জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিদেবকে 'কর্মফলদাতা' বা ন্যায়ের দেবতা বলা হয়। শনির গোচর বা রাশি পরিবর্তনের ফলে একটি রাশিতে প্রায় সাড়ে সাত বছর ধরে সাড়েসাতির দশা চলে, যা বহু মানুষের জীবনে কঠিন পরীক্ষার সময় নিয়ে আসে। বর্তমানে শনি গ্রহ কুম্ভ রাশিতে অবস্থান করছে। যার ফলে একাধিক রাশি এই দশার প্রভাবে রয়েছে। কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকাদের উপর বর্তমানে শনির সাড়েসাতির দ্বিতীয় পর্যায় (দ্বিতীয় চরণ) চলছে, যা সাধারণত সবচেয়ে বেদনাদায়ক বা কষ্টকর বলে মনে করা হয়। তবে এই দশা থেকে মুক্তি পাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে।

২৯ মার্চ, ২০২৫: এই তারিখে শনিদেব কুম্ভ রাশি ছেড়ে বৃহস্পতির রাশি মীন রাশিতে প্রবেশ করবে। এর ফলে কুম্ভ রাশির সাড়েসাতির দ্বিতীয় পর্ব শেষ হবে এবং তৃতীয় বা শেষ পর্ব শুরু হবে। এই শেষ পর্ব তুলনামূলকভাবে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসে।
৩ জুন, ২০২৭: জ্যোতিষ মতানুসারে, এই তারিখে শনি যখন মীন রাশি ত্যাগ করে পরবর্তী রাশিতে গমন করবে, তখন কুম্ভ রাশির জাতকরা শনির সাড়েসাতি দশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাবে।
অন্যান্য রাশির সাড়েসাতি মুক্তি ও শুরু
১. মকর রাশি: মকর রাশির উপর শনির সাড়েসাতির শেষ পর্যায় (তৃতীয় চরণ) চলছে। ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ শনির রাশি পরিবর্তনের সাথে সাথেই এই রাশির জাতকরা সাড়েসাতি থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাবেন।
২. মীন রাশি: ২৯ মার্চ, ২০২৫-এ শনি মীন রাশিতে প্রবেশের পর এই রাশির জাতকদের উপর সাড়েসাতির দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে। মীন রাশির উপর এই দশাটি ২০৩০ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত চলবে।
৩. মেষ রাশি: ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ শনি মীন রাশিতে প্রবেশ করার সাথে সাথেই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের উপর শনির সাড়েসাতির প্রথম পর্বের সূচনা হবে। শনির সাড়েসাতির সময়ে ভালো কাজ করা, দরিদ্র ও অসহায়দের সাহায্য করা এবং শনিদেবের পূজা করলে এই দশার অশুভ প্রভাব অনেকটা কমানো যায়।
{{/usCountry}}৩. মেষ রাশি: ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ শনি মীন রাশিতে প্রবেশ করার সাথে সাথেই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের উপর শনির সাড়েসাতির প্রথম পর্বের সূচনা হবে। শনির সাড়েসাতির সময়ে ভালো কাজ করা, দরিদ্র ও অসহায়দের সাহায্য করা এবং শনিদেবের পূজা করলে এই দশার অশুভ প্রভাব অনেকটা কমানো যায়।
{{/usCountry}}পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।