সংসারে অনেক সময় শত্রুর কুনজর পড়ে যায়। এর জেরে সংসারে অশান্তি, ঝামেলা, ঝঞ্জাট লেগেই থাকে। লেগেই থাকে নানাবিধ সমস্যা। পাশাপাশি সংসারে অর্থের আগমন কমে যায়। মাঝে মাঝেই অভাব দেখা দিতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে কিছু বাস্তু টোটকাই পারে সংসার থেকে কুনজর দূর করতে। অনেকেই সন্ধেবেলা ঘরে ধূপধুনো জ্বালিয়ে রাখেন। এর সুগন্ধে ঘর ভরে ওঠে। ঈশ্বরের পুজোর জন্য অনেকেই এই ধূপধুনো জ্বালেন। তার মধ্যেই কিছু জিনিস দিয়ে দিলে সংসার থেকে শত্রুর কুনজর সহজে দূর করা যায়। কিন্তু কী দেবেন? আসুন দেখে নেওয়া যাক।
শত্রুর কুনজর দূর করবে ধুনোর এই উপাদান

১. শস্যের তুষ বা চালের খোসা - শস্যের তুষ বা চালের খোসা নেতিবাচক ক্ষমতাকে টেনে নিতে পারে। ঘরে কোনও শত্রুর নজর পড়়লে এটি ঘর থেকে তা শোষণ করে নেয়। তাই ধুনো জ্বালানোর সময় তার মধ্যে অল্প পরিমাণে শস্যের তুষ দিয়ে দিন।
২. শুকনো নিমপাতা - নিম পাতার ধোঁয়াকে প্রাকৃতিকভাবে জীবাণুনাশক বলে মনে করা হয়। এছাড়াও বাস্তুশাস্ত্রে নিম পাতা অত্যন্ত শুভ। এটি শত্রুর কুনজর করতে অত্যন্ত উপকারী। তাই ধুপধুনো জ্বালানোর সময় তার মধ্যে কিছু নিম পাতা দিয়ে দিতে পারেন।
৩. সর্ষে – সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, সর্ষে সংসার থেকে কুনজর দূর করতে সাহায্য করে। তাই সংসারে শুভ শক্তি আকর্ষণ করতে ও কুনজর দূর করতে সর্ষে দিয়ে দিতে অল্প পরিমাণে ধুনোর মধ্যে। এতে নেতিবাচক শক্তিও সহজে দূর হয়।
৪. কর্পূর - কর্পূর অনেকেই ধুনোর মধ্যে দিয়ে থাকেন। কিন্তু প্রতিদিনের ধুনো জ্বালানোর সময় তার মধ্যে কর্পূর দেওয়ার প্রচলন নেই। সংসারে যদি সত্যিই কুনজর পড়ে থাকে, তবে কর্পূর তা দূর করতে সাহায্য করে। তাই সন্ধেবেলা ধুনো দেওয়ার সময় তার মধ্যে অল্প পরিমাণে কর্পূর দিয়ে দিন।
৫. লোবান বা গুগগুল - লোবান সংসার থেকে যেকোনও নেতিবাচক শক্তি নিমেষে দূর করার ক্ষমতা রাখে। তাই এটি সন্ধেবেলা ধুনো দেওয়ার সময় অল্প পরিমাণে পাত্রে দিয়ে দিলে শত্রুর কুনজর সহজে দূর হয়।
{{/usCountry}}৫. লোবান বা গুগগুল - লোবান সংসার থেকে যেকোনও নেতিবাচক শক্তি নিমেষে দূর করার ক্ষমতা রাখে। তাই এটি সন্ধেবেলা ধুনো দেওয়ার সময় অল্প পরিমাণে পাত্রে দিয়ে দিলে শত্রুর কুনজর সহজে দূর হয়।
{{/usCountry}}পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।