরু হয়।

Published on: Aug 29, 2026, 12:59:56 IST
Advertisement

বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিদেবকে কর্মফলদাতা, ন্যায় ও বিচারের দেবতা এবং সবচেয়ে ধীরগতি সম্পন্ন গ্রহ হিসেবে মান্য করা হয়। শনিদেবের কৃপা থাকলে একজন সাধারণ মানুষও রাতারাতি উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে যেতে পারেন। জ্যোতিষ শাস্ত্রে শনির বক্রি (উল্টো গতি) এবং মার্গী (সোজা গতি) গমনের গুরুত্ব অপরিসীম।

মীনে শনির মার্গী গমন! এই বছরের শেষে ৪ রাশির বিরাট সুযোগ, হতে পারে বাম্পার টাকা
মীনে শনির মার্গী গমন! এই বছরের শেষে ৪ রাশির বিরাট সুযোগ, হতে পারে বাম্পার টাকা

বৈদিক পঞ্জিকা ও জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় গণনা অনুযায়ী, শনিদেব তাঁর বক্রি দশা ত্যাগ করে স্বক্ষেত্র মীন রাশিতে (Pisces) মার্গী বা সোজা গতিতে চলতে শুরু করবেন। জ্যোতিষ মতে, শনি মার্গী হওয়ার সাথে সাথেই বিভিন্ন রাশির ওপর থেকে শুভ-অশুভ বাধা কেটে গিয়ে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ শুরু হয়। বিশেষ করে মীন রাশিতে শনির মার্গী চলন ৪টি নির্দিষ্ট রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে বন্ধ হয়ে যাওয়া কাজের সুরাহা, দীর্ঘদিনের আটকে থাকা অর্থ উদ্ধার, কর্মক্ষেত্রে বড় পদোন্নতি এবং ব্যবসায় বিপুল লাভের সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে আসতে চলেছে। মীনে শনির মার্গী গতিতে কোন ৪ রাশির ভাগ্যে সোনালী দিন আসবে—জেনে নিন।

১. শনির মার্গী গমনের বৈদিক ও জ্যোতিষীয় গুরুত্ব

জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিদেবের মার্গী হওয়াকে স্থায়িত্ব, শৃঙ্খলা এবং পরিশ্রমের সুফল পাওয়ার সেরা সময় মানা হয়:

  • বাধামুক্তি ও কাজের গতি: শনি বক্রি থাকা অবস্থায় যেসব প্রজেক্ট, ব্যবসায়িক চুক্তি বা চাকরির সুযোগ আটকে থাকে, মার্গী হওয়ার সাথে সাথেই সেগুলো দ্রুত গতিতে সাফল্য পেতে শুরু করে।
  • আর্থিক স্থায়িত্ব ও বিচারবুদ্ধি: শনিদেবের সোজা গতির প্রভাবে মানুষের মনে স্থৈর্য আসে, অপ্রয়োজনীয় খরচ বন্ধ হয় এবং সুচিন্তিত বিনিয়োগ থেকে দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক লাভ অর্জিত হয়।

২. শনির মার্গী গমনে কপাল খুলবে যে ৪ রাশির

খ) ধনু রাশি (Sagittarius): ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য শনির মার্গী গমন চতুর্থ ভাব (সুখ, গৃহ, যানবাহন ও সম্পত্তি) সক্রিয় করবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের জট কেটে গিয়ে নতুন বাড়ি বা পছন্দের গাড়ি কেনার স্বপ্নপূরণ হতে পারে। পারিবারিক ঝামেলার অবসান ঘটবে এবং পিতা-মাতার স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে। চাকরিজীবী জাতকরা বড় কোনো প্রজেক্ট সফলভাবে শেষ করে ইনসেনটিভ বা প্রমোশনের সুবিধা পাবেন।

গ) কর্কট রাশি (Cancer): কর্কট রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য শনিদেব নবম ভাব অর্থাৎ ভাগ্যস্থানে সোজা গতিতে চলবেন। ফলে এতদিন ধরে ভাগ্যের যে সঙ্গ আপনি পাচ্ছিলেন না, তা পুরোপুরি দূর হবে। কাজের সূত্রে লাভজনক দূরবর্তী বা বৈদেশি ভ্রমণের শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে। উচ্চশিক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া প্রার্থীরা সুসংবাদ পেতে পারেন। আটকে থাকা সরকারি কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে।

ঘ) বৃষ রাশি (Taurus): বৃষ রাশির জাতকদের জন্য শনি পরম মিত্র গ্রহ। একাদশ ভাব অর্থাৎ আয় ও লাভের ঘরে শনির মার্গী হওয়া আপনার আর্থিক ভাগ্য রাতারাতি বদলে দেবে। আয়ের একাধিক বিকল্প পথ খুলে যাবে, যা আপনার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স চোখে পড়ার মতো বাড়িয়ে দেবে। শেয়ার বাজার, রিয়েল এস্টেট বা পুরনো সুচিন্তিত বিনিয়োগ থেকে বাম্পার রিটার্ন হাতে আসবে। নতুন ব্যবসায়িক পার্টনারশিপ লাভজনক প্রমাণিত হবে।

৩. শনিদেবের কৃপা ও শুভ ফল বহুগুণ বাড়াতে সহজ জ্যোতিষীয় প্রতিকার

শনির মার্গী গমনের শতভাগ শুভ ফল পেতে এবং শনিদেবের আশীর্বাদ লাভ করতে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চলতে পারেন:

  • শনিবার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন: প্রতি শনিবার অশ্বত্থ (অশ্বত্থ/অশ্বত্থ) গাছের নিচে বা শনি মন্দিরে সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালান এবং কালো তিল নিবেদন করুন।
  • শনি মন্ত্র জপ: প্রতিদিন বা প্রতি শনিবার রাতে ‘ওঁ শং শনৈশ্চরায় নমঃ’ মন্ত্র অন্তত ১০৮ বার জপ করলে মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • দান-ধ্যান: দুঃস্থ, শারীরিক প্রতিবন্ধী বা অনাথ মানুষদের কালো অড়হর ডাল, সর্ষের তেল, ছাতা বা জুতো দান করা শনিদেবের প্রিয় প্রতিকার।

মীন রাশিতে শনিদেবের এই মার্গী গমন মীন, ধনু, কর্কট ও বৃষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য আর্থিক স্বাধীনতা, সম্মান এবং কর্মক্ষেত্রে প্রগতির এক অনবদ্য সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে আসছে। ধৈর্য, নিষ্ঠা ও সৎ পরিশ্রমের সাথে সুযোগগুলো কাজে লাগালে জীবনে স্থায়ী সমৃদ্ধি সুনিশ্চিত হবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe