...
...
Next Story

অগস্টে পরপর সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ! কার ওপর কী প্রভাব পড়বে? জানুন তারিখ, সময় ও সূতক কাল

অগস্ট মাসের এই জোড়া গ্রহণ জ্যোতিষবিচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতে এই গ্রহণ দুটি দেখা যাবে কিনা, এর সূতক কাল (Sutak Kaal) কার্যকর হবে কিনা এবং সাধারণ মানুষের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে, জেনে নিন।

Published on: Aug 10, 2026, 19:57:43 IST
Advertisement

মহাজাগতিক ও জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিচারে ২০২৬ সালের আগস্ট মাস অত্যন্ত বিরল ও সংবেদনশীল হতে চলেছে। একই মাসের ব্যবধানে আকাশে সংঘটিত হতে চলেছে দুটি বড় গ্রহণ—একটি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (Surya Grahan) এবং অন্যটি চন্দ্রগ্রহণ (Chandra Grahan)। হিন্দু পঞ্জিকা ও জ্যোতিষীদের মতে, ১৫ দিনের ব্যবধানে পরপর দুটি গ্রহণ ঘটা মানবজাতি, প্রকৃতি ও বিশ্বের রাজনৈতিক ভূ-রাজনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।

অগস্টে পরপর সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ! কার ওপর কী প্রভাব পড়বে
অগস্টে পরপর সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ! কার ওপর কী প্রভাব পড়বে

আগস্ট মাসের এই জোড়া গ্রহণ জ্যোতিষবিচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতে এই গ্রহণ দুটি দেখা যাবে কিনা, এর সূতক কাল (Sutak Kaal) কার্যকর হবে কিনা এবং সাধারণ মানুষের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে, জেনে নিন।

১. আগস্ট ২০২৬-এর সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণের তারিখ ও সময়সূচি

ক) বছরের দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণ (১২ আগস্ট ২০২৬):

  • তারিখ ও প্রকৃতি: ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট উদাপিত হবে বছরের অন্যতম প্রধান সূর্যগ্রহণ। এটি একটি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে।
  • বিশ্বে দৃশ্যমানতা: এই গ্রহণটি মূলত উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, আটলান্টিক মহাসাগর এবং মেরু অঞ্চল থেকে স্পষ্ট দেখা যাবে।
  • ভারতে প্রভাব ও সূতক কাল: সূর্যগ্রহণের সময় ভারতে রাত থাকবে। ফলে এটি ভারত থেকে দৃশ্যমান হবে না। জ্যোতিষশাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রহণ দৃশ্যমান না হলে তার সূতক কালও ভারতে কার্যকর বা গ্রহণযোগ্য হয় না। ফলে দেবালয় বন্ধ রাখা বা পূজাপদ্ধতি বর্জনের কোনো কড়াকড়ি ভারতের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রযোজ্য নয়।

মহাজাগতিক এই জোড়া ঘটনা কেবল দেখার বিষয় নয়, বরং জ্যোতিষ মতে এটি সাবধানে চলার বার্তা দেয়। ভারতীয় সময় ও নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণ করলে গ্রহণের যেকোনো ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe