হিন্দু ধর্মে একাদশী তিথির মধ্যে উৎপন্না একাদশী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনেই দেবী একাদশীর উৎপত্তি হয়েছিল বলে বিশ্বাস করা হয়। এই ব্রত পালনের মাধ্যমে ভক্তরা সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি পান এবং মোক্ষ লাভ করেন।উৎপন্না একাদশী ২০২৫-এর তারিখ ও সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো। উল্লেখ্য, স্থানীয় পঞ্জিকা ও সূর্যাস্তের সময়ের কারণে শুভ মুহূর্ত ও রাহুকালের সময়ে সামান্য পার্থক্য হতে পারে।
উৎপন্না একাদশীর তারিখ ও তিথি

ব্রত পালনের দিন - শনিবার, ১৫ নভেম্বর (উদয়া তিথি অনুসারে)
একাদশী তিথি শুরু - ১৫ নভেম্বর, রাত ১২টা ৪৯ মিনিট
একাদশী তিথি সমাপ্ত - ১৬ নভেম্বর, ভোর ০২টা ৩৭ মিনিট
পুজোর সময় ও শুভ মুহূর্ত
উৎপন্না একাদশীতে ভগবান বিষ্ণু এবং দেবী একাদশীর পুজো করা হয়।
ব্রহ্ম মুহূর্ত: ১৫ নভেম্বর সূর্যোদয়ের পূর্বে ব্রহ্ম মুহূর্তে উঠে স্নান সেরে পুজোর সংকল্প নেওয়া সবচেয়ে শুভ।
পুজোর সাধারণ সময়: সারাদিনই পুজো করা যায়, তবে সকালের নিত্য পুজো বা সন্ধ্যায় আরতির সময়কে শুভ মনে করা হয়।
শুভ যোগ: শুভ কাজ শুরু করার জন্য দিনের শুভ সময় বিশেষভাবে মানা হয়ে থাকে। ১৫ নভেম্বর সকাল ০৮:০৪ মিনিট থেকে সকাল ০৯:২৫ মিনিট পর্যন্ত এবং দুপুর ০২:৪৬ মিনিট থেকে বিকাল ০৪:০৭ মিনিট পর্যন্ত সময়কে শুভ বলে গণ্য করা হচ্ছে। এই সময়কালে পুজো সামগ্রী নিবেদন বা নতুন শুভ কাজ শুরু করা যেতে পারে।
৩. রাহুকাল বা অশুভ সময়
{{/usCountry}}৩. রাহুকাল বা অশুভ সময়
{{/usCountry}}রাহুকালকে অশুভ সময় মনে করা হয়, তাই এই সময়ে কোনও নতুন বা গুরুত্বপূর্ণ শুভ কাজ শুরু করা উচিত নয়।
রাহুকাল: ১৫ নভেম্বর, শনিবার সকাল ০৯টা ২৫ মিনিট থেকে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত। এই সময়ে নতুন কোনো কাজ, যেমন - কেনাকাটা বা নতুন চুক্তি করা এড়িয়ে চলুন।
ব্রত পারণের সময়
ব্রত পালন শেষ হওয়ার পরের দিন অর্থাৎ দ্বাদশী তিথিতে পারণ করা হয়। পারণের আগে হরি বাসর সমাপ্ত হওয়া জরুরি।
হরি বাসর সমাপ্তি: ১৬ নভেম্বর, সকাল ০৯টা ০৯ মিনিট।
ব্রত পারণের সময়: ১৬ নভেম্বর দুপুর ০১টা ১০ মিনিট থেকে দুপুর ০৩টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত। পারণের সময়কালের মধ্যে ব্রত ভঙ্গ করা উচিত। উপবাস শেষে ব্রাহ্মণ বা অভাবী ব্যক্তিকে খাদ্য দান করে তবেই নিজে অন্ন গ্রহণ করা শাস্ত্রসম্মত।