...
...
Next Story

Vastu Shastra:বাড়ির ঠাকুরঘরে কয়টি দেব দেবীর মূর্তি রাখা শুভ? বাস্তুশাস্ত্রমত দেখে নিন

মন্দিরে আমরা সমস্ত দেব-দেবীর মূর্তি দেখতে পাই। তবে ঘরের ঠাকুরঘরে নিয়ম কিছুটা ভিন্ন। এখানে সব দেব-দেবীর মূর্তি রাখা যাবে না। মন্দির সম্পর্কিত এমন কিছু তথ্য সম্পর্কে জানুন ...

Published on: Feb 11, 2026, 15:00:22 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

হিন্দু ধর্মে, প্রতিদিনের উপাসনাকে বিশেষ গুরুত্ব হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অনেকেই বাড়ির পুজোর ঘরটি সুন্দর করে দেব দেবীর মূর্তি দিয়ে সাজিয়ে রাখেন।

বাড়ির ঠাকুরঘরে কয়টি দেব দেবীর মূর্তি রাখা শুভ? বাস্তুশাস্ত্রমত দেখে নিন
বাড়ির ঠাকুরঘরে কয়টি দেব দেবীর মূর্তি রাখা শুভ? বাস্তুশাস্ত্রমত দেখে নিন

বাড়ির এই পবিত্র কোণটি ইতিবাচক শক্তি এবং মানসিক শান্তির কেন্দ্র হিসাবে বিবেচিত হয়। এ ক্ষেত্রে সব সময় সুসংগঠিত রাখতে হবে। ভাঙা জিনিস বা অপ্রয়োজনীয় জিনিস মন্দিরে রাখা উচিত নয়। উপাসনাস্থল সম্পর্কিত কিছু নিয়মও রয়েছে যা অনুসরণ করা দরকার। প্রায়শই মানুষ একটি বিষয় নিয়ে বিভ্রান্ত হন, বাড়ির মন্দিরে কয়টি মূর্তি থাকা উচিত? আজ আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত জানব।

এছাড়াও, আপনি জানতে পারবেন যে আমাদের বাড়ির উপাসনার স্থানে কোন মূর্তি রাখা উচিত নয়? মূর্তি নেওয়ার সঠিক উপায় কী হওয়া উচিত? বাস্তুশাস্ত্র ও হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ঘরের ঠাকুরঘর যদি সহজ সরলভাবে থাকে, তাহলে তা ভালো বলে মনে করা হয়। বাস্তু শাস্ত্রের নিয়ম অনুসারে, বাড়ির মন্দিরে খুব বেশি মূর্তি রাখা উচিত নয়। যদি এখানে সীমিত সংখ্যক মূর্তি রাখা হয়, তাহলে মন কেন্দ্রীভূত থাকে এবং ধ্যান করে পুজো করা সহজ হয়ে যায়। সাধারণত, এখানে ২ থেকে ৫ টি মূর্তি রাখা সঠিক। এটি মন্দিরে ইতিবাচক শক্তি বজায় রাখে এবং এই পরিস্থিতিতে সহজেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করা যায়। বাড়ির মন্দিরে মূর্তি রাখা শুভ বলে মনে করা হয়। কিছু দেবতার ক্রোধপূর্ণ বা ক্রুদ্ধ রূপ ঘরে রাখা বাঞ্ছনীয় নয়। বাড়ির মন্দিরে নটরাজ, শনি দেব বা রাহু-কেতুর মূর্তি হিংস্র বা ক্রুদ্ধ রূপের মূর্তি, মা কালীর মূর্তি বা কালভৈরবের হিংস্র রূপ মন্দিরে রাখা উচিত নয়। এই ধরনের মূর্তিগুলিকে শক্তি এবং দৃঢ়তার প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে তাদের ঘরের মন্দিরে রাখা ঠিক নয়। বাড়িতে, কেবল শান্ত এবং মৃদু চেহারার ভাস্কর্য রাখা উচিত। এই মূর্তিগুলির শক্তি বাড়ির পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ রাখে এবং বাড়িতে ইতিবাচকতা বজায় রাখে।

(এই প্রতিবেদন এআই দ্বারা অনুবাদ হয়েছে। ) ডিসক্লেইমার: (আমরা দাবি করি না যে এই নিবন্ধে থাকা তথ্য সম্পূর্ণ সত্য এবং সঠিক। বিস্তারিত এবং আরও তথ্যের জন্য, বাস্তু শাস্ত্র বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না। )

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe