...
...
Next Story

Things not to pick from road: রাস্তায় পড়ে থাকা এই ৫টি জিনিস ভুলেও ছোঁবেন না! ডেকে আনতে পারে চরম দুর্ভাগ্য ও আর্থিক অনটন

Religious beliefs roadside objects: সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে, প্রতিটি বস্তুর একটি নিজস্ব শক্তি বা এনার্জি থাকে। রাস্তাঘাটে পড়ে থাকা কিছু বিশেষ উপাদান মানুষের নেতিবাচক শক্তি বা টোটকার অংশ হতে পারে, যা অজান্তে স্পর্শ করলে জীবনে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

Published on: Jul 15, 2026 11:39 AM IST
Advertisement

Bad luck and negative energy remedies: দৈনন্দিন জীবনে রাস্তাঘাটে চলার সময় আমাদের চোখে কত কিছুই না পড়ে। কখনো কোনো চকচকে কয়েন, কখনো অলঙ্কার, আবার কখনো পূজার কোনো সামগ্রী বা লেবু-লঙ্কা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। অনেক সময় কৌতূহলবশত বা সাধারণ জিনিস মনে করে অনেকেই রাস্তা থেকে সেই বস্তুগুলো তুলে নেন। তবে সনাতন ধর্ম এবং বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে রাস্তাঘাটে পড়ে থাকা কিছু নির্দিষ্ট জিনিস স্পর্শ করা বা তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

রাস্তায় পড়ে থাকা এই ৫টি জিনিস ভুলেও ছোঁবেন না! ডেকে আনতে পারে চরম দুর্ভাগ্য
রাস্তায় পড়ে থাকা এই ৫টি জিনিস ভুলেও ছোঁবেন না! ডেকে আনতে পারে চরম দুর্ভাগ্য

রাস্তায় পড়ে থাকা কিছু বস্তু মানুষের জীবনে চরম দুর্ভাগ্য, আর্থিক অনটন এবং নেতিবাচক শক্তি ডেকে আনতে পারে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, কোন কোন জিনিস রাস্তা থেকে ভুলেও কখনো তোলা উচিত নয় এবং এর পেছনের আধ্যাত্মিক কারণ কী, জেনে নিন।

সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে, প্রতিটি বস্তুর একটি নিজস্ব শক্তি বা এনার্জি থাকে। রাস্তাঘাটে পড়ে থাকা কিছু বিশেষ উপাদান মানুষের নেতিবাচক শক্তি বা টোটকার অংশ হতে পারে, যা অজান্তে স্পর্শ করলে জীবনে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

১. লেবু এবং লঙ্কা (Lemon and Green Chillies)

রাস্তার মোড়ে বা কোনো চৌমাথায় প্রায়শই লেবু ও লঙ্কা পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধর্মীয় ও তান্ত্রিক বিশ্বাস অনুযায়ী, মানুষ তাদের ব্যবসা বা বাড়ির কুদৃষ্টি এবং নেতিবাচক শক্তি দূর করার জন্য ‘নজর দোষ’ কাটানোর টোটকা হিসেবে এগুলো রাস্তায় ফেলে দেয়। লৌকিক বিশ্বাস অনুসারে, কেউ যদি এই লেবু-লঙ্কার ওপর পা দেয় বা এটি হাত দিয়ে তুলে নেয়, তবে ওই ব্যক্তির শরীর ও মনে সেই নেতিবাচক শক্তি বা অলক্ষ্মীর প্রভাব প্রবেশ করে। এর ফলে কাজে বাধা, হুট করে স্বাস্থ্যহানি এবং পারিবারিক অশান্তি দেখা দিতে পারে।

২. টাকা বা পয়সা (Money or Coins)

রাস্তায় পড়ে থাকা চুলের গোছা বা পুরনো চিরুনি স্পর্শ করা অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষ ও তন্ত্রশাস্ত্রে চুলের ব্যবহার নেতিবাচক শক্তি বা কালাজাদুর (Black Magic) কাজে করার উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও রাস্তায় পড়ে থাকা চুল বা অন্যের ব্যবহৃত চিরুনি ছোঁয়া অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর, যা নানা ধরণের ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

৪. ব্যবহৃত জুতো বা ছেঁড়া জামাকাপড়

অনেক সময় রাস্তার ধারে পুরনো বা ব্যবহৃত জুতো-চটি এবং জামাকাপড় পড়ে থাকতে দেখা যায়। জ্যোতিষশাস্ত্রে জুতো এবং ব্যবহৃত কাপড়ের সাথে শনি ও রাহুর সম্পর্ক রয়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কেউ যদি নিজের গ্রহের অশুভ দশা কাটানোর জন্য জুতো বা জামা দান না করে রাস্তায় ফেলে দেয় এবং অন্য কেউ তা তুলে ব্যবহার করা শুরু করে, তবে শনিদেবের কুপ্রভাব বা রাহুর অশুভ দশা সেই ব্যক্তির ওপর স্থানান্তরিত হতে পারে।

৫. পোড়া কাঠ এবং ছাই

রাস্তায় বা শ্মশানের কাছাকাছি কোনো জায়গায় পড়ে থাকা কাঠ, কয়লা বা যজ্ঞের ছাই ভুলেও স্পর্শ করা উচিত নয়। এগুলো অনেক সময় কোনো তান্ত্রিক আচার বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অংশ হতে পারে। এই ধরণের বস্তুর চারপাশে এক ধরণের সূক্ষ্ম নেতিবাচক শক্তির বলয় থাকে, যা দুর্বল চিত্তের মানুষের মানসিক শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।

দরকারি কথা

রাস্তাঘাটে চলার সময় সর্বদা সচেতন থাকা উচিত। কৌতূহলবশত বা সস্তার লোভে পড়ে থাকা যেকোনো বস্তু তুলে নেওয়া কেবল ধর্মীয় দিক থেকেই নয়, বরং স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার দিক থেকেও অনুচিত। প্রকৃতির নিয়ম ও প্রাচীন প্রথাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এই ধরণের জিনিস এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ, যাতে জীবনে পজিটিভ বা ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বজায় থাকে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe