প্রতিবছরের মত এই বছরেও মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথিতে পালন করা হবে শিবরাত্রি। হিন্দু রীতি অনুযায়ী এই দিনের একটি বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। দেবাদিদেব মহাদেবের যারা ভক্ত তারা এই দিন সমস্ত নিয়ম মেনে শিবরাত্রি পালন করেন।

শিবরাত্রি কথাটির অর্থ হল শিবের জন্য যে রাত্রি ধার্য করা হয়েছে। এই শব্দটি থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় এই পুজোটি মূলত রাতেই করা হয়। দেবী এবং পার্বতীর মহামিলনের দিন ধার্য করা হয় শিবরাত্রি।
আরও পড়ুন: অভিজিৎ নক্ষত্রে প্রবেশ মঙ্গলের, ভাগ্য উজ্জ্বল হবে এই ৩ রাশির
শিবরাত্রি দিনক্ষণ: এই বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ রবিবার মহা শিবরাত্রি তিথি পড়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪:৪৮ মিনিট থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার সন্ধ্যা ৫:৩২ মিনিট পর্যন্ত থাকবে শিবরাত্রি তিথি।
শিবরাত্রির নিশীথ কাল: শাস্ত্র মতে শিবরাত্রি পুজোর সব থেকে সঠিক সময় হল নিশীথ কাল। মোট চার প্রহরে পুজো করা হয়। সন্ধ্যেবেলা স্নানের পর পুজো করার নিয়ম রয়েছে এই দিন। সূর্যোদয় থেকে চতুর্দশী তিথি অস্ত হওয়ার মধ্যেকার সময়ে ব্রত পালন করেন কেউ কেউ আবার চতুর্দশী তিথি সমাপ্ত হওয়ার পর ব্রতভঙ্গ করেন।
আরও পড়ুন: সরস্বতী পুজোয় তৈরি হবে গজকিশোরী রাজযোগ, সম্মান বাড়বে এই ৩ রাশির
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: সরস্বতী পুজোয় তৈরি হবে গজকিশোরী রাজযোগ, সম্মান বাড়বে এই ৩ রাশির
{{/usCountry}}শিবরাত্রি ব্রতের নিয়ম: এইদিন সিদ্ধ চালের ভাত বা আমিষ খেতে নেই। চাইলে আতপ চালের সিদ্ধ ভাত খেতে পারেন। তবে সব থেকে ভালো হয় আটা বা ময়দার তৈরি খাবার খেলে। এই দিন সাধারণ লবণ একেবারেই খেতে নেই। ব্রতের দিন সমস্ত নিয়ম নিষ্ঠা মেনে পুজো করলে তবেই দেবাদিব মহাদেবের আশীর্বাদ পাওয়া যায়।
শিবরাত্রি ব্রত পালন করার উপকরণ: এই দিন গঙ্গাজল, দুধ, মধু ঘি এবং চিনির মিশ্রণ দিয়ে শিবের অভিষেক করতে হয়। এছাড়া বেল পাতা, ধুতরা ফুল, অপরাজিতা, কলকে বা আকন্দ ফুল দিয়ে শিবের আরাধনা করতে পারেন আপনি।