Vastu Tips:শুধু কাঁটা জাতীয় গাছই নয়, বাস্তুমতে এই গাছগুলিও অশুভ হতে পারে! রইল টিপস
বাস্তুশাস্ত্র মতে দেখে নিন গাছ নিয়ে কিছু টিপস।
বাস্তুশাস্ত্র মতে বেশ কিছু গাছ এমন রয়েছে, যা বাড়ির চৌহদ্দিতে লাগানোর সঙ্গে সঙ্গেই তা শুভ ফল নিয়ে আসে বাড়িতে। তবে বাস্তুশাস্ত্রমতে কিছু ধরনের গাছ রয়েছে, যারা সেভাবে সুফল দিতে পারেনা। কিছু এমন ধরনের গাছ রয়েছে যাদের পুঁতলে সংসারে নানান রকমের সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমন কোন কোন ধরনের গাছ আছে, যারা সংসারে শুভ ফল নিয়ে আসেনা? দেখে নিন বাস্তুমত।

তেঁতুল গাছ
তেঁতুল গাছ তার মিষ্টি-টক ফলের জন্য পরিচিত। বাস্তু অনুসারে, এটি বাড়ির কাছে লাগানো উচিত নয়। এটি শনি এবং রাহুর মতো গ্রহের সাথে সম্পর্কিত, যা বিবাদ এবং বাধার প্রতীক। তেঁতুল গাছটি বাড়ির পরিবেশে দারিদ্র্য এবং মানসিক অশান্তি নিয়ে আসে বলে বিশ্বাস করা হয়, যা পরিবারের মধ্যে বিবাদ, অশান্তি এবং উত্তেজনার সৃষ্টি করতে পারে।
মেহেন্দি গাছ
যদিও মেহেদি গাছ সুগন্ধি এবং উপকারী, তবুও এটি বাড়িতে লাগানো উচিত নয়। বাস্তু অনুসারে, এটি মানসিক অস্থিরতা, স্বাস্থ্য সমস্যা এবং আর্থিক সমস্যার কারণ হতে পারে।
বনসাই
বনসাই গাছ কেবল বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না বরং এর রক্ষণাবেক্ষণও সহজ। বাস্তু মতে, এই গাছগুলি প্রতীকীভাবে বৃদ্ধি এবং অগ্রগতিতে বাধা দেয়। আপনার বাড়িতে বনসাই গাছ থাকলে মানসিক চাপ, সম্পর্কের দূরত্ব এবং অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
( Vastu Shastra Tips: শোবার ঘরে প্রদীপ জ্বালানো শুভ কি? বাস্তুশাস্ত্রমত কী বলছে দেখে নিন)
দুধের মতো সাদা তরল বের হওয়া গাছ
দুধের মতো সাদা রস উৎপন্ন করে যে গাছ সেই গাছ বাড়িতে না রাখা শুভ। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, বাড়িতে এই জাতীয় গাছ রাখলে মানসিক অশান্তি, আর্থিক সমস্যা এবং অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। এই গাছগুলি কেবল বাড়ির সৌন্দর্যই হ্রাস করে না বরং মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
কাঁটা গাছ
ঘরের ভেতরে ক্যাকটাস, গোলাপ এবং বাবলার মতো কাঁটাযুক্ত গাছ লাগানো ক্ষতিকারক বলে মনে করা হয়। বাস্তু মতে, কাঁটাযুক্ত গাছ নেতিবাচক শক্তি সঞ্চার করে এবং ঘরের পরিবেশকে ভারী করে তোলে। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের অসুস্থতা, মানসিক চাপ এবং আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।
( এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।)
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


