...
...
Next Story

Vastu Shastra Tips:বাড়ির রান্নাঘরের উপর বেডরুম রয়েছে? বাস্তুশাস্ত্রমতে এর ফলে কী হয়? রইল টিপস

বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে রান্নাঘরের ঠিক উপরে একটি শয়নকক্ষ তৈরি করা খুব অশুভ বলে মনে করা হয়। এটি ঘুমের সমস্যা, দুর্বল স্বাস্থ্য, পারিবারিক বিভেদ এবং আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

Published on: May 24, 2026, 16:18:24 IST
Advertisement

আধুনিক বাড়িতে জায়গার অভাবে অনেক সময় রান্নাঘরের ঠিক উপরে বেডরুম তৈরি করা হয়। এই ব্যবস্থাটি সুবিধাজনক বলে মনে হলেও বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে এটি একটি গুরুতর ত্রুটি।

Kitchen Above Bedroom Vastu
Kitchen Above Bedroom Vastu

রান্নাঘর হচ্ছে ঘরের ফায়ার সেন্টার, যেখানে অবিরাম আগুন জ্বলতে থাকে। সময়ের সাথে সাথে সেখানে একটি শক্তিশালী 'আগ্নেয় বৃত্ত' গঠিত হয়, যা উপরের মেঝেতে তার প্রভাব ফেলে। বেডরুম যদি ঠিক এই জায়গায় থাকে, তাহলে বাসিন্দারা অজান্তেই এই তীব্র অগ্নি শক্তির বৃত্তে ঘুমিয়ে পড়েন, যার ফলে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রান্নাঘরের উপরে একটি শয়নকক্ষ থাকার অসুবিধা রান্নাঘর থেকে নির্গত আগুনের শক্তি উপরের তলায় পৌঁছায়। বেডরুমটি যদি রান্নাঘরের ঠিক উপরে থাকে, তবে ঘুমন্ত ব্যক্তি অজান্তেই এই শক্তিশালী অগ্নি শক্তির বৃত্তে বাস করে। বাস্তু শাস্ত্র বলেছে যে এই অবস্থায় আগুনের উপাদানের দুর্দান্ত প্রভাব রয়েছে, যা ঘুম এবং স্বাস্থ্য উভয়কেই প্রভাবিত করে। এই ব্যবস্থায় সমস্যা রান্নাঘরের উপরে একটি শয়নকক্ষ থাকার কারণে, ব্যক্তি মানসিক অস্থিরতা, অস্থিরতা এবং ঘন ঘন রাগের অভিযোগ করে।

অনেকে অনিদ্রা, উচ্চ রক্তচাপ, পিত্তের সমস্যা এবং শিরায় দুর্বলতা অনুভব করেন। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে পরিবারে ঝগড়া বাড়ে। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে এই অবস্থানে থাকা পিতৃ দোষ এবং অন্যান্য বাস্তু দোষগুলিও সক্রিয় করতে পারে। অর্থনীতি ও ক্যারিয়ারের উপর প্রভাব বাস্তুর মতে, জ্বলন্ত শক্তির প্রভাবের কারণে, একজন ব্যক্তি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হন না। এটি ব্যবসায়, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং আইনি বিরোধে ক্ষতির কারণ হতে পারে। ক্যারিয়ারে বাধা আসতে থআকে এবং অগ্রগতি ধীর হয়ে যায়। আগুনের বৃত্তের তীব্রতা একজন ব্যক্তির ঘনত্বকে বিরক্ত করে, যা কাজের উৎপাদনশীলতার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

সমস্যার সমাধান ও সমাধান যদি শয়নকক্ষ পরিবর্তন করা সম্ভব না হয়, তাহলে কিছু বাস্তু ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। প্রথমত, বিছানার অবস্থান পরিবর্তন করুন যাতে ঘুমানোর জায়গাটি কেবল চুলার উপরে না থাকে। রান্নাঘরে একটি শক্তিশালী নিষ্কাশন ফ্যান বা চিমনি ইনস্টল করুন। রান্নাঘরের ছাদে মার্বেল পেইন্ট বা মিথ্যা সিলিং করুন, যা আগুনের শক্তি প্রতিরোধে সহায়তা করবে। নিয়মিত কর্পূর পোড়ানো এবং গঙ্গার জল ছিটিয়ে দেওয়াও দরকারী। রান্নাঘরে জলের উপাদান শক্তিশালী করুন। উত্তর-পূর্ব কোণে একটি কলসি জল রাখুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঘরে ধূপকাঠি বা কর্পূর জ্বালিয়ে দিন। এই পদক্ষেপগুলি আগ্নেয় গোলকের প্রভাব অনেকাংশে হ্রাস করতে পারে।

রান্নাঘরের ঠিক উপরে একটি শয়নকক্ষ তৈরি করা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা উভয়ের জন্যই ক্ষতিকারক হতে পারে। আপনার বাড়িতে যদি এমন পরিস্থিতি থাকে তবে উপরে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন। সঠিক বাস্তু ব্যবস্থার সাথে, ইতিবাচক শক্তি বাড়িতে থাকে এবং জীবন সুখী হয়।

( এই প্রতিবেদন এআই দ্বারা অনুবাদ হয়েছে। ডিসক্লেইমার: আমরা এই নিবন্ধে প্রদত্ত তথ্যের সম্পূর্ণ সত্য এবং সঠিক বলে দাবি করি না। আরও বিশদ এবং আরও তথ্যের জন্য, প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না।)

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe