...
...
Next Story

Baruipur Case: 'যাঁরা ভোটে...,' মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই বারুইপুর গণপিটুনিকাণ্ডে ধৃত আরও ২, এখনও পর্যন্ত সংখ্যা সাত

Baruipur Case: ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার, যখন এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়। রবিবার সকালে তার দেহ উদ্ধারের পর থেকেই এলাকা রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। পরিবারের অভিযোগ, নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে এবং অন্যতম মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের এনকাউন্টারে মারা যায়।

Published on: Jul 12, 2026, 14:42:47 IST
Advertisement

Baruipur Case: বারুইপুরের গণপিটুনিকাণ্ড ঘিরে তদন্তে বড় অগ্রগতি। শনিবারই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরে গিয়ে গণপিটুনিতে যুবককে হত্যার ঘটনায় কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দেন। আর তার পরেই বারুইপুরে গণপিটুনিতে ৩৫ বছরের যুবক ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের মৃত্যুর ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭।

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই বারুইপুর গণপিটুনিকাণ্ডে ধৃত আরও ২ (ANI Video Grab)
মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই বারুইপুর গণপিটুনিকাণ্ডে ধৃত আরও ২ (ANI Video Grab)

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার, যখন এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়। রবিবার সকালে তার দেহ উদ্ধারের পর থেকেই এলাকা রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। পরিবারের অভিযোগ, নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে এবং অন্যতম মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের এনকাউন্টারে মারা যায়। তবে উত্তেজনা থামেনি। দেহ নিয়ে বিক্ষোভের সময় উন্মত্ত জনতা সম্পূর্ণ সন্দেহের বশে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় প্রথমে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে শুক্রবার রাতে আরও তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই পাঁচ জনই আদালতের নির্দেশে আপাতত পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরে গিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ঘুরে আসার পরই শনিবার আরও দু’জন ধরা পড়েন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ধৃতেরা হলেন, ফারুক সর্দার, রাজেশ সর্দার, শরিফুল মল্লিক, সাবিউদ্দীন বৈদ্য, ফরিদ শেখ, আবু সিদ্দিক সর্দার এবং শামিম আলি খান।

বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের বদলানো হল তদন্তকারী অফিসার (আইও)। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তদন্তকারী অফিসার পরিবর্তনের ঘটনা ঘটল। এবার মামলার ভার দেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশের ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক শান্তনু মুখোপাধ্যায়ের হাতে। এর আগে এই মামলার তদন্তভার ছিল জেলা পুলিশের আধিকারিক দিগন্ত মণ্ডলের ওপর। পরে সেই দায়িত্ব পান বারুইপুর থানার প্রাক্তন আইসি জয়ন্ত পোদ্দার। এবার শান্তনু মুখোপাধ্যায়ের ওপর আস্থা রাখল জেলা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, মামলার প্রতিটি দিক নতুন করে খতিয়ে দেখে দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন লক্ষ্য। প্রসঙ্গত, এই নারকীয় ঘটনায় ইতিমধ্যে একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে মূল অভিযুক্তদের একজন পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন, যার পৃথক তদন্ত চালাচ্ছে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe